📌 ভারতের নির্বাচন কমিশন তৃণমূল কংগ্রেসের দুই প্রতিদ্বন্দ্বী গোষ্ঠীকে আলাদা নাম ও প্রতীক বরাদ্দ করেছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দল পাবে ‘মমতা অল ইন্ডিয়া তৃণমূল কংগ্রেস’ নাম ও ফুটবল খেলোয়াড় প্রতীক, অরূপ রায়ের দল পাবে ‘ডেমোক্রেটিক তৃণমূল কংগ্রেস’ নাম ও ‘খাম’ প্রতীক। ৬ অক্টোবর অনুষ্ঠিত উপনির্বাচনে এই নতুন পরিচয়েই অংশ নেবেন তারা
ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যে তৃণমূল কংগ্রেসের অভ্যন্তরীণ বিভক্তির ফলে নির্বাচন কমিশন নতুন সিদ্ধান্ত নেয়। নির্বাচন কমিশন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও অরূপ রায়ের নেতৃত্বাধীন দুই গোষ্ঠীকে আলাদা নাম ও নির্বাচনী প্রতীক বরাদ্দ করেছে। এই সিদ্ধান্তের ফলে ৬ অক্টোবর অনুষ্ঠিত উপনির্বাচনে উভয় গোষ্ঠী নতুন পরিচয়েই অংশ নিতে পারবে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 নির্বাচন কমিশন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন গোষ্ঠীকে ‘মমতা অল ইন্ডিয়া তৃণমূল কংগ্রেস’ নাম ও ‘ফুটবল খেলোয়াড়’ প্রতীক বরাদ্দ করেছে
- 📌 অরূপ রায়ের নেতৃত্বাধীন বিদ্রোহী গোষ্ঠী পেয়েছে ‘ডেমোক্রেটিক তৃণমূল কংগ্রেস’ নাম ও ‘খাম’ প্রতীক
- 📌 ৬ অক্টোবর অনুষ্ঠিত হবে পশ্চিমবঙ্গের নন্দীগ্রাম ও রেজিনগরের উপনির্বাচন, ভোট গণনা হবে ৯ অক্টোবর
- 📌 এই সিদ্ধান্তের আগে নির্বাচন কমিশন ‘অল ইন্ডিয়া তৃণমূল কংগ্রেস’ নাম ও ‘ফুল ও ঘাস’ প্রতীক স্থগিত করেছিল
- 📌 ১৯৫১ সালের জনপ্রতিনিধিত্ব আইনের ৩৬ নম্বর ধারা অনুযায়ী প্রার্থীদের নতুন নাম ও প্রতীক ব্যবহার করতে হবে
📰 বিস্তারিত
ভারতের নির্বাচন কমিশন শুক্রবার একটি আদেশ জারি করে তৃণমূল কংগ্রেসের দুই প্রতিদ্বন্দ্বী গোষ্ঠীকে আলাদা নাম ও প্রতীক বরাদ্দ করেছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন গোষ্ঠীকে ‘মমতা অল ইন্ডিয়া তৃণমূল কংগ্রেস’ নাম এবং ‘ফুটবল খেলোয়াড়’ প্রতীক দেওয়া হয়েছে। অন্যদিকে অরূপ রায়ের নেতৃত্বাধীন বিদ্রোহী গোষ্ঠীকে ‘ডেমোক্রেটিক তৃণমূল কংগ্রেস’ নাম এবং ‘খাম’ প্রতীক বরাদ্দ করা হয়েছে। এই সিদ্ধান্তের ফলে উভয় গোষ্ঠী পশ্চিমবঙ্গ, মেঘালয় ও ত্রিপুরা রাজ্যে স্বীকৃত রাজনৈতিক দল হিসেবে বিবেচিত হবে।
এই সিদ্ধান্তের আগে নির্বাচন কমিশন একটি অন্তর্বর্তী আদেশে ‘অল ইন্ডিয়া তৃণমূল কংগ্রেস’ নাম ও ‘ফুল ও ঘাস’ প্রতীক স্থগিত করে দিয়েছিল। নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, আসন্ন উপনির্বাচনে কোনো গোষ্ঠী মূল দলের নাম বা প্রতীক ব্যবহার করতে পারবে না। নির্বাচন কমিশন আরও জানিয়েছে, এই নাম ও প্রতীক বরাদ্দ ‘সাময়িক’ এবং চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত না হওয়া পর্যন্ত কার্যকর থাকবে।
তৃণমূল কংগ্রেসের অভ্যন্তরীণ বিরোধের মূল বিষয় হলো দলের সাংগঠনিক কর্তৃত্ব এবং ন্যাশনাল ওয়ার্কিং কমিটির বৈধতা। অরূপ রায়ের নেতৃত্বাধীন গোষ্ঠী ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের সমর্থন পেয়েছে এবং দাবি করেছে, ন্যাশনাল ওয়ার্কিং কমিটির মেয়াদ ২০২৫ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি শেষ হয়ে গেছে। অন্যদিকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন গোষ্ঠী এই প্রক্রিয়ার বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে এবং দাবি করেছে, প্রতিদ্বন্দ্বী গোষ্ঠীর দাবি দলের সংবিধানের পরিপন্থী।
"দলের সংবিধানে সংশোধন এনে ন্যাশনাল ওয়ার্কিং কমিটির মেয়াদ বাড়ানো হয়েছে, কিন্তু প্রতিদ্বন্দ্বী গোষ্ঠী ওই সংশোধনগুলোর বৈধতা নিয়ে আপত্তি জানিয়েছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: পশ্চিমবঙ্গ, মেঘালয়, ত্রিপুরা (ভারত)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, অরূপ রায়, ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৬ অক্টোবর (উপনির্বাচন), ৯ অক্টোবর (ভোট গণনা), ৩৬ (জনপ্রতিনিধিত্ব আইন), ১১ ফেব্রুয়ারি (মেয়াদ শেষ), ১৫ (নির্বাচন প্রতীক আদেশ)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!