📌 জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমেদ বীর বিক্রম বলেছেন, আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা মদ খেয়ে দেশে বাটপার কারখানা গড়ে তুলেছে। তিনি শেখ হাসিনাকে লুটপাটের উদাহরণ হিসেবে উল্লেখ করেছেন।
জাতীয় সংসদের স্পিকার মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমেদ বীর বিক্রম বুধবার ভোলার তজুমদ্দিনে বিএনপি ও এর অঙ্গসংগঠনের আয়োজিত সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীদের মদ খাওয়ার অভিযোগ উঠিয়ে বলেছেন, এসব এলাকা বাটপার কারখানা হয়ে গেছে। তিনি বলেছেন, শেখ হাসিনাই একমাত্র কারচুপি করে ক্ষমতায় টিকে ছিলেন এবং শেষমেশ দেশ থেকে হাজার হাজার কোটি টাকা লুটপাট করে ভারতে পালিয়ে গেছেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমেদ বীর বিক্রম বলেছেন, আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা মদ খেয়ে দেশে বাটপার কারখানা গড়ে তুলেছে।
- 📌 তিনি উল্লেখ করেছেন, শেখ হাসিনা একমাত্র কারচুপি করে ক্ষমতায় টিকে ছিলেন এবং দেশ থেকে লুটপাট করে ভারতে পালিয়ে গেছেন।
- 📌 স্পিকার বলেছেন, তজুমদ্দিনে মাদকের বিস্তার ১৫ বছর আগের তুলনায় অনেক বেড়েছে।
- 📌 তিনি নির্দেশ দিয়েছেন, মাদকের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের সরাসরি পুলিশের হাতে সোপর্দ করা হবে।
- 📌 তজুমদ্দিন উপজেলা প্রশাসন ও বিএনপি তাকে সংবর্ধনা দিয়েছে এবং অসহায় মানুষদের মধ্যে নগদ বিতরণ করা হয়েছে।
📰 বিস্তারিত
মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমেদ বীর বিক্রম বলেছেন, ‘বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে একমাত্র শেখ হাসিনাই কারচুপি করে ক্ষমতায় টিকে ছিলেন। শেষমেশ দেশ থেকে হাজার হাজার কোটি টাকা লুটপাট করে তিনি ভারতে পালিয়ে গেছেন। আমরা এ ধরনের রাজনীতি করিনি; ঢাকায় আমার নিজের কোনো বাড়ি নেই, অথচ তাদের জাবেদ নামের এক এমপির বিদেশেই সাড়ে চারশত বাড়ি রয়েছে।’ তিনি আরও বলেন, ‘এসব উদাহরণ এ জন্যই দিচ্ছি, যাতে মানুষ বুঝতে পারে দেশের রাজনৈতিক অঙ্গন লুটপাট করে তারা কীভাবে নিজেদের ভাগ্য গড়েছে।’
স্পিকার বলেছেন, ‘আজ থেকে বিশ বছর আগে আমি যখন এমপি ছিলাম, তার পরেই কারচুপির নির্বাচন শুরু হয়। তখন তজুমদ্দিনে কোনো মাদকের বিস্তার ছিল না। কিন্তু গত পনেরো বছরে ঘরে ঘরে মাদক ছড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। আওয়ামী লীগের নেতারাও মাদক খায়, কর্মীরাও মাদক সেবন করে। এসব এলাকা বাটপারের কারখানা হয়ে গেছে। আমি নির্দেশ দিয়ে যাচ্ছি—যারা মাদকের সঙ্গে জড়িত, তাদের ধরে সরাসরি পুলিশের হাতে সোপর্দ করবেন।’
তজুমদ্দিন উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে স্পিকারের সংবর্ধনা দেওয়া হয়। এ সময় উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের শতাধিক অসহায়, পঙ্গু ও দুস্থ মানুষের মাঝে নগদ অর্থ বিতরণ করা হয়। পরে তিনি তজুমদ্দিনকে পৌরসভায় রূপান্তর এবং সাধারণ মানুষের বিনোদনের জন্য একটি পার্ক নির্মাণসহ নানা উন্নয়নমূলক কাজের প্রতিশ্রুতি দেন।
"আজ থেকে বিশ বছর আগে আমি যখন এমপি ছিলাম, তার পরেই কারচুপির নির্বাচন শুরু হয়। তখন তজুমদ্দিনে কোনো মাদকের বিস্তার ছিল না। কিন্তু গত পনেরো বছরে ঘরে ঘরে মাদক ছড়িয়ে দেওয়া হয়েছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: তজুমদ্দিন উপজেলা, ভোলা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমেদ বীর বিক্রম
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৫ বছর (মাদকের বিস্তার), শতাধিক (অসহায় মানুষ)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!