📌 প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খাঁন বলেছেন, বর্তমান সরকারের বিরুদ্ধে একাত্তরের ও চব্বিশের রাজাকার একত্রিত হয়ে ষড়যন্ত্র করছে। তিনি শেখ মুজিব হত্যাকাণ্ডের পর ভারতের সেনা অভ্যুত্থান চেষ্টা ও ৭ নভেম্বর সিপাহী বিপ্লবের ইতিহাসের সত্য তুলে ধরেছেন
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খাঁন বলেছেন, বর্তমান সরকারের বিরুদ্ধে একাত্তরের রাজাকার জামায়াতে ইসলামী ও চব্বিশের রাজাকার আওয়ামী লীগ একত্রিত হয়ে ষড়যন্ত্র করছে। তিনি দাবি করেছেন, এই দুটি রাজাকার দলের সমন্বয়ে গঠিত রাজনৈতিক শক্তি সরকারকে বাধাগ্রস্ত করার চেষ্টা করছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 রাশেদ খাঁন বলেছেন, বর্তমান সরকারের বিরুদ্ধে একাত্তরের ও চব্বিশের রাজাকার একত্রিত হয়ে ষড়যন্ত্র করছে
- 📌 তিনি দাবি করেছেন, শেখ মুজিব হত্যাকাণ্ডের পর ভারত চেষ্টা করেছিল বাংলাদেশের নিয়ন্ত্রণ নিতে
- 📌 ৩ নভেম্বর ভারতের চেষ্টা সফল হয়েছিল, কিন্তু ৭ নভেম্বর সিপাহী বিপ্লবের মাধ্যমে জিয়াউর রহমান ক্ষমতায় আসেন
- 📌 রাশেদ খাঁন বলেছেন, আগামী স্থানীয় নির্বাচনে এই রাজাকার চক্রান্ত মোকাবিলা করতে হবে
- 📌 তিনি বলেছেন, ইতিহাসের সত্য জানাতে হবে — ৭ নভেম্বর ছিল ভারতীয় ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে সিপাহী জনতার বিপ্লব
📰 বিস্তারিত
রাশেদ খাঁন শনিবার (৭ নভেম্বর) জেলা বিএনপি আয়োজিত জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসের সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন। তিনি বলেন, “আমরা দেখতে পাচ্ছি তারা পদে পদে এই রাষ্ট্রকে নিয়ে চক্রান্ত, ষড়যন্ত্র করছে। অতীতে তারা পার পায়নি, এখনো চক্রান্ত করে সেই একাত্তরের রাজাকার জামায়াতে ইসলামী এবং চব্বিশের রাজাকার আওয়ামী লীগও সফল হতে পারবে না।”
রাশেদ খাঁন আরও বলেন, “শেখ মুজিব হত্যাকাণ্ডের পরে ভারত চেষ্টা করছিল এই দেশে আর একটি সেনা অভ্যুত্থান ঘটিয়ে বাংলাদেশের নিয়ন্ত্রণ নিতে। ৩ নভেম্বর সেই চেষ্টা সফল হয়েছিল। কিন্তু ৭ নভেম্বর বাংলাদেশের জনগণ শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানকে ক্ষমতায় বসিয়েছিল। তিনি ক্ষমতা দখল করেননি। জনগণ বিশ্বাস করে সিপাহী বিপ্লবের মাধ্যমে তাকে ক্ষমতায় বসিয়েছিল। যারা বলে থাকে বিএনপি জোরপূর্বক ক্ষমতায় বসেছিল, ওরা ইতিহাসকে বিকৃত করছে। ওরা ইতিহাস জানে না।”
রাশেদ খাঁন বলেন, “আগামীতে স্থানীয় নির্বাচন আছে। এই নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সেই একাত্তরের ও চব্বিশের রাজাকার চক্রান্ত করার অপচেষ্টা করছে। সেখানেও আপনাদের এভাবে রাজপথে উপস্থিত থেকে ওদের চক্রান্ত মোকাবিলা করতে হবে। এতোদিন আমরা ভুল ইতিহাস জেনেছি। এখন জাতিকে সত্য, সঠিক ইতিহাস জানাতে হবে। ৭ নভেম্বর ভারতের আধিপত্যবাদের বিরুদ্ধে সিপাহী জনতার যে প্রতিরোধ ছিল সেই ইতিহাস আমাদেরকে ভুলিয়ে দেওয়া হয়েছিল। মূলত এই দিনটি ছিল ভারতীয় ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে সিপাহী জনতার বিপ্লব।”
"আমরা দেখতে পাচ্ছি তারা পদে পদে এই রাষ্ট্রকে নিয়ে চক্রান্ত, ষড়যন্ত্র করছে। অতীতে তারা পার পায়নি, এখনো চক্রান্ত করে সেই একাত্তরের রাজাকার জামায়াতে ইসলামী এবং চব্বিশের রাজাকার আওয়ামী লীগও সফল হতে পারবে না।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: জেলা বিএনপি আয়োজিত সমাবেশ, জেলা প্রশাসকের কার্যালয় চত্বর
- 👥 মুখ্য ব্যক্তি: রাশেদ খাঁন (প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী), এম এ মজিদ (জেলা বিএনপি সভাপতি), জেলা প্রশাসক নোমান হোসেন
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৭ নভেম্বর (জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস), ৩ নভেম্বর (ভারতের সেনা অভ্যুত্থান চেষ্টা)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!