📌 রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ধর্মের নামে বিভ্রান্তি ছড়াতে কেউ না পারে এবং ফ্যাসিবাদী শাসন আর দেশে ফিরে না আসে বলে সতর্ক করেছেন। তিনি বলেছেন, স্বৈরাচারের পতনের পর দেশ গড়ার সুযোগ কাজে লাগাতে হবে
রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ধর্মের নামে বিভ্রান্তি ছড়াতে কেউ না পারে এবং ফ্যাসিবাদী শাসন আর দেশে ফিরে না আসে বলে সতর্কবার্তা দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, স্বৈরাচারের পতনের পর মহান আল্লাহ বাংলাদেশের দেশ গড়ার সুযোগ দিয়েছেন এবং এ সুযোগ কাজে লাগাতে হবে। রাষ্ট্রপতি আজ সোমবার বঙ্গভবনে আলেম ও ইসলামী ব্যক্তিবর্গের একটি প্রতিনিধিদলের সাক্ষাতে এ কথা বলেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, ‘স্বৈরাচারের পতনের পর দেশ গড়ার সুযোগ কাজে লাগাতে হবে এবং ফ্যাসিবাদী শাসন আর ফিরে না আসে’
- 📌 তিনি ধর্মের নামে বিভ্রান্তি ছড়াতে কেউ না পারে বলে সতর্ক করেছেন
- 📌 রাষ্ট্রপতি জানান, তিনি সম্পূর্ণ অরাজনৈতিক ব্যক্তি, কিন্তু ইসলামী মূল্যবোধ ও শরিয়ায় আঘাত আসে এমন কাজ যেন না হয়
- 📌 প্রতিনিধিদল মধ্যপ্রাচ্যের ব্যবসায়িক ও বিনিয়োগ সুযোগ নিয়ে আলোচনা করেন এবং চট্টগ্রামের দুটি মাদ্রাসায় রাষ্ট্রপতির সফর আমন্ত্রণ জানান
- 📌 রাষ্ট্রপতি চট্টগ্রামের হাটহাজারী দারুল উলুম মাদ্রাসা ও ফটিকছড়ির আল-জামিয়াতুল ইসলামিয়া আজিজুল উলুম মাদ্রাসায় সফর ও হেফাজতের আমিরের সঙ্গে সাক্ষাতের আগ্রহ প্রকাশ করেন
📰 বিস্তারিত
বিশিষ্ট আলেম ও ইসলামী ব্যক্তিবর্গের একটি প্রতিনিধিদল বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতির সাক্ষাতে এসেছিলেন। এতে হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক মাওলানা মুফতি বশিরুল্লাহর নেতৃত্বে ছিলেন। প্রতিনিধিদলে ছিলেন হেফাজতে ইসলামের যুগ্ম মহাসচিব মুফতি হারুন ইজহার ও মাওলানা মীর ইদরীস নদভি, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় মসজিদের ইমাম ও খতিব মাওলানা রফিকুল ইসলাম, জাতীয় ইমাম খতিব কাউন্সিলের কো-অর্ডিনেটর মাওলানা ফয়সাল এবং খতমে নবুওয়াত বাংলাদেশের প্রচার সম্পাদক মাওলানা আফসার মাহমুদ।
রাষ্ট্রপতি বলেন, প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী মরহুমা বেগম খালেদা জিয়া ও শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ইসলামি পণ্ডিত ও আলেম-ওলামাদের খুব সম্মান করতেন। তিনি উল্লেখ করেন, ইসলামের প্রতি মমতাবোধ থেকে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান সংবিধানে ‘বিস্মিল্লাহির্-রাহ্মানির্-রহিম’ সংযোজন করেন। এছাড়াও আল্লাহর ওপর পূর্ণ আস্থা ও বিশ্বাস রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতিতে অন্তর্ভুক্ত করেন।
প্রতিনিধিদল মধ্যপ্রাচ্যের ধনী ও উন্নত দেশ থেকে ব্যবসা-বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বাড়াতে এবং অনুদান সহায়তা আনার জন্য তাদের আরবি ভাষা ও যোগাযোগের পারদর্শিতা কাজে লাগানোর অনুরোধ করেন। রাষ্ট্রপতি এ ব্যাপারে প্রবাসীকল্যাণ মন্ত্রণালয় ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে অব্যাহত যোগাযোগের পরামর্শ দেন এবং সহযোগিতার আশ্বাস দেন।
"স্বৈরাচারের পতনের পর মহান আল্লাহ আমাদের দেশ গড়ার যে সুযোগ দিয়েছেন, আমরা যেন ঐক্যবদ্ধভাবে তা কাজে লাগাতে পারি। ফ্যাসিবাদী দুঃশাসন আর যেন দেশে কখনো ফিরে না আসে এবং ধর্মের নামে কেউ যেন বিভ্রান্তি সৃষ্টি করতে না পারে—সে ব্যাপারে সবার সজাগ ও সতর্ক থাকতে হবে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: বঙ্গভবন, ঢাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, মাওলানা মুফতি বশিরুল্লাহর, মাওলানা রফিকুল ইসলাম, মাওলানা মীর ইদরীস নদভি
- 📌 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১ (প্রতিনিধিদল), ২ (মাদ্রাসা)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!