📅 ৭ নভেম্বর ২০২৬, ১১:৪৮ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

পিরোজপুরের নেছারাবাদে বিএনপি নেতা-নেতৃবৃন্দের মধ্যে টিআর প্রকল্প বিতর্ক: ‘অন্য ব্যক্তিকে দিলে প্রকল্প হারানোর অভিযোগ’

পিরোজপুরের নেছারাবাদে বিএনপি নেতা-নেতৃবৃন্দের মধ্যে টিআর প্রকল্প বিতর্ক: ‘অন্য ব্যক্তিকে দিলে প্রকল্প হারানোর অভিযোগ’

📷 ছবি: Ajker Patrika

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 আজকের পত্রিকা ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 পিরোজপুরের নেছারাবাদ উপজেলায় বিএনপির দুই নেতা নাছির উদ্দীন তালুকদার ও লাভলু হাওলাদারের মধ্যে টিআর প্রকল্প বিতর্কে ফেসবুকে ক্ষোভ প্রকাশিত হয়েছে। লাভলু অভিযোগ করেছেন, তাঁর নামে বরাদ্দ প্রকল্প অন্য ব্যক্তিকে দিয়ে দেওয়া হয়েছে। নাছির তালুকদার তা অস্বীকার করে মিথ্যা প্রচারণার কথা বলেছেন

পিরোজপুরের নেছারাবাদ উপজেলায় বিএনপির দুই নেতার মধ্যে টেস্ট রিলিফ (টিআর) প্রকল্প বিতর্কে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ক্ষোভের তরঙ্গ উঠেছে। দৈহারী ইউনিয়ন বিএনপির সদস্যসচিব মো. লাভলু হাওলাদার ফেসবুকে প্রকাশিত এক ভিডিওতে অভিযোগ করেছেন, তাঁর নামে বরাদ্দ প্রকল্প অন্য ব্যক্তিকে দিয়ে দেওয়া হয়েছে। এ ঘটনায় কেন্দ্রীয় নেতাদের হস্তক্ষেপের আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 লাভলু হাওলাদার ফেসবুকে ভিডিও প্রকাশ করে অভিযোগ করেছেন, তাঁর নামে বরাদ্দ ২০২৫-২৬ অর্থবছরের একটি টিআর প্রকল্প অন্য ব্যক্তিকে দিয়ে দেওয়া হয়েছে।
  • 📌 লাভলু দাবি করেছেন, ১৩টি প্রকল্পের মধ্যে তাঁর নামে একটি বরাদ্দ দেওয়া হলেও প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) কার্যালয়ে গিয়ে দেখেছেন, নাছির উদ্দীন তালুকদার তাঁর প্রকল্প অন্য ব্যক্তিকে দিয়ে দিয়েছেন।
  • 📌 লাভলু জানান, ১৭ বছর ঢাকায় চা বিক্রি করে এলাকায় রাজনীতি করেছেন। প্রকল্পের অর্থ দিয়ে দলীয় কার্যালয়ের ভাড়া ও নিজের খরচ চালানোর আশা করেছিলেন।
  • 📌 নাছির তালুকদার অভিযোগ অস্বীকার করে বলেছেন, ‘টিআর দেওয়ার ক্ষমতা আমার নেই’। তিনি দাবি করেছেন, লাভলু তাঁর কাছে টাকা চেয়েছিলেন এবং মিথ্যা প্রচারণা চালাচ্ছেন।
  • 📌 উপজেলা বিএনপির সাবেক সদস্যসচিব মো. আব্দুল্লাহ আল বেরুনী সৈকত বলেছেন, লাভলু একজন ত্যাগী নেতা। বিষয়টি প্রতিমন্ত্রী বা কেন্দ্রীয় নেতারা দেখবেন।
  • 📌 নেছারাবাদ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. আশিক আহমেদ জানান, বিষয়টি তাঁর জানা নেই। খোঁজ নিয়ে দেখবেন।

📰 বিস্তারিত

দৈহারী ইউনিয়ন বিএনপির সদস্যসচিব মো. লাভলু হাওলাদার গত শুক্রবার ফেসবুকে প্রকাশিত এক ভিডিওতে বলেছেন, ২০২৫-২৬ অর্থবছরে তাঁর ইউনিয়নে ১৩টি টিআর ও কাবিখা প্রকল্প বরাদ্দ দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু প্রথমে তাঁকে কোনো প্রকল্প দেওয়া হয়নি। পরে বিশেষ সুপারিশে তাঁর নামে একটি টিআর প্রকল্প বরাদ্দ দেওয়া হলেও প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) কার্যালয় থেকে স্ট্যাম্প কিনে চুক্তি সম্পন্ন করতে বলা হলেও, প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা কার্যালয়ে গিয়ে তিনি দেখেছেন, নাছির উদ্দীন তালুকদার তাঁর প্রকল্প অন্য ব্যক্তিকে দিয়ে দিয়েছেন।

লাভলু জানান, তিনি ১৭ বছর ঢাকায় চা বিক্রি করে এলাকায় রাজনীতি করেছেন। তাঁর পরিবারের সদস্যদেরও হয়রানির মধ্য দিয়ে যেতে হয়েছে। বর্তমানে আর্থিক সংকটে থাকা লাভলু প্রকল্পের কাজ থেকে পাওয়া অর্থ দিয়ে দলীয় কার্যালয়ের ভাড়া ও নিজের কিছু খরচ চালানোর আশা করেছিলেন। কিন্তু প্রকল্প হারানোর কারণে তিনি ক্ষুব্ধ হয়ে ফেসবুকে ভিডিও প্রকাশ করেছেন।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে লাভলু অভিযোগ করেছেন, নাছির উদ্দীন তালুকদার তাঁকে অবহেলা করে তাঁর নামে বরাদ্দ প্রকল্প অন্য ব্যক্তিকে দিয়েছেন। এ ছাড়া তিনি নাছিরের বিরুদ্ধে আওয়ামী লীগের পক্ষে সালিস-বাণিজ্যে জড়িত থাকার অভিযোগও করেছেন। লাভলু কেন্দ্রীয় বিএনপি নেতাদের হস্তক্ষেপের আহ্বান জানিয়েছেন।

নাছির উদ্দীন তালুকদার অভিযোগ অস্বীকার করে বলেছেন, ‘টিআর দেওয়া বা নেওয়ার ক্ষমতা আমার নেই। বিষয়টি সরাসরি ইউনিয়ন নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা তদারকি করেন।’ তিনি দাবি করেছেন, লাভলু তাঁর কাছে টাকা চেয়েছিলেন। টাকা দিতে রাজি না হওয়ায় তিনি মিথ্যা প্রচারণা চালাচ্ছেন।

নেছারাবাদ উপজেলা বিএনপির সাবেক সদস্যসচিব মো. আব্দুল্লাহ আল বেরুনী সৈকত বলেছেন, বিষয়টি তিনি শুনেছেন। তিনি মনে করেন, হয়তো প্রতিমন্ত্রীও অবগত হয়েছেন। তিনি বলেছেন, ‘তিনিই বিষয়টি দেখবেন।’ তিনি লাভলুকে একজন ত্যাগী নেতা এবং কিছুটা অসহায় বলে বর্ণনা করেছেন।

নেছারাবাদ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. আশিক আহমেদ জানান, বিষয়টি তাঁর জানা নেই। তিনি বলেছেন, বিষয়টি খোঁজ নিয়ে দেখবেন।

"দীর্ঘ ১৭ বছর ঢাকায় চা বিক্রি করে এলাকায় রাজনীতি করেছেন। আমার পরিবারের সদস্যদেরও হয়রানির মধ্য দিয়ে যেতে হয়েছে। বর্তমানে আর্থিক সংকটে থাকা আমি প্রকল্পের অর্থ দিয়ে দলীয় কার্যালয়ের ভাড়া ও নিজের কিছু খরচ চালানোর আশা করেছিলাম। কিন্তু প্রকল্প হারানোর কারণে আমি ক্ষুব্ধ হয়ে ফেসবুকে ভিডিও প্রকাশ করেছি।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: নেছারাবাদ উপজেলা, পিরোজপুর
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মো. লাভলু হাওলাদার, নাছির উদ্দীন তালুকদার, মো. আব্দুল্লাহ আল বেরুনী সৈকত, মো. আশিক আহমেদ
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৩টি প্রকল্প, ২০২৫-২৬ অর্থবছর, ১৭ বছর

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖