📌 পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ে সরকার তিনটি কমিটি গঠন করেছে, যা পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতি (জেএসএস) উদ্বিগ্ন করেছে। তারা দাবি, সামরিক ও গোয়েন্দা সংস্থার প্রাধান্য দিয়েই কমিটি গঠন করা হয়েছে, যা চুক্তি বাস্তবায়নকে জটিল করে তুলবে
পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ে সরকারের গঠিত তিনটি কমিটি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতি (জেএসএস)। সংগঠনটি মন্তব্য করেছে, পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তিকে অগ্রাহ্য করে একতরফাভাবে এই কমিটিগুলো গঠন করা হয়েছে, যা রাজনৈতিক ও শান্তিপূর্ণ সমাধানের পথ আরও জটিল করেছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ১০ সেপ্টেম্বর মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের কমিটিবিষয়ক অধিশাখা থেকে বাংলাদেশ গেজেটে প্রকাশিত হয় তিনটি কমিটির গঠন: জাতীয়, নির্বাহী ও পরামর্শক কমিটি
- 📌 জাতীয় কমিটির সভাপতি প্রধানমন্ত্রী, সদস্য সংখ্যা ১৯; নির্বাহী কমিটির সভাপতি স্বরাষ্ট্র সচিব, সদস্য সংখ্যা ১৫; পরামর্শক কমিটির সভাপতি পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তি বাস্তবায়ন ও পরিবীক্ষণ কমিটির চেয়ারম্যান, সদস্য সংখ্যা ৯
- 📌 জেএসএসের দাবি: কমিটিগুলোতে সামরিক বাহিনী ও গোয়েন্দা সংস্থার প্রতিনিধিদের প্রাধান্য দেওয়া হয়েছে, যা পার্বত্য চট্টগ্রামে সামরিকায়ন বাড়াতে পারে
- 📌 চুক্তি স্বাক্ষরকারী সংগঠন ও আঞ্চলিক পরিষদকে কমিটিগুলোতে সম্পৃক্ত করা হয়নি
- 📌 জেএসএস দাবি করেছে, কমিটিগুলো বাতিল করে চুক্তি বাস্তবায়ন ও পরিবীক্ষণ কমিটি পুনর্গঠন করা দরকার
📰 বিস্তারিত
মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের কমিটিবিষয়ক অধিশাখার অতিরিক্ত সচিব মো. হুমায়ুন কবির স্বাক্ষরিত বাংলাদেশ গেজেটে প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, জাতীয় কমিটির প্রধান কাজ হবে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ে অগ্রাধিকার নির্ধারণ, বিভিন্ন সংস্থার কার্যক্রম তদারকি এবং জাতীয় কর্মকৌশল চূড়ান্ত করা।
নির্বাহী কমিটির অন্যতম দায়িত্ব হলো সন্ত্রাস ও বিচ্ছিন্নতাবাদ দমন, সীমান্ত নিরাপত্তা এবং সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির বিষয়গুলোর জাতীয় কর্মকৌশল প্রণয়ন। পাশাপাশি, প্রচলিত আইন ও চুক্তির শর্ত পর্যালোচনা করে প্রয়োজনীয় সংশোধন ও নতুন আইন প্রণয়নের সুপারিশ করার কথাও উল্লেখ করা হয়েছে।
জেএসএসের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, কমিটিগুলোতে সামরিক বাহিনী ও গোয়েন্দা সংস্থার প্রতিনিধিদের প্রাধান্য দেওয়া হয়েছে। তাদের মতে, পার্বত্য চট্টগ্রামের রাজনৈতিক সমস্যা সমাধানে এ ধরনের কাঠামো চুক্তি বাস্তবায়নের পরিবর্তে সামরিকায়ন আরও বাড়াতে পারে।
সংগঠনটি আরও দাবি করেছে, আঞ্চলিক পরিষদ ও তিন পার্বত্য জেলা পরিষদকে সিদ্ধান্ত গ্রহণের ভূমিকায় রাখা হয়নি এবং চুক্তি স্বাক্ষরকারী সংগঠনকেও কমিটিগুলোতে সম্পৃক্ত করা হয়নি। তারা তিন কমিটি বাতিল, চুক্তি বাস্তবায়ন ও পরিবীক্ষণ কমিটি পুনর্গঠন এবং চুক্তি বাস্তবায়নে সময়সূচিভিত্তিক কর্মপরিকল্পনা গ্রহণের দাবি জানিয়েছে।
"পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তিকে পাশ কাটিয়ে একতরফাভাবে কমিটি গঠন করা হয়েছে। এতে পার্বত্য চট্টগ্রাম সমস্যার রাজনৈতিক ও শান্তিপূর্ণ সমাধানের পথ আরও জটিল হতে পারে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: পার্বত্য চট্টগ্রাম, বাংলাদেশ
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মো. হুমায়ুন কবির (মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের অতিরিক্ত সচিব), জেএসএস (পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতি)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩টি কমিটি (জাতীয়, নির্বাহী, পরামর্শক); ১৯, ১৫ ও ৯ সদস্য যথাক্রমে
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!