📌 মোতাহার হোসেনকে জুলাই গণআন্দোলন প্রতিরোধে অর্থসাহায্য দানের অভিযোগে আবার সাত দিনের রিমান্ডে নেওয়া হয়েছে। আদালত জানায়, তিনি বাহাউদ্দিন নাসিমের ঘনিষ্ঠ এবং ৫ আগস্টের আন্দোলন প্রতিহতের জন্য অর্থ জোগানদাতা ছিলেন
মোতাহার হোসেন (৬৬) জুলাই গণআন্দোলন প্রতিরোধে অর্থসাহায্য দানের অভিযোগে আবার সাত দিনের রিমান্ডে নেওয়া হয়েছে। ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মনিরুল ইসলামের আদালত ৭ নভেম্বর মোতাহারকে দ্বিতীয় দফায় রিমান্ডে নেওয়ার আবেদন মঞ্জুর করেছেন। তদন্ত কর্মকর্তা উত্তরা পশ্চিম থানার উপপরিদর্শক (এসআই) সাইফুল ইসলাম জানান, মোতাহার হোসেন বাহাউদ্দিন নাসিমের ঘনিষ্ঠ এবং ৫ আগস্টের ছাত্র আন্দোলন প্রতিহত করার জন্য অর্থ জোগানদাতা হিসেবে কাজ করেছেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 মোতাহার হোসেন (৬৬) জুলাই গণআন্দোলন প্রতিরোধে অর্থসাহায্য দানের অভিযোগে আবার সাত দিনের রিমান্ডে নেওয়া হয়েছে।
- 📌 ৫ আগস্টের আন্দোলন প্রতিহত করার জন্য মোতাহার হোসেন বাহাউদ্দিন নাসিমের ঘনিষ্ঠ হিসেবে কাজ করেছেন বলে তদন্ত কর্মকর্তা জানান।
- 📌 ২০৫ জনের নাম উল্লেখ করে মামলা দায়ের করা হয়েছিল, যার মধ্যে মোতাহার হোসেন ১৯৬ নম্বর আসামি হিসেবে তালিকাভুক্ত।
- 📌 ২ নভেম্বর পুলিশ মোতাহারকে গ্রেপ্তার করে, প্রথম দফায় তিন দিনের রিমান্ডে নেওয়া হয়েছিল।
- 📌 মোতাহার হোসেনের রাজনৈতিক পদবি এখনো পাওয়া যায়নি, তদন্ত চলমান।
📰 বিস্তারিত
মোতাহার হোসেনের জড়িত থাকার অভিযোগে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট উত্তরা এলাকায় ছাত্র আন্দোলন প্রতিহত করার সময় একজন ব্যক্তি গুলিবিদ্ধ হন। তার নাম মো. জসিম। পরদিন চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি পঙ্গু হাসপাতালে মৃত্যুবরণ করেন। এই ঘটনায় মো. জসিমের স্ত্রী মোছা. ফরিদা ১১ ডিসেম্বর ২০৫ জনের নাম উল্লেখ করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলায় মোতাহার হোসেন ১৯৬ নম্বর আসামি হিসেবে তালিকাভুক্ত ছিলেন।
তদন্ত কর্মকর্তা সাইফুল ইসলাম প্রথম আলোকে বলেন, মোতাহার হোসেন জিজ্ঞাসাবাদে কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দিয়েছেন, কিন্তু অনেক তথ্য গোপন করেছেন। তাই তাঁকে আবার সাত দিনের রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা প্রয়োজন। এছাড়াও তাঁর দেওয়া তথ্যাদি যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে।
মামলার তদন্ত কর্মকর্তা সাইফুল ইসলাম জানান, মোতাহার হোসেনের রাজনৈতিক কোনো পদ-পদবি এখনো পাওয়া যায়নি। তবে তিনি বাহাউদ্দিন নাসিমের ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত। তদন্ত চলমান রয়েছে।
"মোতাহার হোসেন বাহাউদ্দিন নাসিমের ঘনিষ্ঠ এবং ৫ আগস্টের ছাত্র আন্দোলন প্রতিহত করার জন্য অর্থ জোগানদাতা হিসেবে কাজ করেছেন। জিজ্ঞাসাবাদে আসামি গুরুত্বপূর্ণ তথ্য প্রদান করলেও অনেক তথ্য গোপন করেছেন। তাই তাঁকে আবার সাত দিনের রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা প্রয়োজন।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঢাকা (উত্তরা পশ্চিম থানা, মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মোতাহার হোসেন (৬৬), সাইফুল ইসলাম (উপপরিদর্শক), মনিরুল ইসলাম (ম্যাজিস্ট্রেট), মোছা. ফরিদা (মো. জসিমের স্ত্রী)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৫ আগস্ট, ১১ ডিসেম্বর, ২০৫ জন, ১৯৬ নম্বর আসামি, ৬৬ বছর, ২ নভেম্বর, ৭ দিনের রিমান্ড
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!