📌 মোহনগঞ্জ উপজেলায় জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসের অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্যে শহীদ জিয়াউর রহমানের নাম না নিলে বিএনপি নেতা-কর্মীদের উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। শিক্ষা কর্মকর্তা দুঃখ প্রকাশের পর পরিস্থিতি শান্ত হয়
মোহনগঞ্জ উপজেলায় জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসের (৭ নভেম্বর) অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্যে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের নাম উল্লেখ না করায় বিএনপি নেতা-কর্মীদের মধ্যে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা হাসান মোহাম্মদ জুনায়েদের বক্তব্যে জিয়াউর রহমানের নাম না থাকায় অনুষ্ঠানে উপস্থিত নেতা-কর্মীরা ক্ষুব্ধ হয়ে পড়েন। পরে কর্মকর্তা দুঃখ প্রকাশের পর পরিস্থিতি শান্ত হয়।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ৭ নভেম্বর মোহনগঞ্জ উপজেলা অডিটোরিয়ামে অনুষ্ঠিত জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসের আলোচনা সভায় স্বাগত বক্তব্যে জিয়াউর রহমানের নাম উল্লেখ না করায় বিএনপি নেতা-কর্মীদের মধ্যে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়
- 📌 উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা হাসান মোহাম্মদ জুনায়েদ বক্তব্যে জিয়াউর রহমানের নাম উল্লেখ না করায় উপস্থিত নেতা-কর্মীরা ক্ষুব্ধ হয়ে পড়েন এবং হলরুমে উত্তেজনাকর পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়
- 📌 কর্মকর্তা দুঃখ প্রকাশের পর ৭ নভেম্বর ও জিয়াউর রহমানের নেতৃত্বের তাৎপর্য তুলে ধরলে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়
- 📌 অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে স্থানীয় সংসদ সদস্য লুৎফুজ্জামান বাবর উপস্থিত ছিলেন না, তবে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আমেনা খাতুন, উপজেলা বিএনপি সভাপতি সেলিম কার্নায়েনসহ নেতা-কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন
- 📌 শিক্ষা কর্মকর্তা জানান, লিখিত বক্তব্য না থাকায় জিয়াউর রহমানের নাম উল্লেখ করা সম্ভব হয়নি
📰 বিস্তারিত
মোহনগঞ্জ উপজেলা অডিটোরিয়াম কাম মাল্টিপারপাস হলরুমে আজ শনিবার দুপুরে উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসের আলোচনা সভায় স্বাগত বক্তব্য দেন উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা হাসান মোহাম্মদ জুনায়েদ। তাঁর বক্তব্যে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের নাম উল্লেখ না থাকায় উপস্থিত বিএনপি নেতা-কর্মীদের মধ্যে অসন্তোষ দেখা দেয়। একপর্যায়ে তারা ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানাতে শুরু করেন এবং হলরুমে উত্তেজনাকর পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়।
পরিস্থিতি বুঝতে পেরে মঞ্চে ফিরে আসেন শিক্ষা কর্মকর্তা। তিনি দুঃখ প্রকাশ করেন এবং ৭ নভেম্বর ও জিয়াউর রহমানের নেতৃত্বের তাৎপর্য তুলে ধরেন। এরপর পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়ে যায়। মোহনগঞ্জ পৌর বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক ফরিদুজ্জামান ফরিদ বলেন, জিয়াউর রহমানের নাম না নিলে দিবসটির কোনো তাৎপর্য থাকে না। এ কারণে নেতা-কর্মীদের মধ্যে উত্তেজনা দেখা দেয়।
উপজেলা বিএনপি সভাপতি সেলিম কার্নায়েন জানান, বক্তব্যে জিয়াউর রহমানের নাম না থাকায় নেতা-কর্মীদের মধ্যে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। পরে কর্মকর্তা দুঃখ প্রকাশের পর পরিস্থিতি শান্ত হয়। শিক্ষা কর্মকর্তা জানান, লিখিত বক্তব্য না থাকায় জিয়াউর রহমানের নাম উল্লেখ করা সম্ভব হয়নি। তিনি বলেন, বক্তব্য শেষে ইউএনওর কাছে ক্ষোভ প্রকাশ করেন এবং পরে আবার বক্তব্য দিয়ে বিষয়টি স্পষ্ট করেন।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আমেনা খাতুন বলেন, লিখিত বক্তব্য না থাকায় শিক্ষা কর্মকর্তা জিয়াউর রহমানের নাম উল্লেখ করতে পারেননি। তিনি বলেন, ওই বিষয়টি সেখানেই সুরাহা হয়েছে।
"শিক্ষা কর্মকর্তা তাঁর বক্তব্যে একবারও শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের নাম উল্লেখ করেননি। সাত নভেম্বরের সঙ্গে জিয়াউর রহমানের নাম ওতপ্রোতভাবে জড়িত। তাঁকে বাদ দিলে এ দিবসের কোনো অর্থ থাকে না।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: মোহনগঞ্জ উপজেলা অডিটোরিয়াম কাম মাল্টিপারপাস হলরুম, মোহনগঞ্জ, নেত্রকোণা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: হাসান মোহাম্মদ জুনায়েদ (উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা), সেলিম কার্নায়েন (উপজেলা বিএনপি সভাপতি), ফরিদুজ্জামান ফরিদ (মোহনগঞ্জ পৌর বিএনপি সাংগঠনিক সম্পাদক), আমেনা খাতুন (উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৭ নভেম্বর
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!