📌 মডেল ও রাজনীতিবিদ মেঘনা আলম সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভুয়া ফটোকার্ডের প্রতিবাদ জানিয়ে বলেছেন, খালেদা জিয়ার কারাবাসের ইতিহাস নিয়ে হাসাহাসি করা উচিত নয়। তিনি দাবি করেছেন, সাবেক সৌদি রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে খালেদা জিয়ার প্রথম কূটনৈতিক বৈঠক আয়োজনে তার ভূমিকা ছিল। এছাড়াও তিনি সৌদি আরবে বাংলাদেশিদের ভাবমূর্তি ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার কথা উল্লেখ করেছেন
মডেল ও রাজনীতিবিদ মেঘনা আলম সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভুয়া ফটোকার্ডের প্রতিবাদ জানিয়ে সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার কারাবাসের ইতিহাস নিয়ে হাসাহাসি করা নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছেন। তিনি দাবি করেছেন, খালেদা জিয়ার কারাবাসের সময় সাবেক সৌদি রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে তার পরিচয় ছিল না, কিন্তু জুলাইয়ের পর খালেদা জিয়ার সঙ্গে রাষ্ট্রদূতের প্রথম কূটনৈতিক বৈঠক আয়োজনে তার ভূমিকা ছিল।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 মেঘনা আলম দাবি করেছেন, খালেদা জিয়ার কারাবাসের ইতিহাস নিয়ে হাসাহাসি করা উচিত নয় এবং তিনি নিজেও বিনা বিচারে কারাবরণের স্বাদ নিয়েছেন
- 📌 তিনি বলেছেন, সাবেক সৌদি রাষ্ট্রদূত মনে করতেন জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) মুহাম্মদ ইউনূসের সহায়তায় নতুন সরকার গঠন করবে, কিন্তু তিনি রাষ্ট্রদূতকে বিএনপির প্রতি সম্মান প্রদর্শনের পরামর্শ দিয়েছিলেন
- 📌 মেঘনা আলম সৌদি আরবে বাংলাদেশিদের ভাবমূর্তি ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার কথা উল্লেখ করে বলেছেন, সেখানে বাংলাদেশি নারী-পুরুষকে বিয়ে করার ক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞা রয়েছে
- 📌 তিনি সৌদি আরবে দুই বাংলাদেশির মৃত্যুর প্রসঙ্গ তুলে বলেছেন, দেশের মানুষকে অসম্মান করা এবং নোংরামি করার কারণে বিদেশে বাংলাদেশিদের ভাবমূর্তি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে
- 📌 মেঘনা আলম ভুয়া ফটোকার্ড ছড়ানো ব্যক্তিদের সেগুলো মুছে ফেলার আহ্বান জানিয়েছেন এবং এমন পররাষ্ট্রনীতি গড়ে তোলার ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন
📰 বিস্তারিত
মেঘনা আলমের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত পোস্টে তিনি বলেছেন, ‘বেগম খালেদা জিয়া যখন জেলে ছিলেন, তখন আমার সাথে সাবেক সৌদি রাষ্ট্রদূতের পরিচয়ই ছিলনা। এর অনেক পরে ওর সাথে পরিচয় ও বাগদান হয়। কিন্তু জুলাইয়ের পর বেগম খালেদা জিয়ার প্রথম কূটনৈতিক মিটিং হয় ঈসার সাথে। আর এর জন্য অনেকদিন ধরে ওর কান ঝালাপালা করা ব্যক্তি আমি।’ তিনি আরও দাবি করেছেন, সৌদির রাষ্ট্রদূত মনে করতেন, জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) মুহাম্মদ ইউনূসের সহায়তায় নতুন সরকার গঠন করবে। তবে তিনি রাষ্ট্রদূতকে বিএনপির প্রতি সম্মান প্রদর্শনের পরামর্শ দিয়েছিলেন।
মেঘনা আলম তার পোস্টে সৌদি আরবে বাংলাদেশি নারী-পুরুষকে বিয়ে করার ক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞা রয়েছে বলে উল্লেখ করেছেন। তিনি বলেছেন, ‘আজ এই দেশের দুই নাগরিক আপনাদের এইসব নোংরামির কারণেই ভিনদেশে জীবন হারিয়েছে। আজ আপনাদের এই নোংরামির কারণেই, নিজের দেশের মানুষকে অসম্মান করার কারণেই এই দেশের নারী-পুরুষকে বিয়ে করা সৌদিতে নিষিদ্ধ।’
মেঘনা আলমের পোস্টে তিনি বলেছেন, ‘একজন মহান নেত্রী বিনা অপরাধে কারাবরণ করেছিল, আমিও বিনা বিচারে কারাবরণ এর স্বাদ নিয়েছি। সেই ইতিহাস নিয়ে হাসাহাসি, নোংরামি করবেন না।’ তিনি ভুয়া ফটোকার্ড ছড়ানো ব্যক্তিদের সেগুলো মুছে ফেলার আহ্বান জানিয়েছেন এবং এমন পররাষ্ট্রনীতি গড়ে তোলার ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন, যাতে অন্য দেশগুলো বাংলাদেশকে সম্মানের চোখে দেখে।
"বেগম খালেদা জিয়া যখন জেলে ছিলেন, তখন আমার সাথে সাবেক সৌদি রাষ্ট্রদূতের পরিচয়ই ছিলনা। এর অনেক পরে ওর সাথে পরিচয় ও বাগদান হয়। কিন্তু জুলাইয়ের পর বেগম খালেদা জিয়ার প্রথম কূটনৈতিক মিটিং হয় ঈসার সাথে। আর এর জন্য অনেকদিন ধরে ওর কান ঝালাপালা করা ব্যক্তি আমি।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: সৌদি আরব, বাংলাদেশ
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মেঘনা আলম, বেগম খালেদা জিয়া, সাবেক সৌদি রাষ্ট্রদূত, মুহাম্মদ ইউনূস
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২২ অক্টোবর, ১২:৪৫ পিএম
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!