📌 ১১-দলীয় ঐক্য শনিবার ঢাকা থেকে খুলনা অভিমুখে লংমার্চ করবে। জামায়াতের নেতারা বলেছেন, বহরে এক হাজার গাড়ি যুক্ত হতে পারে এবং কুষ্টিয়ায় লক্ষাধিক মানুষের সমাবেশের আশা করছেন। সাত দফা দাবির অংশ হিসেবে এই কর্মসূচি আয়োজিত হচ্ছে
১১-দলীয় ঐক্য শনিবার ঢাকা থেকে খুলনা অভিমুখে লংমার্চের উদ্বোধন করবে। জামায়াতে ইসলামীর নেতারা আশা করছেন, বহরে এক হাজার গাড়ি যুক্ত হতে পারে এবং কুষ্টিয়ায় সমাপনী সমাবেশে লক্ষাধিক মানুষের উপস্থিতি হবে। সাত দফা দাবির অংশ হিসেবে এই কর্মসূচি আয়োজিত হচ্ছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 শনিবার সকাল সাতটায় বায়তুল মোকাররম থেকে শুরু হবে ঢাকা-খুলনা অভিমুখে লংমার্চ, নেতৃত্ব দিবেন শফিকুর রহমানসহ ১১ দলের শীর্ষ নেতারা
- 📌 ১৯টি জেলা পথে পড়েছে; জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার ও রেঞ্জ ডিআইজি সহ কর্তৃপক্ষকে চিঠি দেওয়া হয়েছে লংমার্চ নির্বিঘ্ন করার জন্য
- 📌 খুলনায় প্রবেশের আগেই বহরে এক হাজার গাড়ি যুক্ত হতে পারে; মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণের আশা করছেন জামায়াতের নেতারা
- 📌 কুষ্টিয়ার শহীদ আবরার ফাহাদ স্টেডিয়ামে হবে সমাপনী সমাবেশ; গোপালগঞ্জ পথে নিরাপত্তা নিয়ে আলোচনা চলছে
- 📌 সাত দফা দাবির মধ্যে রয়েছে গণভোটের রায় বাস্তবায়ন, সংবিধান সংস্কার, গণহত্যার বিচার ও নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম নিয়ন্ত্রণ
📰 বিস্তারিত
১১-দলীয় ঐক্য আগামী শনিবার ঢাকা থেকে খুলনা অভিমুখে লংমার্চের উদ্বোধন করবে। জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেছেন, ঢাকা থেকে খুলনা-কুষ্টিয়া অভিমুখে লংমার্চের পথে ১৯টি জেলা পড়েছে। তিনি জানান, লংমার্চ নির্বিঘ্ন করতে জেলা প্রশাসক (ডিসি), পুলিশ সুপার (এসপি), থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ও রেঞ্জ ডিআইজি সহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে চিঠি দেওয়া হয়েছে। পথসভা ও সমাবেশের স্থানগুলো পরিদর্শন করা হচ্ছে।
মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, খুলনায় প্রবেশের আগেই বহরে এক হাজার গাড়ি যুক্ত হতে পারে। তিনি আরও বলেন, মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণের আশাও করছেন। বায়তুল মোকাররম থেকে যাত্রা শুরু হবে শনিবার সকাল সাতটায়। এতে নেতৃত্ব দেবেন বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমানসহ ১১ দলের শীর্ষ নেতারা।
ঢাকা থেকে মাওয়া হয়ে মাদারীপুর-শরীয়তপুরের মাঝামাঝি নাওডোবা দিয়ে খুলনা বিভাগের দিকে যাবে গাড়িবহর। পথে নাওডোবা, বাগেরহাটের কাটাখালী, খুলনার বাবরী চত্বর ও স্বাধীনতা চত্বর, যশোরের মুড়লি মোড় এবং ঝিনাইদহ-চুয়াডাঙ্গা বাসস্ট্যান্ড এলাকায় পথসভা করার পরিকল্পনা রয়েছে। এরপর কুষ্টিয়ার শহীদ আবরার ফাহাদ স্টেডিয়ামে হবে সমাপনী সমাবেশ।
কুষ্টিয়া-২ আসনের সংসদ সদস্য ও জেলা জামায়াতের নায়েবে আমির আবদুল গফুর বলেছেন, সমাবেশের মঞ্চ নির্মাণসহ প্রস্তুতি প্রায় শেষের দিকে। তিনি বলেন, ওয়ার্ডে ওয়ার্ডে প্রচার চালানো হয়েছে। কুষ্টিয়ার সমাপনী সমাবেশে লক্ষাধিক মানুষের উপস্থিতি আশা করছেন তিনি।
গোপালগঞ্জ পথে নিরাপত্তা নিয়ে আলোচনা চলছে। এর আগে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নেতারা গোপালগঞ্জে গেলে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ ও এর সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মীদের হামলার শিকার হয়েছিলেন। সেই ঘটনার পর এবার লংমার্চ ঘিরেও কেউ কেউ সংঘাতের আশঙ্কা করছেন। তবে ১১-দলীয় ঐক্যের নেতারা বিষয়টিকে আশঙ্কা হিসেবে দেখছেন না।
"গোপালগঞ্জ বাংলাদেশেরই একটি অংশ। সেখানে বিরোধী দলের লংমার্চ ঘিরে নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দায়িত্ব সরকারের।"
জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও ১১-দলীয় ঐক্যের সমন্বয়ক হামিদুর রহমান আযাদ বলেন, সরকারের প্রতি জনগণের আস্থা কমছে। এ কারণে বিরোধী দলের কর্মসূচিতে মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ দেখা যাচ্ছে। তিনি দাবি করেন, খুলনা-কুষ্টিয়ামুখী লংমার্চে আগের দুই কর্মসূচির তুলনায় গাড়িবহর ও মানুষের উপস্থিতি বেশি হতে পারে।
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঢাকা, খুলনা, কুষ্টিয়া, গোপালগঞ্জ, নাওডোবা, বাগেরহাট, যশোর, ঝিনাইদহ, চুয়াডাঙ্গা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মিয়া গোলাম পরওয়ার, শফিকুর রহমান, আবদুল গফুর, হামিদুর রহমান আযাদ
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১১ দল, ১৯ জেলা, ১০০০+ গাড়ি, লক্ষাধিক মানুষ
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!