📌 জাতীয় সংসদের বিরোধী দলীয় নেতা এবং জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, বাংলাদেশের সংস্কৃতিতে অপসংস্কৃতির প্রবেশ ঘটেছে। তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর জীবন ও আদর্শের সঙ্গে সম্পর্কিত হলে জাতির সংস্কৃতি সুস্থভাবে বিকশিত হতে পারে
জাতীয় সংসদের বিরোধী দলীয় নেতা এবং বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) একটি সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের সংস্কৃতিতে অপসংস্কৃতির প্রবেশের সতর্কবার্তা দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, প্রতিটি জাতির নিজস্ব সংস্কৃতি থাকলেও বাংলাদেশের সংস্কৃতিতে অপসংস্কৃতির প্রবেশ ঘটেছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ১১ সেপ্টেম্বর জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমান 'রোড টু সিরাহ ২৬' জাতীয় সীরাত পাঠ প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণকারীদের উদ্দেশ্যে ভাষণ দেন
- 📌 তিনি বলেন, অপসংস্কৃতির প্রবেশ বাংলাদেশের সংস্কৃতিতে একটি বড় সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে
- 📌 সুস্থ সংস্কৃতির বিকাশ জ্ঞানের মেলবন্ধনের মাধ্যমে সম্ভব, যা জাতির জন্য সুস্থতার পথ প্রদর্শন করে
- 📌 রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর জীবন ও আদর্শের সঙ্গে সম্পর্কিত হলে জাতির সংস্কৃতি সুস্থভাবে বিকশিত হতে পারে
📰 বিস্তারিত
বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের আয়োজিত 'রোড টু সিরাহ ২৬' জাতীয় সীরাত পাঠ প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমান ভাষণ দেন। তিনি বলেন, প্রতিটি জাতির নিজস্ব সংস্কৃতি থাকে। কিন্তু বাংলাদেশে অপসংস্কৃতির প্রবেশ ঘটেছে, যা জাতির সংস্কৃতিকে ক্ষতিগ্রস্ত করছে। তিনি বলেন, সুস্থ সংস্কৃতির বিকাশের মাধ্যমে একটি জাতির সুস্থতার পরিসর তৈরি হয়।
ডা. শফিকুর রহমান আরও বলেন, রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর জীবন ও আদর্শের সঙ্গে সম্পর্কিত হলে আমরা অবশ্যই তার দিকে ফিরে তাকাতে হবে। তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর জীবন ছিল একটি সাংস্কৃতিক আন্দোলন। ধর্মীয় পরিবর্তন আনাটাই ছিল মূল বিপ্লব। তিনি আশা প্রকাশ করেন, আল্লাহ তায়ালার মেহেরবানিতে সেই বিপ্লব সফলভাবে বাস্তবায়িত হবে।
"প্রতিটি জাতির সংস্কৃতি থাকে। আমরা নিজেদের সংস্কৃতি থেকে পিছিয়ে পড়েছি। অপসংস্কৃতি ঢুকে গিয়েছে আমাদের সংস্কৃতিতে। সুস্থ সংস্কৃতির বিকাশ যদি উপযুক্তভাবে করা যায়, তখন একটি জাতির সুস্থ সংস্কৃতির পরিসর তৈরি হয়। সেই সংস্কৃতি হচ্ছে জ্ঞানের মেলবন্ধন।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: বাংলাদেশ (জাতীয় সংসদ বিরোধী দলীয় নেতা হিসেবে ভাষণ)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ডা. শফিকুর রহমান (জামায়াত আমির)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২৬ (জাতীয় সীরাত পাঠ প্রতিযোগিতা)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!