📌 জামায়াত আমির শফিকুর রহমান রংপুরে অনুষ্ঠিত লংমার্চের সমাপনী সমাবেশে তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নের জোরালো দাবি জানান। তিনি নির্বাচনের আগের প্রতিশ্রুতিগুলো পূরণ না হলে রাজপথে আন্দোলন অব্যাহত রাখার হুঁশিয়ারি দেন। এছাড়াও তিনি সরকারের গণভোটের রায় মানতে না পাওয়ার সমালোচনা করেন এবং কোরআন-সুন্নাহবিরোধী আইন প্রত্যাহারের দাবি জানান
রংপুরে অনুষ্ঠিত লংমার্চের সমাপনী সমাবেশে জামায়াত আমির শফিকুর রহমান তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নের জোরালো দাবি জানান। তিনি নির্বাচনের আগে সরকারের প্রতিশ্রুতিগুলো পূরণ না হলে রাজপথে আন্দোলন অব্যাহত রাখার হুঁশিয়ারি দেন। শনিবার রাতে রংপুর জিলা স্কুল মাঠে অনুষ্ঠিত এই সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত হয়ে তিনি বলেন, ‘তিস্তা মহাপরিকল্পনা অবশ্যই বাস্তবায়ন করতে হবে’।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 জামায়াত আমির শফিকুর রহমান নির্বাচনের আগের প্রতিশ্রুতিগুলো পূরণ না হলে রাজপথে আন্দোলন অব্যাহত রাখার হুঁশিয়ারি দেন
- 📌 তিনি বলেন, ‘আট দফা যে কোনো সময় এক দফায় পরিণত হতে পারে’
- 📌 সরকারের গণভোটের রায় মানতে না পাওয়ার সমালোচনা করে তিনি বলেন, ‘মানতে হলে সবটা মানতে হবে’
- 📌 সিরাজগঞ্জে পথসভায় হামলার অভিযোগ তুলে তিনি বলেন, ‘১৮ কোটি মানুষকে নিয়ে সন্ত্রাসীদের কালো হাত ভেঙে দেওয়া হবে’
- 📌 হেবা আইন প্রত্যাহারের দাবি জানিয়ে তিনি বলেন, ‘কোরআন-সুন্নাহবিরোধী আইন করা হবে না’
- 📌 ১১ দলীয় জোটের নেতাদের সঙ্গে সংস্কার আলোচনার আহ্বান জানান কর্নেল অলি আহমেদ
- 📌 নাহিদ ইসলাম বলেন, ‘তারা বাংলাদেশের জাতীয় স্বার্থ নিশ্চিত করতে ব্যর্থ হচ্ছে’
📰 বিস্তারিত
রংপুর জিলা স্কুল মাঠে অনুষ্ঠিত লংমার্চের সমাপনী সমাবেশে জামায়াত আমির শফিকুর রহমান নির্বাচনের আগে সরকারের প্রতিশ্রুতিগুলো পূরণ না হলে রাজপথে আন্দোলন অব্যাহত রাখার হুঁশিয়ারি দেন। তিনি বলেন, ‘আট দফা যে কোনো সময় জাতির প্রয়োজনে এক দফায় পরিণত হতে পারে’। তিনি সরকারের সঙ্গে কথা রাখতে না পাওয়ার অভিযোগ তুলে বলেন, ‘সরকার জনগণের সঙ্গে কথা দিয়ে কথা রাখে না’।
গণভোটের রায় সরকার মানতে না পাওয়ার সমালোচনা করে তিনি বলেন, ‘সংবিধানে গণভোট না থাকলে ২০২৪ সালের গণ-অভ্যুত্থানও সংবিধান মেনে হয়নি’। তিনি আরও বলেন, ‘মানতে হলে সবটা মানতে হবে, আর বাদ দিলে সবটা বাদ দেওয়ার ঘোষণা দেন’।
সিরাজগঞ্জে পথসভায় অংশ নিতে আসা কয়েকজন নেতা-কর্মী হামলার শিকার হওয়ার অভিযোগ তুলে তিনি বলেন, ‘চাঁদাবাজির কারণে দ্রব্যমূল্য বেড়েছে এবং চাঁদা না পেয়ে মানুষকে হত্যা করা হচ্ছে’। তিনি বলেন, ‘১৮ কোটি মানুষকে নিয়ে সন্ত্রাসীদের কালো হাত ভেঙে দেওয়া হবে’।
কোরআন-সুন্নাহবিরোধী আইন করা হবে না—সরকারের প্রতিশ্রুতির প্রসঙ্গ তুলে তিনি বলেন, ‘ইতিমধ্যে হেবা আইন পাস করা হয়েছে, যা তাঁদের মতে কোরআন ও সুন্নাহর পরিপন্থী’। তিনি এই আইন প্রত্যাহারের দাবি জানান। তিনি বলেন, ‘গভর্নমেন্ট যদি ঘোষণা করে যে আগের সিদ্ধান্ত ভুল হয়েছে এবং সেগুলোর দৃশ্যমান বাস্তবায়ন শুরু করে, তাহলে লং মার্চের প্রয়োজন হবে না। তা না হলে আন্দোলন চলবে’।
এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম বলেন, ‘এই সরকারের স্লোগান ছিল ‘সবার আগে বাংলাদেশ’। তারা সবার আগে বাংলাদেশের কথা বলেছে, কিন্তু বাংলাদেশের জাতীয় স্বার্থ নিশ্চিত করতে তারা সম্পূর্ণরূপে ব্যর্থ হচ্ছে’। তিনি প্রশ্ন করেন, ‘তাহলে তিস্তা মহাপরিকল্পনা কেন বাস্তবায়ন হচ্ছে না? কেন দিল্লির সঙ্গে তারা নেগোশিয়েট করতে পারছে না?’
তিস্তা নদীর পানি ও নদীশাসনের বিষয়ে কার্যকর উদ্যোগ নিতে হবে—এই দাবি জানান এলডিপির চেয়ারম্যান কর্নেল অলি আহমেদ। তিনি বলেন, ‘আমরা চাই না হিন্দুস্তান ক্ষতিগ্রস্ত হোক, কিন্তু হিন্দুস্তানেরও উচিত এটা চাওয়া যে বাংলাদেশ ক্ষতিগ্রস্ত না হোক’। তিনি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে ১১ দলীয় জোটের নেতাদের সঙ্গে বসে সংস্কার কার্যক্রম নিয়ে আলোচনা করার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, ‘দেশকে বাঁচাতে হলে ১১ দলীয় ঐক্যজোটের যারা সংসদ সদস্য আছেন, তাঁদের সঙ্গে বসেন’।
"আমরা ওসমান হাদির বিচার পাইনি। কয়েক দিন আগে এক বিচারের রায় এসেছে, কিন্তু রায় তাদের জন্যই আসে, মৃত্যুদণ্ড তাদের জন্যই আসে—যারা দেশে! যারা দেশে অবস্থান করছে না, তাদের মৃত্যুদণ্ডের রায় কেন আসে না? আমরা তাদের মৃত্যুদণ্ডের রায় দেখতে চাই, রায় কার্যকর দেখতে চাই!"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: রংপুর জিলা স্কুল মাঠ, সিরাজগঞ্জ
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: শফিকুর রহমান, নাহিদ ইসলাম, কর্নেল অলি আহমেদ
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৮ কোটি মানুষ, ১১ দলীয় জোট
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!