📌 গুলশানে আওয়ামী লীগের নিষিদ্ধ ঝটিকা মিছিলে প্রশাসনের গোয়েন্দা ব্যর্থতার কথা উঠে এসেছে। শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) পর্যন্ত ৩২ নেতাকর্মীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। গোয়েন্দা সংস্থাগুলো মিছিলের আগাম তথ্য পায়নি বলে জানা গেছে
গুলশানের মতো কুটনীতিক এলাকায় আওয়ামী লীগের নিষিদ্ধ ঝটিকা মিছিলের ঘটনায় প্রশাসনের গোয়েন্দা ব্যর্থতার কথা উঠে এসেছে। শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) দুপুরে এই মিছিলের পর শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) পর্যন্ত পুলিশ ৩২ জন নেতাকর্মীকে গ্রেফতার করেছে। তবে গোয়েন্দা সংস্থাগুলো মিছিলের আগাম কোনো তথ্য পায়নি, যা প্রশাসনকে চিন্তিত করেছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 গুলশানে আওয়ামী লীগের নিষিদ্ধ মিছিলে ৩২ নেতাকর্মীকে গ্রেফতার করা হয়েছে, সবাইকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে
- 📌 গোয়েন্দা সংস্থা (এনএসআই, এসবি, সিআইডি, ডিএমপি) মিছিলের আগাম কোনো তথ্য পায়নি, যা প্রশাসনের ব্যর্থতার সাক্ষ্য
- 📌 মিছিলের পরিকল্পনা গুলশানের বাইরে করা হয়েছিল, ফলে স্থানীয় গোয়েন্দারা আগাম তথ্য পায়নি
- 📌 বাড্ডা, সাঁতারকুল, রামপুরা, খিলগাঁও, রুপগঞ্জ থেকে অংশগ্রহণকারীদের তথ্য পাওয়ার ব্যর্থতা নিয়ে প্রশাসন বিশ্লেষণ করছে
- 📌 গুলশান থানার ওসি দাউদ হোসেন বলেছেন, মিছিলের আগাম তথ্য না থাকায় পিওএম থেকে ফোর্স আনা সম্ভব হয়নি
- 📌 প্রশাসন সিটি এসবি ও এনএসআইকে দায়ী করে, তাদের কর্মকর্তাদের শাস্তির কথা ভাবছে
📰 বিস্তারিত
গত শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) দুপুরে গুলশানে আওয়ামী লীগের নিষিদ্ধ ঝটিকা মিছিলের ঘটনায় প্রশাসনের গোয়েন্দা ব্যর্থতার কথা উঠে এসেছে। পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, মিছিলের পর শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) পর্যন্ত ৩২ জন নেতাকর্মীকে গ্রেফতার করা হয়েছে এবং সবাইকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। তবে গোয়েন্দা সংস্থাগুলো মিছিলের আগাম কোনো তথ্য পায়নি। সাধারণত এনএসআই, এসবি, সিআইডি, ডিএমপির গোয়েন্দা ইউনিট এবং থানার সিভিল ইউনিট আগাম তথ্য সংগ্রহ করে থাকে। কিন্তু গুলশানে এই মিছিলের আগাম কোনো তথ্য ছিল না। ফলে পুলিশ তাৎক্ষণিক কোনো ব্যবস্থা নিতে পারেনি।
গোয়েন্দা কর্মকর্তাদের মতে, মিছিলের পরিকল্পনা গুলশানের বাইরে করা হয়েছিল। বাড্ডা, সাঁতারকুল, রামপুরা, খিলগাঁও ও রুপগঞ্জ থেকে অংশগ্রহণকারীরা গুলশানে এসে মিছিল করে পালিয়ে গেছে। ফলে স্থানীয় গোয়েন্দারা আগাম তথ্য পায়নি। প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, গুলশান থানার ওসি দাউদ হোসেন বলেছেন, ‘আমাদের কাছে মিছিলের আগাম কোনো তথ্য ছিল না। দিনটি ছিল শুক্রবার এবং নামাজের আগে। প্রায় সবাই নামাজে গিয়েছিল, আবার কেউ কেউ দায়িত্বে ছিল। আগাম তথ্য থাকলে পিওএম থেকে ফোর্স আনা হতো।’
২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময়েও আওয়ামী লীগ ঝটিকা মিছিল করে। তবে বর্তমান সরকার গঠনের পর থেকে এই ধরনের মিছিল চলতে থাকে। গুলশান থানার মতো এলাকায় যেখানে কুটনীতিক পাড়া, বিদেশিদের আনাগোনা, বিদেশি বিনিয়োগকারীদের অবস্থান এবং প্রধানমন্ত্রীর বাসভবন অবস্থিত, সেখানে নিষিদ্ধ সংগঠনের মিছিলের ঘটনাটি প্রশাসনকে চিন্তিত করেছে।
ডিএমপির মিডিয়া বিভাগের উপকমিশনার (ডিসি মিডিয়া) আকতার হোসেন বলেছেন, ‘গতকালের ঘটনায় সংগঠনটির ৩২ নেতাকর্মীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। আরও গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। এ রকম ঝটিকা মিছিল যাতে করতে না পারে, সেজন্য ডিএমপির সব ইউনিটকে সতর্ক অবস্থায় রাখা হয়েছে।’ তবে তিনি আগাম গোয়েন্দা তথ্য থাকা না থাক নিয়ে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।
"আমাদের কাছে মিছিলের আগাম কোনো তথ্য ছিল না। দিনটি ছিল শুক্রবার এবং নামাজের আগে। প্রায় সবাই নামাজে গিয়েছিল, আবার কেউ কেউ দায়িত্বে ছিল। আগাম তথ্য থাকলে পিওএম থেকে ফোর্স আনা হতো।" — গুলশান থানার ওসি দাউদ হোসেন
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঢাকার গুলশান, বাড্ডা, সাঁতারকুল, রামপুরা, খিলগাঁও, রুপগঞ্জ
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: গুলশান থানার ওসি দাউদ হোসেন, ডিএমপির উপকমিশনার আকতার হোসেন, আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩২ জন নেতাকর্মী গ্রেফতার, ১১ সেপ্টেম্বর মিছিল, ১২ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত গ্রেফতার অব্যাহত
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!