📌 জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল বলেছেন, বাংলাদেশে ধর্ম ও জাতিগত পরিচয়কে বিভাজনের কারণ না করে মানবিক মর্যাদা ও সাম্য প্রতিষ্ঠায় সরকারের কাজ চলছে। তিনি জিয়াউর রহমানের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য ধরে রাখার প্রত্যয় ও খ্রিষ্টান সম্প্রদায়ের জন্য প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ৩ কোটি টাকা অনুদানের কথা উল্লেখ করেন
জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল শুক্রবার (৬ নভেম্বর) ঢাকার বনানী বিদ্যানিকেতন স্কুল অ্যান্ড কলেজ মাঠে অনুষ্ঠিত ‘ঢাকা ওয়ানগালা-২০২৬’ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত হয়ে বলেছেন, বাংলাদেশে ধর্ম বা জাতিগত পরিচয়কে মানুষের মধ্যে বিভাজনের কারণ না হয়ে সাংবিধানিক অধিকার ও মানবিক মর্যাদার ভিত্তিতে কল্যাণমুখী দেশ গড়ে তোলার লক্ষ্যে সরকারের প্রচেষ্টা চলছে। তিনি বলেন, প্রত্যেক নাগরিকের মূল পরিচয় বাংলাদেশি এবং সরকার তাদের সকলকে সাম্য ও স্বাধীনতার অধিকার দিতে কাজ করছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 **৬ নভেম্বর** ঢাকার বনানী বিদ্যানিকেতনে অনুষ্ঠিত ‘ঢাকা ওয়ানগালা-২০২৬’-এ ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামালের বক্তব্য: বাংলাদেশে ধর্ম-জাতিগত পরিচয়কে বিভাজনের কারণ না করে মানবিক মর্যাদা প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে সরকারের কাজ চলছে।
- 📌 **জিয়াউর রহমানের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য** ধরে রাখার প্রত্যয় ব্যক্ত করে ১০টি কালচারাল একাডেমির কার্যক্রম পুনরায় সাজানোর আশ্বাস দেন তিনি।
- 📌 **খ্রিষ্টান সম্প্রদায়ের জন্য** প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ২ কোটি টাকার চেয়ে **৩ কোটি টাকা** অনুদান দেবার নির্দেশ দিয়েছেন।
- 📌 **দীর্ঘ দেড় দশক** স্বৈরাচারী শাসনের পর বাংলাদেশ নতুন গণতান্ত্রিক পথে এগিয়ে যাচ্ছে, যেখানে সবার সমান অধিকার নিশ্চিত হবে বলে ডেপুটি স্পিকার মন্তব্য করেন।
📰 বিস্তারিত
ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল বলেন, বাংলাদেশে ধর্মীয় স্বাধীনতা ও গণতান্ত্রিক পরিবেশের উন্নতি লক্ষ্য করা যায়। তিনি উল্লেখ করেন, সাম্প্রতিক দুর্গাপূজা সারা দেশে উৎসবমুখর পরিবেশে পালিত হয়েছে, যা আগের মতো ছিল না। আইনের শাসন ফিরিয়ে আনার ফলে নাগরিকদের সাংবিধানিক অধিকার সুসংহত হয়েছে এবং তারা স্বাধীনভাবে ধর্ম পালন ও কথা বলতে পারছেন।
শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের স্মরণে তিনি বলেন, তিনি নেত্রকোনার দুর্গাপুরসহ **১০টি কালচারাল একাডেমি** প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। এই ঐতিহ্য ধরে রাখার প্রত্যয় ব্যক্ত করে তিনি স্থানীয় পর্যায়ে একটি নতুন কালচারাল একাডেমি ও গির্জা প্রতিষ্ঠার আশ্বাস দেন।
খ্রিষ্টান সম্প্রদায়ের প্রতি সরকারের সহযোগিতার কথা তুলে তিনি বলেন, বড়দিন উদযাপনের জন্য তারা প্রধানমন্ত্রীর কাছে **২ কোটি টাকা** আর্থিক সহায়তা চেয়েছিল। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান **১ কোটি টাকা বেশি** দিয়ে মোট **৩ কোটি টাকা** অনুদানের নির্দেশ দিয়েছেন। তিনি প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, বাংলাদেশ এমন একজন রাষ্ট্রপ্রধান চায় যিনি ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সব মানুষের প্রতি শ্রদ্ধাশীল থাকবেন।
অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকা ডেপুটি স্পিকার উৎসবের বিভিন্ন স্টল ঘুরে দেখেন এবং সাংস্কৃতিক পরিবেশনা উপভোগ করেন। অনুষ্ঠানে গারো সম্প্রদায়ের বিশিষ্ট নেতা ও বিপুলসংখ্যক দর্শনার্থীর উপস্থিতিতে এটি উৎসবমুখর হয়ে ওঠে।
"প্রতিটি ধর্মের মূল শিক্ষা সৃষ্টিকর্তার সন্তুষ্টি অর্জন। প্রত্যেক মানুষ নিজ নিজ ধর্মীয় অনুশাসন যথাযথভাবে মেনে চললে দেশের সামগ্রিক সমাজব্যবস্থা আরও সুন্দর ও শান্তিপূর্ণ হয়ে উঠবে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঢাকা, বনানী বিদ্যানিকেতন স্কুল অ্যান্ড কলেজ মাঠ
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৬ নভেম্বর, ১০টি কালচারাল একাডেমি, ২ কোটি টাকা (চাহিদা), ৩ কোটি টাকা (অনুদান)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!