📌 তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী সাংবাদিকদের দায়িত্বশীলতা বৃদ্ধির আহ্বান জানিয়ে বলেছেন, অপতথ্য ও মিসইনফরমেশন রোধে এআই ও ফ্যাক্টচেকিং প্রশিক্ষণে সাংবাদিকদের সনদ বিতরণ করা হয়েছে। তিনি বলেছেন, সাংবাদিকদের প্রশিক্ষণে সরকারের বিশেষ মনোযোগ রয়েছে এবং এআইভিত্তিক জার্নালিজমে মাস্টার্স কোর্সেরও আয়োজন করা হবে
তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী সাংবাদিকদের দায়িত্বশীলতা বৃদ্ধির আহ্বান জানিয়ে বলেছেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া অপতথ্য, গুজব ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই)-এর মাধ্যমে তৈরি বিভ্রান্তিকর কনটেন্ট রোধে সাংবাদিকদের আরও সচেতন ও দায়িত্বশীল হতে হবে। তিনি বলেছেন, সরকারের ভুল-ভ্রান্তি সাংবাদিকরা অবশ্যই তুলে ধরবেন, তবে তা হতে হবে তথ্যনির্ভর ও দায়িত্বশীল সাংবাদিকতার মাধ্যমে, অপপ্রচারের মাধ্যমে নয়।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী বলেছেন, বাংলাদেশে অপতথ্য ছড়ানো হচ্ছে, সাংবাদিকদের এতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে।
- 📌 কিশোরগঞ্জের হোসেনপুর উপজেলায় সাংবাদিকদের জন্য মাল্টিমিডিয়া সাংবাদিকতা, ফ্যাক্টচেকিং ও এআই বিষয়ক তিন দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ শেষে সনদ বিতরণ অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।
- 📌 প্রকৃত সাংবাদিকদের জন্য দুই বছর মেয়াদি মাস্টার্স কোর্স ও এআইভিত্তিক জার্নালিজম প্রশিক্ষণের আয়োজন করা হয়েছে। প্রেস ক্লাবগুলোর মাধ্যমে প্রকৃত সাংবাদিকদের তালিকা নেওয়া হবে।
- 📌 প্রথম ধাপে ময়মনসিংহ, বগুড়া, ফেনী ও ঢাকার আশপাশের জেলায় প্রশিক্ষণ কার্যক্রম শুরু হয়েছে, পর্যায়ক্রমে দেশের সব এলাকায় ছড়িয়ে দেওয়া হবে।
- 📌 ইয়াসের খান চৌধুরী বলেছেন, ‘বাংলাদেশ সবার। প্রত্যেকেরই দেশের প্রতি দায়িত্ব রয়েছে। সাংবাদিকরা জনগণের কথা তুলে ধরবেন, তবে তথ্যনির্ভর ও দায়িত্বশীলভাবে।’
- 📌 গণমাধ্যমের স্বাধীনতা অব্যাহত থাকবে, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে গণতন্ত্র ও রাষ্ট্রের স্বার্থ রক্ষায় সাংবাদিকদের ভূমিকা রাখার আহ্বান জানানো হয়েছে।
📰 বিস্তারিত
সাংবাদিকদের দক্ষতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী বলেছেন, বাংলাদেশে অপপ্রচার ও মিসইনফরমেশন একটি বড় সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তিনি বলেন, ‘আমাদের মা-বোনদেরও মিসইনফরমেশন ও ইনপার্সোনেশনের মাধ্যমে হেয়প্রতিপন্ন করা হচ্ছে। এটি মানবাধিকার লঙ্ঘনের শামিল।’ তিনি আরও উল্লেখ করেন, অপপ্রচার শুধু সাংবাদিকদের মাধ্যমে নয়, অনেকেই নিজেদের সাংবাদিক বলে পরিচয় দিয়ে গুজব ছড়াচ্ছেন। এছাড়া এআই ব্যবহার করে মানুষের ছবি বিকৃত করে ভিডিও তৈরি করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে, যা প্রকৃত সাংবাদিকদেরও দুর্নাম দিচ্ছে।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘প্রকৃত সাংবাদিকদের জন্য আমরা দুই বছর মেয়াদি মাস্টার্স কোর্স, এআইভিত্তিক জার্নালিজমসহ বিভিন্ন প্রশিক্ষণের সুযোগ তৈরি করছি। প্রেস ক্লাবগুলোর মাধ্যমে প্রকৃত সাংবাদিকদের তালিকা নেওয়া হবে। এরপর পর্যায়ক্রমে তাদের প্রশিক্ষণের আওতায় আনা হবে।’ তিনি জানান, প্রথম ধাপে ময়মনসিংহ বিভাগ, বগুড়া, ফেনী ও ঢাকার আশপাশের জেলায় সাংবাদিকদের এ ধরনের প্রশিক্ষণের আয়োজন করা হয়েছে। পর্যায়ক্রমে দেশের সব এলাকায় এ কার্যক্রম ছড়িয়ে দেওয়া হবে।
তিনি আরও বলেন, সাংবাদিকদের কল্যাণে সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাস্টের মাধ্যমে বিভিন্ন সহযোগিতা দেওয়া হচ্ছে। সাংবাদিকদের জন্য আরও সহযোগিতা বাড়াতে প্রধানমন্ত্রীর কাছে আবেদন করা হয়েছে এবং অর্থ মন্ত্রণালয়ে এ বিষয়ে প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। তিনি দেশের উন্নয়ন প্রসঙ্গে বলেন, ‘আমরা মিথ্যা বা অসত্য আশ্বাস দিতে চাই না যে আগামী পাঁচ বছরে বাংলাদেশকে সিঙ্গাপুর বানিয়ে দেব। তবে বাংলাদেশকে আরও সুন্দর ও ভালো জায়গায় কীভাবে নেওয়া যায়, সে লক্ষ্যে আমরা কাজ করছি।’
"আমাদের মা-বোনদেরও মিসইনফরমেশন ও ইনপার্সোনেশনের মাধ্যমে হেয়প্রতিপন্ন করা হচ্ছে। এটি মানবাধিকার লঙ্ঘনের শামিল।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: কিশোরগঞ্জের হোসেনপুর উপজেলা, ঢাকা, ময়মনসিংহ, বগুড়া, ফেনী
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১২ সেপ্টেম্বর, ১৭ বছর, ৩ দিন (প্রশিক্ষণ)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!