📌 ইসলামী আন্দোলনের নায়েবে আমির মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ ফয়জুল করীম সরকারের বিরুদ্ধে লংমার্চের অর্থহীনতা প্রশ্ন তুলেছেন। তিনি দাবি করেছেন, হেবা আইনের সংশোধন শরিয়াহভিরুদ্ধ এবং সরকারকে এই আইন বাতিল করতে হবে। নারী সাংবাদিকদের পর্দা সম্পর্কেও তিনি স্পষ্ট অবস্থান নেন
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের নায়েবে আমির মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ ফয়জুল করীম সরকারের বিরুদ্ধে লংমার্চের অর্থহীনতা প্রশ্ন তুলেছেন। তিনি প্রশ্ন করেছেন, বিরোধী দলের লংমার্চের সার্থকতা কী যখন সরকারের বিরুদ্ধে রাস্তায় নামলেও সংসদে বলা হয় যে, তা সরকারের সৃষ্ট নয়। তিনি বলেছেন, ‘এত তেল কেন পোড়ালাম? মানুষের ভোগান্তি কেন করলাম?’
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 লংমার্চের অর্থহীনতা প্রশ্ন: ফয়জুল করীম বলেছেন, সরকারের বিরুদ্ধে লংমার্চ করলেও সংসদে বলা হয় তা সরকারের সৃষ্ট নয় — তাহলে কেন লংমার্চ করলাম, কেন তেল পোড়ালাম?
- 📌 হেবা আইন সংশোধনের তীব্র নিন্দা: তিনি দাবি করেছেন, শরিয়াহভিরুদ্ধ এই আইন বাতিল করতে হবে এবং সরকারের ওলামাদের অপমানের কথা উল্লেখ করেছেন।
- 📌 সময় দেবেন না বাধ্য করবেন: তিনি বলেছেন, সরকারকে বক্তব্য দিয়ে চাপ দেবেন, কিন্তু বাধ্য করবেন না — যদি সরকার ব্যর্থ হয়, তাহলে কর্মসূচি নেওয়া হবে।
- 📌 নারী সাংবাদিকদের পর্দা বিষয়ে স্পষ্ট অবস্থান: ফয়জুল করীম বলেছেন, নারী সাংবাদিকদের পর্দা করে আসতে হবে, কিন্তু শরিয়তের খেলাপ না হলে বাধা দেবেন না।
- 📌 শুক্রবার বিক্ষোভ কর্মসূচি: তিনি ঘোষণা করেছেন, শুক্রবার সব বিভাগীয় শহরে বিক্ষোভ মিছিলের কর্মসূচি নেওয়া হবে।
📰 বিস্তারিত
রাজধানীর পুরানা পল্টনে ইসলামী আন্দোলনের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আজ বৃহস্পতিবার সংবাদ সম্মেলনে ফয়জুল করীম বলেছেন, ‘বিরোধী দলের সবচেয়ে বড় সমস্যা হলো তারা কী করে, আর কী বলে, এটা আমাদের বোধগম্য না। লংমার্চ করছে সরকারের বিরুদ্ধে, আবার সংসদে বলতেছে, এটা সরকারের সৃষ্ট নয়, তারা আন্তরিক। তাহলে কেন লংমার্চ করলাম, মানুষের ভোগান্তি কেন করলাম, এত তেল কেন পোড়ালাম? একটা লংমার্চের সার্থকতা কী?’
ফয়জুল করীম বলেছেন, সরকারের বিরুদ্ধে লংমার্চের পাঁচ মাসও না হওয়া অবস্থায়, তেল, গ্যাস, বিদ্যুৎ ও দ্রব্যমূল্যের অবস্থা খুবই খারাপ। সরকার যানজট থেকে দেশকে মুক্ত করতে ব্যর্থ হয়েছে। তিনি দাবি করেছেন, সরকারের মনোনিবেশ শরিয়াহভিরুদ্ধ আইন প্রণয়নে থাকা অবস্থায়, মুসলমানদের ইমানের ওপর আঘাত হলে তারা আবার রাস্তায় নামবে।
হেবা আইনের সংশোধন নিয়ে তিনি বলেছেন, ‘ওলামায়ে কেরাম আগেই ভিন্নমত পোষণ করেছেন। শরিয়াহ সংক্রান্ত বিষয়ে খ্রিষ্টান পণ্ডিতদের রেফারেন্স ব্যবহার করে শরিয়াহভিরুদ্ধ আইন প্রণয়ন করা দেশের ইতিহাস, ঐতিহ্য ও জ্ঞানীয় সম্পদের প্রতি স্পষ্ট উপেক্ষা। এর মাধ্যমে সরকার দেশের ওলামাদের অপমান করেছে।’
ফয়জুল করীম আরও বলেছেন, ‘বর্তমান সরকার কুরআন-সুন্নাহবিরোধী কোনো আইন করবে না বলে বারবার অঙ্গীকার করেছে। কিন্তু ছয় মাস না যেতেই সরকার শরিয়াহভিরুদ্ধ আইন পাস করেছে। ইসলামী আন্দোলন এর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছে।’
সংবাদ সম্মেলনে নারী সাংবাদিকদের পর্দা বিষয়ে প্রশ্নের জবাবে ফয়জুল করীম বলেছেন, ‘পর্দা করে আসবে...’ তিনি বলেন, ‘আমার কোনো বোন যদি সাংবাদিকতা করে, আমরা তাঁকে বাধা দিচ্ছি না কিন্তু শরিয়তসম্মতভাবে। যদি সে শরিয়ত না মানে, আমাকে শরিয়ত মানার সুযোগ করে দিতে হবে।’
"হেবা আইনের মাধ্যমে সরকার দেশের ওলামাদের অপমান করেছে। মুসলমানদের ইমানের ওপর আঘাত হলে তারা আবার রাস্তায় নামবে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঢাকা (পুরানা পল্টন, ইসলামী আন্দোলনের কেন্দ্রীয় কার্যালয়)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ ফয়জুল করীম (নায়েবে আমির, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১১ দলীয় ঐক্য
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!