📅 ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ১০:৩৩ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

মিরপুরের মাজার আড়তে 'ফাঁকা' দোকান থেকে মাসে ৪ কোটি টাকা জাল ভাড়া আদায়: বিএনপি নেতা-কর্মীদের জড়িত

মিরপুরের মাজার আড়তে 'ফাঁকা' দোকান থেকে মাসে ৪ কোটি টাকা জাল ভাড়া আদায়: বিএনপি নেতা-কর্মীদের জড়িত

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 মিরপুরের হজরত শাহ আলী মাজারের আড়ত কমপ্লেক্সের ৪৪টি 'ফাঁকা' দোকান থেকে মাসে ৪ কোটি টাকা জাল ভাড়া আদায়ের অভিযোগ উঠেছে। বিএনপি নেতা-কর্মীদের জড়িত থাকার সন্দেহে প্রথম আলো অনুসন্ধান করেছে। দোকানগুলোতে ব্যবসা চলছে, কিন্তু নথিতে ভাড়া নেই

মিরপুরের হজরত শাহ আলী মাজার শরিফ কাঁচাবাজার আড়ত কমপ্লেক্সের ৪৪টি 'ফাঁকা' দোকান থেকে মাসে প্রায় ৪ কোটি টাকা জাল ভাড়া আদায়ের অভিযোগ উঠেছে। প্রথম আলোর অনুসন্ধানে দেখা গেছে, এসব দোকানগুলোতে ব্যবসা চলছে, কিন্তু নথিতে ভাড়া নেই। বিএনপি নেতা-কর্মীদের জড়িত থাকার সন্দেহে অভিযোগ উঠেছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 মিরপুরের হজরত শাহ আলী মাজার আড়ত কমপ্লেক্সের ৪৪টি 'ফাঁকা' দোকান থেকে মাসে ৪ কোটি টাকা জাল ভাড়া আদায়ের অভিযোগ
  • 📌 ৫১৬টি দোকানের মধ্যে ৫০৮টি বরাদ্দ দেওয়া হলেও, ৪৪টি দোকান 'ফাঁকা' থাকলেও ব্যবসা চলছে
  • 📌 মাসে ১৫ হাজার থেকে ১ লাখ টাকা পর্যন্ত ভাড়া আদায়ের অভিযোগ; দোকানের বাইরে 'ফুট ভাড়া'ও নেওয়া হচ্ছে
  • 📌 বিএনপি নেতা-কর্মীদের জড়িত থাকার অভিযোগ; আগে আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা নিয়ন্ত্রণ করতেন
  • 📌 সাবেক কাউন্সিলর মুজিব সরোয়ারের মাসুমের দুটি দোকানও জাল ভাড়া আদায়ের তালিকায়

📰 বিস্তারিত

মিরপুরের হজরত শাহ আলী মাজার শরিফ কাঁচাবাজার আড়ত কমপ্লেক্সে মোট ৫১৬টি দোকান রয়েছে। এর মধ্যে ৫০৮টি দোকানের বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। বাকি ৮টি দোকানের মধ্যে ৩টি পজেশন থাকলেও ঘর নির্মিত হয়নি, আর ৫টি কখনো বরাদ্দ দেওয়া হয়নি। তবে এসব দোকানগুলোর মধ্যে ৪৪টি 'ফাঁকা' হিসেবে দেখানো হলেও ব্যবসা চলছে।

ব্যবসায়ীদের দাবি, এসব দোকান থেকে মাসে ১৫ হাজার থেকে ১ লাখ টাকা পর্যন্ত ভাড়া আদায় করা হচ্ছে। দোকানের বাইরে পণ্য রাখার জায়গা থেকেও 'ফুট ভাড়া' নেওয়া হচ্ছে। স্থানীয় ব্যবসায়ী ও মাজার সূত্র জানায়, প্রতিদিন লাখ টাকার বেশি আদায় করা হচ্ছে। বছরে প্রায় ৪ কোটি টাকা।

গণঅভ্যুত্থানের পর ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর আড়তের নিয়ন্ত্রণে বিএনপি-সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের প্রভাব বেড়েছে। আগে নিয়ন্ত্রণ করতেন আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা। তবে রাজনৈতিক সমঝোতার মাধ্যমে কিছু বরাদ্দধারীরা দোকানের নিয়ন্ত্রণ ধরে রেখেছেন।

৩৯৮ নম্বর দোকানের আড়তদার মো. পান্না বলেন, তিনি দোকানের মালিক নন, মাজারের ভারপ্রাপ্ত প্রধান সহকারী ইয়াসিন আরাফাতের কাছ থেকে ভাড়া নিয়ে ব্যবসা করেন। তবে ইয়াসিন আরাফাত অভিযোগ অস্বীকার করেন। তিনি বলেন, কিছু দোকান আগের মালিকদের কাছ থেকে ব্যবসায়ীরা ভাড়া নিয়েছেন, তিনি জড়িত নন।

৩১২/১ নম্বর দোকানের বরাদ্দধারী মো. বদিউজ্জামানের কাছে মাজারের পাওনা ৪ লাখ ৯২ হাজার টাকা। বকেয়ার কারণে বরাদ্দ বাতিল হয়েছে। পাশের ৩১২/২ নম্বর দোকানটি কখনো বরাদ্দ দেওয়া হয়নি। এ দুটি দোকানে কলার ব্যবসা করছেন হাফিজুর রহমান। তিনি বলেন, মো. দেলোয়ার নামের একজনকে দোকানপ্রতি ৩০ হাজার করে মোট ৬০ হাজার টাকা ভাড়া দেন।

সাবেক কাউন্সিলর মুজিব সরোয়ারের মাসুমের ১৯৮ নম্বর দোকানটি পাঁচ ভাগ করে ব্যবসা চলছে। প্রতিটির আড়তদার আলাদা। তাঁদের মধ্যে একজন ইমন জানান, তাঁরা প্রতিদিন ৮০০ টাকা করে ভাড়া দেন। ১৯৮ ও ২০০ নম্বর দোকান দারুস সালাম থানা ছাত্রদলের সাবেক আহ্বায়ক শ্যামল আহমেদ রাসেলের নিয়ন্ত্রণে থাকার অভিযোগ রয়েছে। তবে শ্যামল প্রথম আলোর কাছে দাবি করেন, আড়তের সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক নেই।

"আগে নিয়ন্ত্রণ করতেন আওয়ামী লীগের নেতা–কর্মীরা। অবশ্য রাজনৈতিক সমঝোতার মাধ্যমে আগের বরাদ্দধারীদের কেউ কেউ তাঁদের দোকানের নিয়ন্ত্রণ ধরে রেখেছেন।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: মিরপুর, ঢাকা (হজরত শাহ আলী মাজার শরিফ কাঁচাবাজার আড়ত কমপ্লেক্স)
  • 👥 মুখ্য ব্যক্তি: মুজিব সরোয়ারের মাসুম (সাবেক কাউন্সিলর), আতিকুর রহমান খান (সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান), ইয়াসিন আরাফাত (মাজারের ভারপ্রাপ্ত প্রধান সহকারী), হাফিজুল হাসান ওরফে কানা শুভ্র (বহিষ্কৃত বিএনপি সদস্য), শ্যামল আহমেদ রাসেল (সাবেক ছাত্রদল আহ্বায়ক)
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৪৪টি দোকান, ৫১৬টি মোট দোকান, মাসে ৪ কোটি টাকা, ১৫ হাজার থেকে ১ লাখ টাকা ভাড়া, ৫০৮টি বরাদ্দ দেওয়া দোকান

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖