📌 প্রতিবন্ধীদের ভোটাধিকার নিশ্চিত করতে ভোটকেন্দ্রের নিচতলায় ভোট দেওয়ার ব্যবস্থা, প্রশিক্ষিত স্বেচ্ছাসেবক নিয়োগ এবং সহজে প্রবেশযোগ্য পরিবেশ তৈরির দাবি জানানো হয়েছে। কর্মশালায় বক্তারা অধিকার হিসেবে প্রতিবন্ধীদের অংশগ্রহণের প্রতিবন্ধকতাগুলো চিহ্নিত করার আহ্বান জানান
বাংলাদেশে প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের ভোটাধিকার নিশ্চিত করতে নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় অন্তর্ভুক্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানানো হয়েছে। আজ সোমবার রাজধানীর বারিধারা হোটেলে অনুষ্ঠিত ‘ডিজেবিলিটি ইনক্লুসিভ ইলেকশন রিপোর্টিং’ কর্মশালায় বক্তারা ভোটকেন্দ্রের নিচতলায় ভোট দেওয়ার ব্যবস্থা, প্রশিক্ষিত স্বেচ্ছাসেবক নিয়োগ এবং সহজে প্রবেশযোগ্য পরিবেশ তৈরির প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 **প্রতিবন্ধীদের ভোটাধিকার নিশ্চিতের জন্য** ভোটকেন্দ্রের নিচতলায় ভোট দেওয়ার ব্যবস্থা এবং সিঁড়িহীন প্রবেশপথের দাবি জানানো হয়েছে।
- 📌 **প্রশিক্ষিত স্বেচ্ছাসেবক নিয়োগের আহ্বান** জানানো হয়েছে, যেখানে প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের সঙ্গে কাজের অভিজ্ঞতা থাকা ব্যক্তিদের প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে।
- 📌 **নারী প্রতিবন্ধী ভোটারদের জন্য** নারী স্বেচ্ছাসেবকদের নিয়োগের দাবি জানানো হয়েছে।
- 📌 **প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের সংগঠিত হওয়ার** এবং রাজনৈতিক পরিসরে অংশগ্রহণের প্রতিবন্ধকতাগুলো চিহ্নিত করার আহ্বান জানানো হয়েছে।
- 📌 **গণমাধ্যমে মানবাধিকার ও সমতার দৃষ্টিভঙ্গি** তুলে ধরা জরুরি বলে মনে করা হয়েছে।
📰 বিস্তারিত
বাংলাদেশ সোসাইটি ফর দ্য চেঞ্জ অ্যান্ড অ্যাডভোকেসি নেক্সাস (বি-স্ক্যান) আয়োজিত কর্মশালায় বক্তারা প্রতিবন্ধীদের ভোটাধিকার নিশ্চিত করতে ভোটকেন্দ্রের নিচতলায় ভোট দেওয়ার ব্যবস্থা এবং সিঁড়িহীন প্রবেশপথের দাবি জানান। বি-স্ক্যানের নির্বাহী পরিচালক সালমা মাহবুব বলেন, প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের জন্য ভোটকেন্দ্রে প্রবেশগম্যতা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। তিনি বলেন, “যেসব ভবনে ভোটকেন্দ্র স্থাপন করা হয়, সেখানে সিঁড়ি ব্যবহার ছাড়াই ভোট দেওয়ার সুযোগ তৈরি করা প্রয়োজন।”
সালমা মাহবুব আরও বলেন, প্রতিবন্ধী ভোটারদের সহায়তায় প্রশিক্ষিত স্বেচ্ছাসেবক দল থাকা জরুরি। তিনি বলেন, “প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের সঙ্গে কাজের অভিজ্ঞতা থাকা ব্যক্তিদের প্রশিক্ষণ দিয়ে বিভিন্ন ভোটকেন্দ্রে দায়িত্ব দেওয়া যেতে পারে। এছাড়াও, নারী প্রতিবন্ধী ভোটারদের প্রয়োজন বিবেচনায় নারী স্বেচ্ছাসেবকও রাখতে হবে।”
বি-স্ক্যানের প্রোগ্রাম পরিচালক ইফতেখার মাহমুদ বলেন, প্রতিবন্ধী ব্যক্তিরাও রাষ্ট্রের নাগরিক। তিনি বলেন, “ভোটাধিকারসহ সব নাগরিক সুযোগ-সুবিধা পাওয়ার অধিকার তাঁদের রয়েছে। এসব অধিকার নিশ্চিত করতে তাঁদের সংগঠিত হওয়ার পাশাপাশি রাজনৈতিক পরিসরে অংশগ্রহণ ও প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করা জরুরি। তিনি আরও বলেন, “প্রতিবন্ধী ব্যক্তিরা দীর্ঘদিন ধরে নিজেদের অধিকারের কথা বলে আসছেন। তবে অধিকার আদায়ে সংগঠিত হওয়ার ক্ষেত্রে ঘাটতি রয়েছে। সংগঠন গঠন ও পরিচালনাও তাঁদের জন্য চ্যালেঞ্জ।”
কর্মশালায় ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) ডেলিগেট সিমোনা কামোলিনি সমাপনী বক্তব্য দেন। তিনি বলেন, “প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের নির্বাচনী অংশগ্রহণ নিয়ে গণমাধ্যমে মানবাধিকার, সমতা ও নাগরিক অধিকারের দৃষ্টিভঙ্গি তুলে ধরা জরুরি। দায়িত্বশীল ও অন্তর্ভুক্তিমূলক সাংবাদিকতা নির্বাচনে তাঁদের অংশগ্রহণ এবং মর্যাদাপূর্ণ উপস্থাপনা নিশ্চিত করতে ভূমিকা রাখতে পারে।”
"প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের জন্য ভোটকেন্দ্রে প্রবেশগম্যতা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। সিঁড়িহীন প্রবেশপথ এবং নিচতলায় ভোট দেওয়ার ব্যবস্থা করা প্রয়োজন।"
"প্রতিবন্ধী ব্যক্তিরাও রাষ্ট্রের নাগরিক। তাঁদের অধিকার নিশ্চিত করতে সংগঠিত হওয়া এবং রাজনৈতিক পরিসরে অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা জরুরি।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: বারিধারা, ঢাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: সালমা মাহবুব, ইফতেখার মাহমুদ, সিমোনা কামোলিনি
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১ (কর্মশালার আয়োজন)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!