📅 ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১:৩৬ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

সাইবার আইন সংশোধনী: বিরোধী দলের আশঙ্কা ‘কণ্ঠরোধের হাতিয়ার’ হতে পারে, সরকারের প্রতিক্রিয়া জানান

সাইবার আইন সংশোধনী: বিরোধী দলের আশঙ্কা ‘কণ্ঠরোধের হাতিয়ার’ হতে পারে, সরকারের প্রতিক্রিয়া জানান

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 সাইবার সুরক্ষা আইনের সংশোধনীর খসড়ায় গুজব ছড়ানোর দায়ে ১০ বছরের কারাদণ্ডের প্রস্তাব নিয়ে বিরোধী দলের শঙ্কা উঠেছে। জামায়াতের সংসদ সদস্য শফিকুল ইসলাম মাসুদ বলেছেন, সংজ্ঞা অস্পষ্ট থাকায় এটি সাংবাদিক ও সরকারবিরোধী মতের উপর নির্যাতনের হাতিয়ার হতে পারে। তথ্যমন্ত্রী আশ্বস্ত করেছেন, নিপীড়নের কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হবে না

সাইবার সুরক্ষা আইনের সংশোধনীর খসড়া নিয়ে বিরোধী দলের মধ্যে ‘কণ্ঠরোধের আইন’ হতে পারে এমন আশঙ্কা উঠেছে। তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়–সম্পর্কিত সাংসদীয় স্থায়ী কমিটির প্রথম বৈঠকে জামায়াতের সংসদ সদস্য শফিকুল ইসলাম মাসুদ এই বিষয়ে সতর্কতা জানিয়েছেন। তিনি বলেছেন, খসড়ায় গুজব ও অপতথ্য ছড়ানোর দায়ে ১০ বছরের কারাদণ্ডের প্রস্তাব থাকলেও সংজ্ঞা অস্পষ্ট থাকায় এটি সাংবাদিকদের ও সাধারণ মানুষের মত প্রকাশের উপর নির্যাতনের হাতিয়ার হয়ে দাঁড়াতে পারে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 সাইবার সুরক্ষা আইন সংশোধনী নিয়ে বিরোধী দলের শঙ্কা: ‘কণ্ঠরোধের আইন’ হতে পারে
  • 📌 গুজব ছড়ানোর দায়ে ১০ বছরের কারাদণ্ডের প্রস্তাব, কিন্তু সংজ্ঞা অস্পষ্ট
  • 📌 জামায়াতের সংসদ সদস্য শফিকুল ইসলাম মাসুদ বলেছেন, এটি সাংবাদিক ও সরকারবিরোধী মতের উপর নির্যাতনের হাতিয়ার হতে পারে
  • 📌 তথ্যমন্ত্রী আশ্বস্ত করেছেন, নিপীড়নের কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হবে না
  • 📌 বৈঠকে বলা হয়, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে গালিগালাজের সংস্কৃতি রোধে আইন প্রয়োজন

📰 বিস্তারিত

আজ মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬) জাতীয় সংসদ ভবনে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়–সম্পর্কিত সাংসদীয় স্থায়ী কমিটির প্রথম বৈঠকে এই বিষয়টি আলোচিত হয়। সাধারণত কোনো বিল সংসদে উত্থাপিত হলে তা সাংসদীয় কমিটিতে পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়। তবে আজকের বৈঠকের আলোচ্যসূচিতে এই খসড়া অন্তর্ভুক্ত ছিল না। তবে শফিকুল ইসলাম মাসুদ নিজে বিষয়টি তুলে ধরেন। তিনি প্রথম আলোকে বলেন, “গুজব ও অপতথ্যের সংজ্ঞা স্পষ্ট না থাকায় এটি সাংবাদিকদের ওপর খড়্গ নেমে আসতে পারে। সাধারণ মানুষের মত এবং সরকারবিরোধী মত নিয়ন্ত্রণের হাতিয়ার করা হতে পারে। এটি মূলত কণ্ঠরোধের আইন।”

তথ্যমন্ত্রী আন্দালিভ রহমান ও প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী সহ কমিটির সদস্যরা বৈঠকে অংশ নেন। তথ্য সচিবালয় জানিয়েছে, গত দুই বছরে রাজনীতিতে গালিগালাজের সংস্কৃতি চালু হয়েছে, যা গ্রহণযোগ্য নয়। সাইবার সুরক্ষা আইন কার্যকর ভূমিকা রাখবে এই ধরনের কর্মকাণ্ড থেকে সুরক্ষা প্রদানে। বৈঠকে কমিটির সভাপতি আমানউল্লাহ আমানের সভাপতিত্বে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহ্বান জানানো হয়।

শফিকুল ইসলাম মাসুদ আরও বলেন, “তথ্যমন্ত্রী আশ্বস্ত করেছেন, কেউ নিপীড়িত হবে এমন কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হবে না। তবে আইনের সংজ্ঞা অস্পষ্ট থাকায় এর প্রভাব কী হবে, তা নিয়ে আলোচনা হওয়া উচিত ছিল।”

"গুজব ও অপতথ্যের সংজ্ঞা স্পষ্ট না থাকায় এটি সাংবাদিকদের ওপর খড়্গ নেমে আসতে পারে। সাধারণ মানুষের মত এবং সরকারবিরোধী মত নিয়ন্ত্রণের হাতিয়ার করা হতে পারে। এটি মূলত কণ্ঠরোধের আইন।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: জাতীয় সংসদ ভবন, ঢাকা
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: শফিকুল ইসলাম মাসুদ (জামায়াতের সংসদ সদস্য), তথ্যমন্ত্রী আন্দালিভ রহমান, সভাপতি আমানউল্লাহ আমান
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১০ বছর (গুজব ছড়ানোর দায়ে কারাদণ্ড)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖