📅 ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৬:০৫ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

সংবিধান সংশোধনে ফের গণভোট: বিরোধী দলের তীব্র প্রতিবাদ ও আইনজীবীদের মতামত

👥 উল্লেখিত ব্যক্তিত্ব: সালাহউদ্দিন আহমদ সালাহউদ্দিন আহমদ
সংবিধান সংশোধনে ফের গণভোট: বিরোধী দলের তীব্র প্রতিবাদ ও আইনজীবীদের মতামত

📷 ছবি: Ajker Patrika

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 আজকের পত্রিকা ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 সংবিধান সংশোধনের জন্য ফের গণভোটের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানানো হলেও বিরোধী দল জামায়াত ও এনসিপি দাবি করছে, গত ফেব্রুয়ারিতে ইতিমধ্যে গণভোট হয়েছে। আইনজীবীদের মতে, আদালতের রায়ের মাধ্যমে সংবিধানে গণভোটের বিধান পুনর্বহাল হয়েছে। বিশেষ কমিটি জানিয়েছে, ডিসেম্বর পর্যন্ত প্রতিবেদন জমা দেবে এবং পরবর্তীতে সংসদে বিল উত্থাপন করা হবে

সংবিধান সংশোধনের জন্য ফের গণভোটের উদ্যোগ নিয়ে বিরোধী দল ও আইনজীবীদের মধ্যে তীব্র মতবিরোধ সৃষ্টি হয়েছে। সংবিধান সংশোধন-সম্পর্কিত বিশেষ কমিটি জানিয়েছে, নতুন গণভোটের মাধ্যমে সংবিধানের প্রস্তাবনা, ৪৮ ও ৫৬ অনুচ্ছেদসহ কিছু অংশ সংশোধনের জন্য জনমত নেওয়া হবে। তবে বিরোধী দল জামায়াতে ইসলামী ও জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) দাবি করছে, গত ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত নির্বাচনের দিনই সংবিধান সংস্কারের জন্য গণভোট হয়েছে। তারা বলছে, সরকার নতুন গণভোটের মাধ্যমে আগের গণভোটের রায়কে বাতিল করার চেষ্টা করছে, যা গণতন্ত্রের বিরুদ্ধে বলে মনে করছেন তারা।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 সংবিধান সংশোধনের জন্য ফের গণভোটের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে বিশেষ কমিটি।
  • 📌 জামায়াত ও এনসিপি দাবি, গত ১২ ফেব্রুয়ারি গণভোটের রায়কে সরকার বাতিল করার চেষ্টা করছে।
  • 📌 বিশেষ কমিটির সভাপতি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, সংবিধানের ১৪২ অনুচ্ছেদ পুনর্বহাল হওয়ায় গণভোটের ব্যবস্থা আবার প্রয়োজন।
  • 📌 আইনজীবী ড. শরীফ ভূঁইয়া ও ব্যারিস্টার ইমরান এ সিদ্দিকের মতে, আদালতের রায়ের মাধ্যমে গণভোটের বিধান সংবিধানে অন্তর্ভুক্ত হয়েছে।
  • 📌 বিশেষ কমিটি জানিয়েছে, ডিসেম্বর পর্যন্ত প্রতিবেদন জমা দেবে এবং পরবর্তীতে সংসদে বিল উত্থাপন করা হবে।
  • 📌 বিরোধী দলগুলোর এমপিরা সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবে শপথ নিয়েছেন, কিন্তু ক্ষমতাসীন দল তা অস্বীকার করেছে।

📰 বিস্তারিত

সংবিধান সংশোধন-সম্পর্কিত বিশেষ কমিটির সভাপতি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ গত রোববার বৈঠক শেষে জানান, সংবিধানের প্রস্তাবনা, ৪৮ ও ৫৬ অনুচ্ছেদসহ সংসদ যদি কোনো পরিবর্তন আনে, তাহলে তা গণভোটে দিতে হবে। তিনি বলেন, “এটা সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতা।” তবে বিরোধী দল জামায়াতে ইসলামীর সাংসদীয় দলের মুখপাত্র মোহাম্মদ নাজিবুর রহমান তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়ে বলেন, “জনগণ যে জনরায় দিয়েছে, তা আমলে নেওয়া হয়নি। নতুন গণভোটের মাধ্যমে আগের গণভোটের রায় বাতিল করার চেষ্টা করছে সরকার। এটা গণতন্ত্রের মুখে চপেটাঘাত এবং পেছনে ছুরিকাঘাত।”

বিরোধীদের আপত্তির বিষয়ে বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান জয়নুল আবেদীন বলেন, “বিরোধী দল কমিটিতে অংশগ্রহণ করলে অনেক কিছুই করা সম্ভব। কিন্তু তারা অংশ না নিলে আমাদের একতরফাভাবেই এগিয়ে যেতে হবে। সে ক্ষেত্রে আমরা গণভোট দিতে পারি।” তিনি আরও বলেন, “গণভোটের সঙ্গে সাধারণ নির্বাচন একত্র করলে সেটা আর গণভোট থাকে না। গণভোট একটা নির্দিষ্ট বিষয় নিয়ে হয়।”

বিশেষ কমিটির সদস্য ও গণমাধ্যমের নেতাদের সঙ্গে বৈঠকে জানানো হয়, সংবিধানের ১৪২ অনুচ্ছেদে গণভোটের বিধান ছিল, যা আওয়ামী লীগের পঞ্চদশ সংশোধনীর মাধ্যমে উঠিয়ে দেওয়া হয়েছিল। ২০২৪ সালের অভ্যুত্থানের পর উচ্চ আদালত তা পুনর্বহালের আদেশ দিয়েছে। এ বিষয়ে আইনজীবী ড. শরীফ ভূঁইয়া বলেন, “অষ্টম সংশোধনী মামলার রায় অনুযায়ী, আদালতের রায়ের মাধ্যমে গণভোটের বিধান সংবিধানে অন্তর্ভুক্ত হয়ে গেছে। সংসদের আইন প্রণয়নের প্রয়োজন নেই।” ব্যারিস্টার ইমরান এ সিদ্দিকও একই মত প্রকাশ করেন। তবে তিনি বলেন, ১৪২ অনুচ্ছেদ নিয়ে আপিল বিভাগের পূর্ণাঙ্গ রায় বের হয়নি। রায় প্রকাশের পর তা পর্যালোচনা করেই সিদ্ধান্ত নেওয়া উচিত।

২০২৫ সালের ১৭ অক্টোবর জাতীয় ঐকমত্য কমিশন ৩০টি রাজনৈতিক দলের সঙ্গে সংলাপ করে জুলাই জাতীয় সনদ তৈরি করে। ১২ নভেম্বর রাষ্ট্রপতির আদেশে সনদ বাস্তবায়ন আদেশ জারি করা হয়। সনদে বলা হয়েছিল, জাতীয় নির্বাচনের দিন গণভোট হবে। গণভোটে ‘হ্যাঁ’ বিজয়ী হলে সংসদ একই সঙ্গে সংবিধান সংস্কার পরিষদের দায়িত্ব পালন করবে। এমপিরা একই সঙ্গে পরিষদের সদস্য হিসেবে শপথ নিয়ে সংবিধানের সংস্কার করবেন। তবে ক্ষমতাসীন দল আদেশকে অসাংবিধানিক দাবি করে সংস্কার পরিষদের শপথ নেননি।

"জনগণ যে জনরায় দিয়েছে, এটাকে উনারা কোনোভাবেই আমলে নিতে চাচ্ছেন না। উনারা নতুন একটা গণভোট করে আগের গণভোটের রায়কে বাতিল করার চেষ্টা করছেন। এটা আসলে গণতন্ত্রের মুখে চপেটাঘাত এবং পেছনে ছুরিকাঘাত।"
"গণভোটের সঙ্গে সাধারণ নির্বাচন একত্র করলে সেটা আর গণভোট থাকে না। গণভোট একটা নির্দিষ্ট বিষয় নিয়ে হয়।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: বাংলাদেশ (সংসদ, বিশেষ কমিটি)
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: সালাহউদ্দিন আহমদ, মোহাম্মদ নাজিবুর রহমান, জয়নুল আবেদীন, ড. শরীফ ভূঁইয়া, ইমরান এ সিদ্দিক
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৪৮, ৫৬, ১৪২ (সংবিধান অনুচ্ছেদ), ৩০ (রাজনৈতিক দল), ১৭ (অক্টোবর), ১২ (নভেম্বর), ১২ (ফেব্রুয়ারি)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖