📌 চট্টগ্রামের রাউজান উপজেলায় শহীদ জিয়াউর রহমানের সমাধিতে ফুল দিয়ে ফেরার পথে বিএনপির ১০-১৫ নেতা-কর্মীকে লাঠিসোঁটা দিয়ে আক্রমণ করা হয়। আহত হন ৬ জন, তাদের মধ্যে উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আনোয়ার হোসেন। দলেরই অংশ জড়িত বলে অভিযোগ করা হয়
চট্টগ্রামের রাউজান উপজেলায় শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের সমাধিতে ফুল দিয়ে ফেরার পথে বিএনপির নেতা-কর্মীদের ওপর লাঠিসোঁটা দিয়ে হামলা চালানো হয়। এই ঘটনায় অন্তত ছয়জন আহত হন, তাদের মধ্যে উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আনোয়ার হোসেন (৬০) সহ অন্যান্য নেতা-কর্মীরা। হামলাকারীরা রড ও লাঠি দিয়ে আক্রমণ করে, যার ফলে আহতদের শরীরে বিভিন্ন ধরনের আঘাত পড়ে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ৬ জন আহত: রাউজান উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আনোয়ার হোসেন (৬০), উপজেলা শ্রমিক দলের সভাপতি মোজাম্মেল হোসেন (৪০), উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা দলের সহসভাপতি মোহাম্মদ ফারুক (৪০), উপজেলা জাসাসের সভাপতি আল মারুফ (৩৫), সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ নাসির (৩৫) এবং বাগোয়ান ইউনিয়ন বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক মুহাম্মদ মহিউদ্দিন (৩৮)।
- 📌 হামলার সময়সূচী: শনিবার বেলা তিনটার দিকে কাপ্তাই সড়ক ও জিয়া নগর সংলগ্ন স্থানে ঘটনাটি ঘটে।
- 📌 দলীয় অভিযোগ: আহতদের দাবি, হামলায় জড়িত দলেরই অংশ। তারা বলেন, পুলিশ উপস্থিত থাকলেও হামলা রোধে কার্যকর ভূমিকা না নেয়া হয়।
- 📌 পুলিশের প্রতিক্রিয়া: রাউজান-রাঙ্গুনিয়া পুলিশ সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) মুহাম্মদ বেলায়াত হোসেন জানান, মারামারির ঘটনা পুলিশকে জানানো হয়নি।
📰 বিস্তারিত
জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে রাউজান উপজেলা বিএনপি ও এর অঙ্গসংগঠন ১০-১৫ জন নেতা-কর্মী শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের সমাধিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানাতে যান। চুয়েট ক্যাম্পাস সংলগ্ন সমাধিতে শ্রদ্ধা জানিয়ে ফেরার পথে ২০-৩০ জনের একটি দল লাঠিসোঁটা নিয়ে হামলা চালায়। আহতদের মধ্যে উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আনোয়ার হোসেনের মাথা ফেটে যায় এবং শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত পড়ে।
আহতদের দাবি, সমাধিতে ফুল দেওয়ার কর্মসূচির বিষয়ে আগেই স্থানীয় থানা-পুলিশ, গোয়েন্দা সংস্থা ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে অবহিত করা হয়েছিল। তবে পুলিশ খুব কাছাকাছি উপস্থিত থাকলেও হামলা রোধে কোনো কার্যকর পদক্ষেপ নেয়নি। এতে আহতদের অভিযোগ, পুলিশের অকার্যকর ভূমিকাই হামলার পেছনে একটি কারণ।
হামলাকারীদের পরিচয় জানতে চাইলে রাউজান-রাঙ্গুনিয়া পুলিশ সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) মুহাম্মদ বেলায়াত হোসেন প্রথম আলোকে বলেন, ‘শুনেছি, দলের দুই পক্ষের মধ্যে একটু উত্তেজনা-হট্টগোল হয়েছে। তবে মারামারির ঘটনা কেউ পুলিশকে জানায়নি।’
"হামলাকারীরা রড ও লাঠি দিয়ে আমার মাথা ও পায়ে আঘাত করেন। মাথা ফেটে গেছে। শরীরের বিভিন্ন স্থানেও আঘাত পেয়েছি।" — উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আনোয়ার হোসেন
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: রাউজান উপজেলা, চট্টগ্রাম
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: আনোয়ার হোসেন (৬০), মোজাম্মেল হোসেন (৪০), মোহাম্মদ ফারুক (৪০), আল মারুফ (৩৫), মোহাম্মদ নাসির (৩৫), মুহাম্মদ মহিউদ্দিন (৩৮), এএসপি মুহাম্মদ বেলায়াত হোসেন
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৬ জন আহত, ১০-১৫ জন বিএনপি নেতা-কর্মী, ২০-৩০ জন হামলাকারী
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!