📌 স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম বলেছেন, কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের নির্বাচনে অংশ নেয়ার কোনো সুযোগ নেই। তিনি উল্লেখ করেছেন, বর্তমান সরকারের লক্ষ্য হলো পাঁচটি স্থানীয় সরকার নির্বাচন অবাধ ও নিরপেক্ষভাবে সম্পন্ন করা। নির্বাচনে দলীয় প্রতীক বা মনোনয়ন ব্যবহার করা যাবে না
স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকায় নির্বাচনে অংশ নেয়ার কোনো সুযোগ নেই বলে সতর্কবার্তা দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, যতক্ষণ পর্যন্ত দলটির ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার না হয়, ততক্ষণ পর্যন্ত ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ ও তার অঙ্গসংগঠনগুলোর নির্বাচনে অংশ নেয়া বা রাজনৈতিক কর্মসূচি পালনের অধিকার নেই।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের নির্বাচনে অংশ নেয়ার কোনো সুযোগ নেই বলে জানিয়েছেন প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম।
- 📌 আইন অনুযায়ী আওয়ামী লীগের কোনো সভা-সমাবেশ বা দলীয় কার্যালয় খোলার সুযোগ নেই। আইন অমান্য করলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ব্যবস্থা নেবে।
- 📌 স্থানীয় সরকার নির্বাচন অবাধ ও নিরপেক্ষভাবে সম্পন্ন করার লক্ষ্যে বাজেটে প্রায় ৬ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে।
- 📌 নির্বাচনে দলীয় প্রতীক বা মনোনয়ন ব্যবহার করা যাবে না। নির্বাচন হবে সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ এবং সাধারণ প্রতীকে।
- 📌 বিএনপি একক প্রার্থীকে সমর্থনের নীতিগত সিদ্ধান্ত নিয়েছে। ইউনিয়নে একাধিক প্রার্থী থাকলে সমঝোতার চেষ্টা করা হবে, অন্যথায় সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেয়া হতে পারে।
- 📌 বগুড়ার প্রধান উন্নয়ন প্রকল্প যেমন ইপিজেড, বিমানবন্দর ও রেলপথসহ ডিসেম্বরের মধ্যে দৃশ্যমান অগ্রগতি দেখাতে সরকারের প্রতিশ্রুতি।
📰 বিস্তারিত
শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) দুপুরে বগুড়ার শিবগঞ্জ উপজেলা পরিষদ পুকুরে মাছের পোনা অবমুক্তকরণ অনুষ্ঠান শেষে প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম সাংবাদিকদেরকে বলেন, আওয়ামী লীগ একটি নিষিদ্ধঘোষিত সংগঠন। তিনি বলেন, “আমরা বিব্রতবোধ করি যদি তাদের দলীয় কর্মকাণ্ড চালাতে দেয়া বা নির্বাচনে অংশগ্রহণ নিয়ে প্রশ্ন করা হয়। আইন অনুযায়ী তাদের কোনো সভা-সমাবেশ করা বা দলীয় কার্যালয় খোলার সুযোগ নেই। যদি তারা আইন অমান্য করে, তবে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে।”
প্রতিমন্ত্রী স্থানীয় সরকার নির্বাচন নিয়ে সরকারের অবস্থান ব্যাখ্যা করেন। তিনি বলেন, “বিগত স্বৈরাচারী শাসনের সময় দেশের গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠান ও নির্বাচন ব্যবস্থা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল। বর্তমান সরকারের অন্যতম প্রধান ম্যান্ডেট হলো পাঁচটি স্থানীয় সরকার নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষভাবে সম্পন্ন করা। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের স্পষ্ট নির্দেশ রয়েছে যেকোনো মূল্যে এসব নির্বাচন মানুষের কাছে গ্রহণযোগ্য করে তুলতে হবে। এ বাবদ বাজেটে প্রায় ৬ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে এবং নির্বাচন কমিশন প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নিচ্ছে।”
নির্বাচন আইনের সংশোধন নিয়ে তিনি বলেন, সংশোধিত আইন অনুযায়ী এবার দলীয় মনোনয়ন বা জাতীয় প্রতীক (যেমন ধানের শীষ) ব্যবহারের সুযোগ থাকবে না। নির্বাচন হবে সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ এবং সাধারণ প্রতীকে। তবে মাঠপর্যায়ে দলের চেইন অব কমান্ড ঠিক রাখতে বিএনপি একক প্রার্থীকে সমর্থনের নীতিগত সিদ্ধান্ত নিয়েছে। কোনো ইউনিয়নে একাধিক প্রার্থী থাকলে স্থানীয় পর্যায়ে সমঝোতার চেষ্টা করা হবে, অন্যথায় দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের দায়ে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেয়া হতে পারে।
সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী বলেন, সরকারের মেয়াদ মাত্র ছয় মাস পার হয়েছে। বড় বড় প্রকল্প বাস্তবায়নে নিয়মমাফিক প্রশাসনিক প্রক্রিয়ার জন্য কিছুটা সময় লাগে। তবে ডিসেম্বরের মধ্যেই বগুড়াবাসী প্রধান উন্নয়ন প্রকল্পগুলোর দৃশ্যমান অগ্রগতি দেখতে পাবেন।
অনুষ্ঠানে শিবগঞ্জ উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তা, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও রাজনৈতিক নেতারা উপস্থিত ছিলেন। প্রতিমন্ত্রী ২০২৬-২০২৭ অর্থবছরে রাজস্ব খাতের আওতায় শিবগঞ্জ উপজেলা পরিষদ পুকুরে পোনা মাছ অবমুক্ত করে কর্মসূচির উদ্বোধন করেন। তিনি আরও বলেন, শিক্ষার্থীদের নিরাপদ যাতায়াত নিশ্চিত করতে শিবগঞ্জ গ্রামার স্কুল অ্যান্ড কলেজ এবং বেতগাড়ি মীর শাহে আলম বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের অনুকূলে দুটি স্কুল বাস বিতরণ করবেন।
"আমরা বিব্রতবোধ করি যদি তাদের দলীয় কর্মকাণ্ড চালাতে দেয়া বা নির্বাচনে অংশগ্রহণ নিয়ে প্রশ্ন করা হয়। আইন অনুযায়ী তাদের কোনো সভা-সমাবেশ করা বা দলীয় কার্যালয় খোলার সুযোগ নেই।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: বগুড়ার শিবগঞ্জ উপজেলা পরিষদ পুকুর, বাংলাদেশ
- 👥 মুখ্য ব্যক্তি: মীর শাহে আলম (স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী), তারেক রহমান (প্রধানমন্ত্রী)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৬ হাজার কোটি টাকা (বাজেট বরাদ্দ), ১১ সেপ্টেম্বর (তারিখ)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!