📌 জাতীয় সংসদে নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়-সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির প্রথম বৈঠকে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার উপর জোর দেওয়া হয়। কমিটির সভাপতি জয়নুল আবদিন ফারুক বলেন, গণতান্ত্রিক সরকারকে সমর্থন করার পাশাপাশি মন্ত্রণালয়ের কার্যক্রমকে আরও কার্যকর করতে হবে। এছাড়াও ৭ নভেম্বর ‘জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস’ পালনের ঘোষণা দেয়া হয়
জাতীয় সংসদে নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়-সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির প্রথম বৈঠকে স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও খাতের উন্নয়নের উপর গুরুত্বারোপ করা হয়। সোমবার সংসদ ভবনে অনুষ্ঠিত এই বৈঠকে প্রধানমন্ত্রীর ‘সবার আগে বাংলাদেশ’ নীতি বাস্তবায়নের লক্ষ্যে কমিটি ও মন্ত্রণালয় একসাথে কাজ করার প্রতিশ্রুতি দেয়া হয়।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 জয়নুল আবদিন ফারুক বলেন, ১৬ বছর পর সুষ্ঠু নির্বাচনের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠিত গণতান্ত্রিক সরকারকে সমর্থন করার পাশাপাশি মন্ত্রণালয়ের কার্যক্রমকে আরও কার্যকর করতে হবে।
- 📌 বৈঠকে নৌপরিবহনমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম, প্রতিমন্ত্রী মো. রাজিব আহসানসহ কমিটির সকল সদস্য উপস্থিত ছিলেন।
- 📌 নৌপরিবহন খাতের সার্বিক উন্নয়ন, সেবার মান বৃদ্ধি ও স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার জন্য আলোচনা হয়।
- 📌 মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের বিজ্ঞপ্তিতে ঘোষণা করা হয়, প্রতিবছর ৭ নভেম্বর ‘জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস’ পালন করা হবে।
- 📌 কমিটির সদস্যরা মন্ত্রণালয়ের অধীন দপ্তর, অধিদপ্তর ও প্রতিষ্ঠানগুলোর কার্যক্রম আরও গতিশীল করার প্রতিশ্রুতি দেন।
📰 বিস্তারিত
জাতীয় সংসদে নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়-সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির প্রথম বৈঠক সোমবার অনুষ্ঠিত হয়। কমিটির সভাপতি জয়নুল আবদিন ফারুক সভাপতিত্ব করেন। বৈঠকে অংশ নেন কমিটির সদস্যগণ, নৌপরিবহনমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম, প্রতিমন্ত্রী মো. রাজিব আহসানসহ মন্ত্রণালয়ের অন্যান্য কর্মকর্তা ও সদস্য।
বৈঠকে প্রধানমন্ত্রীর ‘সবার আগে বাংলাদেশ’ নীতি বাস্তবায়নের লক্ষ্যে নৌপরিবহন খাতের উন্নয়ন, সেবার মান বৃদ্ধি ও স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার উপর জোর দেওয়া হয়। কমিটির সভাপতি জয়নুল আবদিন ফারুক বলেন, “প্রায় ১৬ বছর পর সুষ্ঠু নির্বাচনের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠিত গণতান্ত্রিক সরকারকে সমর্থন করার পাশাপাশি মন্ত্রণালয়ের কার্যক্রমকে আরও কার্যকর করতে হবে। কাজে জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা, সততার সঙ্গে দায়িত্ব পালন এবং সংশ্লিষ্ট সবার মতামতকে গুরুত্ব দিয়ে মন্ত্রণালয়ের কার্যক্রম এগিয়ে নিতে হবে।”
বৈঠকে নৌপরিবহন খাতের সার্বিক উন্নয়ন, সেবার মান বৃদ্ধি ও স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার পাশাপাশি মন্ত্রণালয়ের অধীন দপ্তর, অধিদপ্তর, সংস্থা ও প্রতিষ্ঠানগুলোর কার্যক্রম আরও গতিশীল করার বিষয়ে আলোচনা হয়। এছাড়াও মন্ত্রণালয় এবং এর অধীন বিভিন্ন দপ্তর, অধিদপ্তর, সংস্থা ও প্রতিষ্ঠানের সার্বিক কার্যক্রম সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য উপস্থাপন করা হয়।
মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, প্রতিবছর ৭ নভেম্বর ‘জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস’ পালন করা হবে। এই দিবসটি ‘ক’ শ্রেণিভুক্ত দিবস হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে।
"প্রায় ১৬ বছর পর সুষ্ঠু নির্বাচনের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠিত গণতান্ত্রিক সরকারকে কর্মকর্তা-কর্মচারী ও কমিটির পক্ষ থেকে সর্বাত্মক সহযোগিতা করা হবে। কাজে জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা, সততার সঙ্গে দায়িত্ব পালন এবং সংশ্লিষ্ট সবার মতামতকে গুরুত্ব দিয়ে মন্ত্রণালয়ের কার্যক্রম এগিয়ে নিতে হবে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: জাতীয় সংসদ ভবন, ঢাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: জয়নুল আবদিন ফারুক, শেখ রবিউল আলম, মো. রাজিব আহসান, মো. হাফিজ ইব্রাহিম, মো. মাহমুদুল হক রুবেল, আনিছুর রহমান, সাঈদ আহমেদ, সানজিদা ইয়াসমিন, মো. নাজমুল হুদা, আবদুল হান্নান মাসউদ
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৬ বছর, ৭ নভেম্বর
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!