📅 ২৮ আগস্ট ২০২৬, ৩:০৬ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

জিকির ও নামাজের মাধ্যমে মানুষকে পাপাচার থেকে বিরত রাখার বিধান আল্লাহর কোরআন ও হাদিসে

জিকির ও নামাজের মাধ্যমে মানুষকে পাপাচার থেকে বিরত রাখার বিধান আল্লাহর কোরআন ও হাদিসে

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 জিকির ও নামাজ মানুষকে অন্যায় কাজ থেকে বিরত রাখে বলে উল্লেখ করা হয়েছে কোরআন ও হাদিসে। শয়তানের কুমন্ত্রণা থেকে রক্ষা পেতে আল্লাহর স্মরণের গুরুত্ব তুলে ধরা হয়েছে

ইসলাম ধর্মে জিকির ও নামাজকে পাপাচার থেকে বিরত রাখার অন্যতম মাধ্যম হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছে। আল্লাহ তাআলা বলেন, ‘নিশ্চয়ই সালাত মানুষকে অশ্লীল ও অশোভন কর্ম থেকে বিরত রাখে।’ (সুরা আনকাবুত, আয়াত: ৪৫)। একইভাবে রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘শয়তান আদমসন্তানের অন্তরে ওত পেতে থাকে। যখন সে জিকির বা আল্লাহর স্মরণে থাকে, তখন শয়তান দূরে সরে যায়।’ (বুখারি, মিশকাত: ২২৮১)।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 আল্লাহ তাআলা বলেন, নামাজ মানুষকে অশ্লীল ও অশোভন কর্ম থেকে বিরত রাখে (সুরা আনকাবুত, আয়াত: ৪৫)
  • 📌 রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, জিকিরে ব্যস্ত থাকলে শয়তান দূরে সরে যায় (বুখারি, মিশকাত: ২২৮১)
  • 📌 জিকিরের তিনটি স্তর: মনে স্মরণ, মুখে উচ্চারণ ও কাজে বাস্তবায়ন
  • 📌 জিকির দুই প্রকার: নীরব জিকরে খফি ও সরব জিকরে জলি
  • 📌 জিকরে জলির ক্ষেত্রে তিনটি শর্ত পালন করতে হবে: ইবাদতকারীর ব্যাঘাত না ঘটানো, ঘুমন্ত ব্যক্তির ঘুম না ভাঙানো ও অসুস্থ ব্যক্তির অস্বস্তি না ঘটানো

📰 বিস্তারিত

ইসলাম ধর্মে জিকির ও নামাজকে মানুষকে পাপাচার থেকে বিরত রাখার অন্যতম মাধ্যম হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছে। আল্লাহ তাআলা বলেন, ‘তুমি কোরআন তিলাওয়াত করো, যা তোমার প্রতি অবতীর্ণ করা হয়েছে এবং সালাত কায়েম করো। নিশ্চয়ই সালাত মানুষকে অশ্লীল ও অশোভন কর্ম থেকে বিরত রাখে।’ (সুরা আনকাবুত, আয়াত: ৪৫)। একইভাবে রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘শয়তান আদমসন্তানের অন্তরে ওত পেতে থাকে। যখন সে জিকির বা আল্লাহর স্মরণে থাকে, তখন শয়তান দূরে সরে যায়। আর যখন সে গাফিল বা উদাসীন হয়, তখন শয়তান কুমন্ত্রণা দেয়।’ (বুখারি, মিশকাত: ২২৮১)।

জিকির অর্থ হলো আল্লাহর স্মরণ ও আলোচনা। পরিভাষায় জিকির হলো আল্লাহর সত্তা ও গুণাবলি স্মরণ, আলোচনা ও চর্চা করা। আল্লাহ তাআলা বলেন, ‘তুমি জিকির বা আলোচনা করো বা উপদেশ দাও; জিকির বা উপদেশে মুমিনদের কল্যাণ হয়।’ (সুরা জারিয়াত, আয়াত: ৫৫)। জিকিরের তিনটি স্তর রয়েছে: মনে স্মরণ করা, মুখে উচ্চারণ করা এবং কাজে বাস্তবায়ন করা।

জিকির দুই প্রকার: নীরব জিকরে খফি ও সরব জিকরে জলি। নীরব জিকরে খফি হলো মৌখিক জিকিরের নীরব প্রয়োগ, অর্থাৎ অনুচ্চ স্বরে দোয়া, দরুদ, তাসবিহ, তাহলিল ও তিলাওয়াত করা। আল্লাহ তাআলা বলেন, ‘তোমরা তোমাদের রবকে বিনয়ের সঙ্গে গোপনে ও নিঃশব্দে ডাকো।’ (সুরা আরাফ, আয়াত: ৫৫)। অন্যদিকে সরব জিকরে জলি হলো উচ্চ স্বরে দোয়া, দরুদ, তাসবিহ, তাহলিল ও তিলাওয়াত করা। তবে জিকরে জলির ক্ষেত্রে তিনটি শর্ত পালন করতে হবে: কোনো ইবাদতকারীর ইবাদতে বিঘ্ন ঘটানো যাবে না, কোনো ঘুমন্ত ব্যক্তির ঘুমের ব্যাঘাত ঘটানো যাবে না এবং কোনো অসুস্থ ব্যক্তির অস্বস্তির কারণ হওয়া যাবে না।

"জিকির অর্থ স্মরণ ও আলোচনা। পরিভাষায় জিকির হলো আল্লাহর সত্তা ও গুণাবলি স্মরণ, আলোচনা ও চর্চা করা। উপদেশ দেওয়া অর্থে ‘জিকর’ কোরআনে এসেছে। আল্লাহ–তাআলা বলেন, ‘তুমি জিকির বা আলোচনা করো বা উপদেশ দাও; জিকির বা উপদেশে মুমিনদের কল্যাণ হয়।’ (সুরা জারিয়াত, আয়াত: ৫৫)"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: বাংলাদেশ
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মুফতি মাওলানা শাঈখ মুহাম্মাদ উছমান গনী
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: আয়াত ৪৫, আয়াত ৫৫, আয়াত ২০৫, আয়াত ৬৩, আয়াত ৭

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖