📌 অজু করে ঘুমালে ফেরেশতারা আল্লাহর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করেন বলে হাদিসে উল্লেখ রয়েছে। এছাড়া রাতের দোয়া কবুল হওয়ার সম্ভাবনা বৃদ্ধি পায় এবং ছোট গুনাহ মাফ হয়। ঢাকাসহ পার্শ্ববর্তী এলাকার জন্য আজকের নামাজের সময়সূচিও প্রকাশিত হয়েছে
রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর সুন্নত অনুসারে অজু করে ঘুমাতে যাওয়া মুসলমানদের জন্য বিশেষ ফজিলতপূর্ণ একটি আমল। হাদিসে বর্ণিত হয়েছে, অজু করে শয্যা গ্রহণকারী ব্যক্তির জন্য ফেরেশতারা আল্লাহর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করেন। ইবন হিব্বান বর্ণিত হাদিস অনুযায়ী, মহানবী (সা.) বলেছেন, ‘যে ব্যক্তি অজু করে শয্যা গ্রহণ করে, তার শরীরের সঙ্গে থাকা কাপড়ে একজন ফেরেশতা রাত কাটান। যখনই সেই ব্যক্তি ঘুম থেকে জেগে ওঠে, তখন ফেরেশতা বলেন—হে আল্লাহ, আপনি অমুক বান্দাকে ক্ষমা করে দিন। নিশ্চয়ই সে অজু করে শয়ন করেছে।’
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 অজু করে ঘুমালে ফেরেশতারা আল্লাহর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করেন বলে হাদিসে উল্লেখ রয়েছে
- 📌 যে ব্যক্তি অজু করে শয্যা গ্রহণ করেন, তার সঙ্গে থাকা কাপড়ে একজন ফেরেশতা রাত কাটান
- 📌 অজু করে ঘুমালে রাতের দোয়া কবুল হওয়ার সম্ভাবনা বৃদ্ধি পায়
- 📌 অজু করার মাধ্যমে ছোট গুনাহ মাফ হয় এবং অন্তর পবিত্র হয়
- 📌 ঢাকা ও পার্শ্ববর্তী এলাকার জন্য আজকের নামাজের সময়সূচি প্রকাশিত হয়েছে
📰 বিস্তারিত
ইসলাম ধর্মে অজুকে একটি গুরুত্বপূর্ণ ইবাদত হিসেবে বিবেচনা করা হয়। রাসুলুল্লাহ (সা.) অজু করে ঘুমাতে যাওয়ার বিশেষ ফজিলত বর্ণনা করেছেন। তাঁর বর্ণনা অনুযায়ী, অজু করে শয্যা গ্রহণকারী ব্যক্তির সঙ্গে থাকা কাপড়ে একজন ফেরেশতা রাত কাটান। যখনই সেই ব্যক্তি ঘুম থেকে জেগে ওঠেন, তখন ফেরেশতা আল্লাহর কাছে তার জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করেন। ইবন হিব্বান বর্ণিত হাদিসে মহানবী (সা.) বলেছেন, ‘যে ব্যক্তি অজু করে শয্যা গ্রহণ করে, তার শরীরের সঙ্গে থাকা কাপড়ের মধ্যে একজন ফেরেশতা রাত কাটান। যখনই সেই ব্যক্তি ঘুম থেকে জেগে ওঠে, তখন ফেরেশতা বলেন—হে আল্লাহ, আপনি অমুক বান্দাকে ক্ষমা করে দিন। নিশ্চয়ই সে অজু করে শয়ন করেছে।’
এছাড়া সুনানে আবু দাউদে বর্ণিত অপর একটি হাদিস অনুযায়ী, যে ব্যক্তি রাতে জিকির-আজকার করে এবং অজু করে শোয়, তিনি যদি রাতে আল্লাহর কাছে কোনো কল্যাণ প্রার্থনা করেন, আল্লাহ তা কবুল করেন। রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘যেকোনো মুসলমান রাতে জিকির-আজকার তথা বিভিন্ন দোয়া পাঠ করে এবং অজু করে শোয়, সে যদি রাতে জেগে আল্লাহর কাছে দুনিয়া ও আখিরাতের কল্যাণ প্রার্থনা করে, তাহলে তিনি তাকে তা দান করেন।’
অজু করার মাধ্যমে ব্যক্তির ছোট ছোট গুনাহগুলো ঝরে পড়ে। ফলে তার অন্তর পবিত্র ও শান্ত হয়। এমন পবিত্র অবস্থায় ঘুমাতে গেলে মন ও শরীর প্রশান্তি লাভ করে। ইসলাম ধর্মে নামাজকে আধ্যাত্মিক প্রশান্তি ও জীবনের বরকত লাভের সর্বোত্তম মাধ্যম হিসেবে বিবেচনা করা হয়। প্রতিদিন সময়মতো নামাজ আদায় করা প্রতিটি মুসলমানের ওপর ফরজ।
‘যে ব্যক্তি অজু করে শয্যা গ্রহণ করে, তার শরীরের সঙ্গে থাকা কাপড়ের মধ্যে একজন ফেরেশতা রাত কাটান। যখনই সেই ব্যক্তি ঘুম থেকে জেগে ওঠে, তখন ফেরেশতা বলেন—হে আল্লাহ, আপনি অমুক বান্দাকে ক্ষমা করে দিন। নিশ্চয়ই সে অজু করে শয়ন করেছে।’ — ইবন হিব্বান
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: বাংলাদেশ
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: রাসুলুল্লাহ (সা.), ইবন হিব্বান
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৫ ঘণ্টা, ১ দিন
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!