📅 ১৯ আগস্ট ২০২৬, ১০:১৫ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

নবীজির প্রকৃত জন্মতারিখ নিয়ে ঐতিহাসিকদের মতভেদ: ৮, ৯, ১০ নাকি ১২ রবিউল আউয়াল?

নবীজির প্রকৃত জন্মতারিখ নিয়ে ঐতিহাসিকদের মতভেদ: ৮, ৯, ১০ নাকি ১২ রবিউল আউয়াল?

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 রবিউল আউয়াল মাসে নবীজির জন্মতারিখ নিয়ে মুসলিম বিশ্বে দীর্ঘদিন ধরে বিভ্রান্তি রয়েছে। ঐতিহাসিক বর্ণনা অনুযায়ী ২, ৮, ৯, ১০ ও ১২ রবিউল আউয়ালকে তাঁর জন্মতারিখ হিসেবে উল্লেখ করা হলেও আল-খোয়ারিজমির গণনা অনুযায়ী প্রকৃত তারিখ ছিল ৮ রবিউল আউয়াল

রবিউল আউয়াল মাস মুসলিম বিশ্বের জন্য একটি তাৎপর্যপূর্ণ সময়। এই মাসেই মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর জন্মদিন পালিত হয়। তবে তাঁর প্রকৃত জন্মতারিখ নিয়ে শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে রয়েছে মতভেদ। লোকমুখে প্রচলিত আছে ১২ রবিউল আউয়ালকে তাঁর জন্মদিন হিসেবে ধরা হলেও ঐতিহাসিক দলিল অনুযায়ী বিষয়টি এতটা সরল নয়।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 মহানবী (সা.)-এর জন্মদিন হিসেবে প্রচলিত রয়েছে ২, ৮, ৯, ১০ ও ১২ রবিউল আউয়ালের মত
  • 📌 প্রাক-ইসলামি আরবে ধারাবাহিক পঞ্জিকা না থাকায় সময় গণনা হতো উল্লেখযোগ্য ঘটনার ভিত্তিতে
  • 📌 আল-খোয়ারিজমির গণনা অনুযায়ী নবীজির জন্ম তারিখ ছিল ৮ রবিউল আউয়াল, যা খ্রিষ্টীয় বর্ষপঞ্জিতে ২০ এপ্রিল
  • 📌 ইবনে সাইয়িদ আন-নাসের বর্ণনা অনুযায়ী ৯ রবিউল আউয়ালকেও তাঁর জন্মতারিখ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে

📰 বিস্তারিত

প্রাক-ইসলামি আরবে কোনো ধারাবাহিক পঞ্জিকা ব্যবস্থা ছিল না। মানুষ সময় গণনা করত উল্লেখযোগ্য ঘটনার ভিত্তিতে। উদাহরণস্বরূপ, ইয়েমেনের শাসক আবরাহার হাতির বাহিনী নিয়ে কাবা আক্রমণের বছরকে সবাই ‘আমুল ফিল’ বা হস্তী বর্ষ হিসেবে চিনত। পরবর্তীতে কোনো ঘটনার সময় উল্লেখ করতে গিয়ে বলা হতো, হস্তী বর্ষের অমুক মাসে বা নবুয়তের অমুক বছরে। এই ধরনের আপেক্ষিক সময় গণনার কারণে শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে নবীজির জন্মতারিখ নিয়ে বিভিন্ন মত প্রচলিত হয়ে আসছে।

মহানবী (সা.) সোমবারে জন্মগ্রহণ করেছিলেন বলে বিশুদ্ধ বর্ণনায় উল্লেখ রয়েছে। তিনি নিজেই বলেছেন, এই দিনেই তাঁর ওপর প্রথম ওহি নাজিল হয়েছিল। (সহিহ মুসলিম, হাদিস: ১১৬২) তবে রবিউল আউয়াল মাসের কোন তারিখে তিনি জন্মগ্রহণ করেছিলেন, তা নিয়ে ঐতিহাসিকদের মধ্যে চারটি প্রধান মত রয়েছে: ২, ৮, ১০ ও ১২ রবিউল আউয়াল। ইমাম নববি তাঁর গ্রন্থে এই মতগুলোর উল্লেখ করেছেন। (নববি, তাহজিবুল আসমা ওয়াল লুগাত, ১/২৩)

ইবনে সাইয়িদ আন-নাস তাঁর গ্রন্থ ‘উয়ুনুল আসার ফি ফুনুনিল মাগাজি ওয়াশ শামায়িল ওয়াস সিয়ার’-এ আরও বিস্তৃত তালিকা উপস্থাপন করেছেন। সেখানে তিনি ৯ রবিউল আউয়ালের কথাও উল্লেখ করেছেন। (ইবনে সাইয়িদ আন-নাস, উয়ুনুল আসার, ১/৪১)

আল-খোয়ারিজমি নামে পরিচিত মধ্যযুগের প্রখ্যাত গণিতবিদ ও জ্যোতির্বিজ্ঞানী মুহাম্মদ ইবনে মুসা আল-খোয়ারিজমি (মৃ. ২৩২ হি.) নবীজির জন্মতারিখ নির্ধারণে একটি যাচাইযোগ্য গণনা পদ্ধতি প্রবর্তন করেন। তাঁর মতে, হস্তী বর্ষের মহররম মাস শুরু হয়েছিল জুমার দিনে। হাতির বাহিনী মক্কায় পৌঁছায় মহররমের তেরো দিন বাকি থাকতে, রোববারে। তাঁর হিসাব অনুযায়ী, হস্তী বর্ষের পঞ্চাশ দিন পর রবিউল আউয়াল মাসের আট তারিখ সোমবারে নবীজির জন্ম হয়, যা খ্রিষ্টীয় বর্ষপঞ্জিতে ২০ এপ্রিল। ইবনে কাসিরও তাঁর গ্রন্থে এই হিসাবের সত্যতা স্বীকার করেছেন। (ইবনে কাসির, আস-সিরাতুন নাবাবিয়্যা মুকতাদাবান মিনাল বিদায়া ওয়ান নিহায়া, ১/১৬০)

"হস্তী বর্ষের মহররম মাস শুরু হয়েছিল জুমার দিনে, আর হাতির বাহিনী মক্কায় পৌঁছায় মহররমের তেরো দিন বাকি থাকতে, রোববারে। তার ঠিক পঞ্চাশ দিন পর, রবিউল আউয়াল মাসের আট তারিখ সোমবারে জন্মগ্রহণ করেন নবীজি।"

তবে ইবনে দিহইয়া তাঁর গ্রন্থে দশ রবিউল আউয়ালকে নবীজির জন্মতারিখ হিসেবে উল্লেখ করেছেন। অন্যদিকে ইবনে আবদিল বার দুই রবিউল আউয়ালের কথা বলেছেন। এই মতভেদের কারণ হিসেবে প্রাচীন বর্ণনাগুলোর আপেক্ষিক সময় গণনা পদ্ধতিকেই দায়ী করা হয়।

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: প্রাক-ইসলামি আরব
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২, ৮, ৯, ১০, ১২
  • 🔢 হিজরি পূর্ব: ৫৩ বছর

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖