📌 ‘পেন বাংলাদেশ’ আয়োজিত এক সাহিত্য আলোচনা অনুষ্ঠানে ফারুক মঈনউদ্দীনের সাহিত্যিক উত্তরাধিকার, ভ্রমণগদ্য ও অনুবাদকর্ম নিয়ে বিশদ আলোচনা হয়। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক রফিক-উম-মুনীর চৌধুরী, কথাসাহিত্যিক পারভেজ হোসেন ও কবি লোপা মমতাজ ছিলেন আলোচক
ঢাকার ধানমন্ডিতে অবস্থিত ‘পেন বাংলাদেশ’ কার্যালয়ে গত ১৪ আগস্ট বিকেলে আয়োজিত এক সাহিত্য আলোচনা অনুষ্ঠানে ফারুক মঈনউদ্দীনের জীবন ও সাহিত্যকর্ম নিয়ে বিশদ আলোচনা হয়। অনুষ্ঠানটির সূচনা ছিল তাঁর সাহিত্য নিয়ে নির্ধারিত আলোচনা হলেও ক্রমে তা প্রাণবন্ত সাহিত্যিক কথোপকথনে রূপ নেয়।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ‘পেন বাংলাদেশ’ আয়োজিত অনুষ্ঠানে ফারুক মঈনউদ্দীনের সাহিত্যিক উত্তরাধিকার নিয়ে আলোচনা হয়
- 📌 আলোচক ছিলেন অধ্যাপক রফিক-উম-মুনীর চৌধুরী, কথাসাহিত্যিক পারভেজ হোসেন ও কবি লোপা মমতাজ
- 📌 অনুষ্ঠানটির সভাপতিত্ব করেন ইউনিভার্সিটি অব লিবারেল আর্টস বাংলাদেশের উপাচার্য অধ্যাপক সামসাদ মর্তূজা
- 📌 কবি লোপা মমতাজ তাঁর ভ্রমণগদ্য ‘সিংহল সমুদ্র থেকে মালয় সাগরে’ নিয়ে বিশ্লেষণ উপস্থাপন করেন
- 📌 অনুবাদক ফারুক মঈনউদ্দীনের ‘অনন্য জীবনানন্দ’ অনুবাদ নিয়ে আলোচনা করেন অধ্যাপক রফিক-উম-মুনীর চৌধুরী
- 📌 কথাসাহিত্যিক পারভেজ হোসেন তুলে ধরেন ফারুক মঈনউদ্দীনের গল্পকার সত্তা ও তাঁর গল্প নির্মাণের বৈশিষ্ট্য
📰 বিস্তারিত
‘পেন বাংলাদেশ’ আয়োজিত সাহিত্য আলোচনা অনুষ্ঠানে ফারুক মঈনউদ্দীনের সাহিত্যিক উত্তরাধিকার নিয়ে বিশদ আলোচনা হয়। অনুষ্ঠানটি শুরু হয়েছিল তাঁর সাহিত্যকর্ম নিয়ে নির্ধারিত আলোচনা দিয়ে, তবে ক্রমে তা প্রাণবন্ত সাহিত্যিক কথোপকথনে রূপান্তরিত হয়। উপস্থিত শ্রোতাদের প্রশ্ন ও লেখকের নিজের কথার মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানটির পরিসর আরও বিস্তৃত হয়।
কবি লোপা মমতাজ তাঁর আলোচনায় ফারুক মঈনউদ্দীনের ভ্রমণগদ্য ‘সিংহল সমুদ্র থেকে মালয় সাগরে’ নিয়ে বিশ্লেষণ উপস্থাপন করেন। তাঁর মতে, ফারুক মঈনউদ্দীনের ভ্রমণ শুধু স্থান থেকে স্থানান্তরে যাওয়া নয়, বরং তিনি নতুন ভূখণ্ডকে শব্দের মাধ্যমে আবিষ্কার করেন। তাঁর লেখায় প্রকৃতি, মানুষ, সংস্কৃতি ও ইতিহাস একাকার হয়ে ওঠে। লোপা মমতাজ দেখান, একজন সংবেদনশীল ভ্রমণলেখক কীভাবে চারপাশের দৃশ্যের সঙ্গে ইতিহাস ও সংস্কৃতির যোগসূত্র তৈরি করেন।
অধ্যাপক রফিক-উম-মুনীর চৌধুরী আলোচনা করেন অনুবাদক ফারুক মঈনউদ্দীনের কাজ নিয়ে। বিশেষভাবে উঠে আসে তাঁর ক্লিন্টন বি সিলির ‘আ পোয়েট এপার্ট’ গ্রন্থের বাংলা অনুবাদ ‘অনন্য জীবনানন্দ’। তিনি জানান, ফারুক মঈনউদ্দীন মূল লেখকের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রেখে অনুবাদটি সম্পন্ন করেন। এই অনুবাদটির জন্য তিনি আইএফআইসি ব্যাংক সাহিত্য পুরস্কার লাভ করেন।
কথাসাহিত্যিক পারভেজ হোসেন আলোচনা করেন ফারুক মঈনউদ্দীনের গল্পকার সত্তা নিয়ে। তাঁর আলোচনায় উঠে আসে শ্রমজীবী মানুষের জীবনসংগ্রাম ও তাঁদের সম্পর্কের জটিলতা। তিনি উদাহরণ হিসেবে ‘শারীরবৃত্তীয়’ গল্পটির কথা উল্লেখ করেন, যেখানে পোশাক কারখানায় কর্মরত এক মা ও তাঁর মেয়ের জীবনযুদ্ধ তুলে ধরা হয়েছে।
"ভ্রমণ শুধু স্থান থেকে স্থানান্তরে যাওয়া নয়, নতুন ভূখণ্ডকে শব্দের মাধ্যমে আবিষ্কার করা।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ধানমন্ডি, ঢাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ফারুক মঈনউদ্দীন, রফিক-উম-মুনীর চৌধুরী, পারভেজ হোসেন, লোপা মমতাজ, সামসাদ মর্তূজা
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: নয়টি সংস্করণ
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!