📅 ২৯ আগস্ট ২০২৬, ৫:১০ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

পুরান ঢাকার সেই টমটম যাত্রা: শিশুকালের অবাধ্য স্বপ্ন আর মায়ের আদরের শাস্তি

পুরান ঢাকার সেই টমটম যাত্রা: শিশুকালের অবাধ্য স্বপ্ন আর মায়ের আদরের শাস্তি

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 ১৯৫৩ সালের পুরান ঢাকার আলুবাজারে টমটমে চড়ার দুর্ঘটনা শিশু লেখকের জীবনের একটি অবিস্মরণীয় স্মৃতি হয়ে আছে। ঘোড়ার গাড়ির পেছনে উঠতে গিয়ে পড়ে যাওয়া সেই ঘটনা তাকে শাস্তি পেতে হলেও মায়ের আদরে শেষ হয়েছিল

পুরান ঢাকার আলুবাজারের ভাড়া বাড়িতে থাকাকালীন সময়ে লেখকের শৈশবের একটি অবিস্মরণীয় ঘটনা। ১৯৫৩-৫৪ সালের দিকে মাত্র পাঁচ বছর বয়সে লেখক তার পরিবারের সাথে সেই বাড়িতে উঠেছিলেন। সেখানে থাকতেন তার বড় বোন, ছোট ভাই এবং মেজ খালা, যিনি ইডেন কলেজে ভর্তি হওয়ার পর প্রতিদিন টমটম নামের ঘোড়ার গাড়িতে কলেজে যেতেন। সেই গাড়ির চালক কোচোয়ান ঘোড়াগুলোকে নিয়ন্ত্রণ করার জন্য ছড়ির সাহায্যে নির্দেশ দিতেন।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 ১৯৫৩-৫৪ সালে পুরান ঢাকার আলুবাজারে লেখকের পরিবারের ভাড়া বাড়িতে টমটম নামের ঘোড়ার গাড়ির প্রচলন ছিল।
  • 📌 লেখকের মেজ খালা ইডেন কলেজে ভর্তি হওয়ার পর প্রতিদিন সকালে টমটমে চড়ে কলেজে যেতেন।
  • 📌 গাড়ির চালক কোচোয়ান ছড়ির সাহায্যে ঘোড়াগুলোকে নির্দেশ দিতেন, যার ফলে ঘোড়াগুলো বিভিন্ন দিকে মাথা ঘোরাত।
  • 📌 লেখকও টমটমে চড়ার ইচ্ছায় গাড়ির পেছনে উঠেছিলেন, কিন্তু পড়ে যাওয়ার ফলে তার হাঁটুতে রক্তক্ষরণ হয়।
  • 📌 লেখকের মা তাকে কান ধরে কথা দেওয়ার আদেশ দেন এবং পরে মিটফোর্ড হাসপাতাল থেকে চিকিৎসা নিয়ে আসেন।

📰 বিস্তারিত

পুরান ঢাকার আলুবাজারের ভাড়া বাড়িতে লেখকের পরিবারের সাথে থাকতেন তার মেজ খালা, যিনি ইডেন কলেজে ভর্তি হওয়ার পর প্রতিদিন সকালে টমটম নামের ঘোড়ার গাড়িতে কলেজে যেতেন। সেই গাড়িতে দুই-তিনজন করে বসার ব্যবস্থা ছিল এবং এলাকার সবাই একে ‘টমটম’ নামে ডাকত। গাড়ির চালক কোচোয়ান ঘোড়াগুলোকে নিয়ন্ত্রণ করার জন্য ছড়ির সাহায্যে নির্দেশ দিতেন, যার ফলে ঘোড়াগুলো বিভিন্ন দিকে মাথা ঘোরাত। লেখক প্রতিদিন দেখতেন যে, গাড়িটি যখন বড় রাস্তায় উঠার জন্য মোড় নিত, তখন পাড়ার কিছু ছেলে-মেয়ে গাড়ির পেছনে উঠে বসত।

একদিন লেখকও সেই গাড়ির পেছনে উঠেছিলেন। কিন্তু গাড়ি চলতে শুরু করলে তিনি ভয় ও উত্তেজনায় হাত-পা কাঁপছিলেন। গাড়ি যখন মোড়ে এসে থামল, তখন লেখকও লাফ দিয়ে নামতে গিয়ে ধপ করে পড়ে যান। তার হাঁটুতে রক্ত পড়ছিল এবং তিনি হাঁটতে পারছিলেন না। লেখকের মা তাকে কান ধরে কথা দেওয়ার আদেশ দেন এবং পরে মিটফোর্ট হাসপাতাল থেকে অ্যান্টিটিটেনাস ইনজেকশন ও ওষুধ নিয়ে আসেন। লেখকের ঠিকভাবে হাঁটতে অনেক দিন লেগেছিল।

পুরান ঢাকার সেই টমটম যাত্রা লেখকের জীবনের একটি অবিস্মরণীয় স্মৃতি হয়ে আছে। ব্যথা ভুলে গেলেও সেই দিনের ভয় আর মায়ের আদরের শাস্তির কথা আজও তার মনে অমলিন।

"আম্মা তো আজ আমাকে খুব কঠিন শাস্তি দেবেন। কেমন করে আমি এই অবস্থায় ওনার সামনে গিয়ে দাঁড়াব!"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: পুরান ঢাকা, আলুবাজার
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: লেখক, মেজ খালা, চালক (কোচোয়ান)
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৯৫৩-৫৪ সাল

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖