📅 ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ৫:২৪ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

নবীজির পাঁচটি আমল যা ঘরকে আধ্যাত্মিক ও দুনিয়াবি নিরাপত্তা দান করে

নবীজির পাঁচটি আমল যা ঘরকে আধ্যাত্মিক ও দুনিয়াবি নিরাপত্তা দান করে

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 ইসলামে ঘরকে নিরাপদ ও বরকতময় রাখতে নবীজি (সা.) পাঁচটি বিশেষ আমল শেখান। সুরা বাকারা পাঠ, সালাম দিয়ে প্রবেশ, 'বিসমিল্লাহ' বলে দরজা বন্ধ, প্রাণীর ছবি মুক্ত রাখা এবং রাতে আয়াতুল কুরসি পাঠ — এগুলো ঘরকে শয়তান ও অদৃশ্য বিপদ থেকে রক্ষা করে

দিনের শেষে মানুষের আশ্রয়স্থল হলো নিজের ঘর। কিন্তু শুধু তালা বা প্রহরীর ব্যবস্থা নিরাপত্তা নিশ্চিত করে না। ইসলামে ঘরকে আধ্যাত্মিক ও দুনিয়াবি বিপদ থেকে সুরক্ষিত রাখতে নবীজি (সা.) পাঁচটি বিশেষ আমল শেখান। এগুলো অনুসরণ করলে ঘরকে জিন-শয়তানের উপদ্রব থেকে রক্ষা করা যায় এবং বরকতময় করে তোলা সম্ভব।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 সুরা বাকারা পাঠ ঘরকে শয়তান ও জিনের উপদ্রব থেকে নিরাপদ রাখে; রাসুল (সা.) বলেছেন, ‘তোমরা তোমাদের ঘরগুলোকে কবরস্থান বানিয়ো না’ — সুরা বাকারা পাঠের ঘর থেকে শয়তান পলায়ন করে (সহিহ মুসলিম, হাদিস: ৭৮০)।
  • 📌 প্রবেশের সময় সালাম দেওয়া কোরআনের নির্দেশে, ঘরে প্রবেশের সময় সালাম দেওয়া বরকত আনয়ন করে। আল্লাহ বলেন, ‘তোমরা যখন কোনো ঘরে প্রবেশ করবে, তখন সালাম করবে’ (সুরা নুর, আয়াত: ৬১)।
  • 📌 ‘বিসমিল্লাহ’ বলে দরজা বন্ধ করা সন্ধ্যা বা রাতে দরজা বন্ধ করার সময় ‘বিসমিল্লাহ’ বলা শয়তানের প্রভাব থেকে ঘরকে সুরক্ষিত রাখে (সহিহ বুখারি, হাদিস: ৩২২০)।
  • 📌 প্রাণীর ছবি মুক্ত রাখা ঘরে প্রাণীর পূর্ণাঙ্গ ছবি বা ভাস্কর্য থাকলে রহমতের ফেরেশতা প্রবেশ করেন না (সহিহ বুখারি, হাদিস: ৩২২৫)।
  • 📌 রাতে আয়াতুল কুরসি পাঠ ঘুমানোর আগে আয়াতুল কুরসি পাঠ করলে আল্লাহর পক্ষ থেকে একজন ফেরেশতা পাহারা দেন (সহিহ বুখারি, হাদিস: ৩২১১)।

📰 বিস্তারিত

ঘরকে শয়তান ও জিনের উপদ্রব থেকে নিরাপদ রাখার সবচেয়ে কার্যকর উপায় হলো কোরআন পাঠ। বিশেষ করে সুরা বাকারা পাঠের ঘরকে হাদিসে কবরস্থানের সঙ্গে তুলনা করা হয়েছে। রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘তোমরা তোমাদের ঘরগুলোকে কবরস্থান বানিয়ো না; নিশ্চয়ই শয়তান ওই ঘর থেকে পলায়ন করে, যে ঘরে সুরা বাকারা তিলাওয়াত করা হয়’। প্রতিদিন পাঠ করা সম্ভব না হলেও মাঝে মাঝে এই আমল চর্চা করা উত্তম।

ঘরে প্রবেশের সময় সালাম দেওয়া একটি গুরুত্বপূর্ণ সুন্নাহ। কোরআনে বলা হয়েছে, ‘তোমরা যখন কোনো ঘরে প্রবেশ করবে, তখন সালাম করবে’ (সুরা নুর, আয়াত: ৬১)। সাহাবি আনাস (রা.) থেকে বর্ণিত, নবীজি বলেছেন, ‘হে বৎস, তুমি যখন তোমার পরিবারের কাছে প্রবেশ করবে, তখন সালাম দেবে; এতে তোমার এবং তোমার পরিবারের জন্য বরকত হবে’ (সুনানে তিরমিজি, হাদিস: ২৬৯৮)।

সন্ধ্যা বা রাতে ঘুমানোর আগে দরজা বন্ধ করার সময় ‘বিসমিল্লাহ’ বলা একটি গুরুত্বপূর্ণ আমল। রাসুল (সা.) বলেছেন, ‘তোমরা আল্লাহর নাম নিয়ে দরজা বন্ধ করো; কারণ শয়তান বন্ধ দরজা খুলতে পারে না’ (সহিহ বুখারি, হাদিস: ৩২২০)। একইভাবে, পানিপাত্র বা খাবারের থালাও ‘বিসমিল্লাহ’ বলে ঢেকে রাখা উচিত।

ঘরে প্রাণীর পূর্ণাঙ্গ ছবি বা ভাস্কর্য থাকলে রহমতের ফেরেশতা প্রবেশ করেন না। রাসুল (সা.) বলেছেন, ‘যে ঘরে কুকুর বা প্রাণী ও মানুষের ছবি থাকে, সে ঘরে (রহমতের) ফেরেশতা প্রবেশ করেন না’ (সহিহ বুখারি, হাদিস: ৩২২৫)। হানাফি ফিকহে বলা হয়েছে, এমন ছবি বা মূর্তি ঝুলিয়ে রাখা মাকরুহ তাহরিমি, যা দেখলে প্রাণীর পূর্ণাঙ্গ আকৃতি বোঝা যায়।

রাতে ঘুমানোর আগে আয়াতুল কুরসি পাঠ করা একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ আমল। হাদিসে বর্ণিত, এক ব্যক্তি আবু হোরাইরা (রা.)-কে শিখিয়ে দেয় যে, আয়াতুল কুরসি পাঠ করলে আল্লাহর পক্ষ থেকে একজন ফেরেশতা পাহারা দেন। নবীজি (সা.) বলেন, ‘সে নিজে চরম মিথ্যুক হলেও তোমাকে সম্পূর্ণ সত্য কথাই বলেছে’ (সহিহ বুখারি, হাদিস: ৩২১১)।

"‘তোমরা তোমাদের ঘরগুলোকে কবরস্থান বানিয়ো না; নিশ্চয়ই শয়তান ওই ঘর থেকে পলায়ন করে, যে ঘরে সুরা বাকারা তিলাওয়াত করা হয়।’ — রাসুলুল্লাহ (সা.)

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: ঘর (বাড়িঘর)
  • 👥 মুখ্য ব্যক্তি: রাসুলুল্লাহ (সা.), সাহাবি আনাস (রা.), আবু হোরাইরা (রা.)
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৫টি আমল; হাদিস: ৭৮০, ৬১, ৩২২০, ৩২২৫, ৩২১১

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖