📅 ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ৩:১৪ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

কোরআনের ১১৪টি সুরার মধ্যে একমাত্র সুরা তওবায় বিসমিল্লাহ না থাকার গভীর কারণ কী?

কোরআনের ১১৪টি সুরার মধ্যে একমাত্র সুরা তওবায় বিসমিল্লাহ না থাকার গভীর কারণ কী?

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 কোরআনের ১১৪টি সুরার মধ্যে শুধু সুরা তওবায় বিসমিল্লাহের অভাব রয়েছে। খলিফা ওসমান ইবনে আফফানের বর্ণনা অনুযায়ী, নবী (সা.) এর ইন্তেকালের আগে সুরা তওবা ও আনফালের সম্পর্ক স্পষ্ট না হওয়ায় দুটিকে পাশাপাশি রাখা হয় এবং বিসমিল্লাহ বাদ দেওয়া হয়। আরবের ঐতিহ্য, সাহাবীদের মতভেদ এবং সুরার বিষয়বস্তুর সাথে বিসমিল্লাহের অসঙ্গতি এই অভাবের কারণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়

কোরআনের ১১৪টি সুরার মধ্যে শুধুমাত্র সুরা তওবায় বিসমিল্লাহের অভাব রয়েছে। এই বিষয়ে আলোচনা করার সময় খলিফা ওসমান ইবনে আফফানের বর্ণনা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। কোরআনের প্রতিটি শব্দের গুরুত্ব বিবেচনা করেই এই বিষয়টি আলোচনা করা হয়েছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 কোরআনের ১১৪টি সুরার মধ্যে ১১৩টি সুরা ‘বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম’ দিয়ে শুরু হয়েছে, ব্যতিক্রম শুধু সুরা তওবা।
  • 📌 খলিফা ওসমান ইবনে আফফান বলেছেন, নবী (সা.) ইন্তেকালের আগে সুরা তওবা ও আনফালের সম্পর্ক স্পষ্ট না হওয়ায় দুটিকে পাশাপাশি রাখা হয় এবং বিসমিল্লাহ বাদ দেওয়া হয়।
  • 📌 সুরা তওবায় মুশরিকদের সঙ্গে চুক্তি বাতিলের ঘোষণা ছিল, তাই বিসমিল্লাহের অভাব ছিল জাহেলি আরবের ঐতিহ্য অনুযায়ী।
  • 📌 সাহাবীদের মতভেদের কারণে সুরা তওবা ও আনফালকে এক সুরা হিসেবে গণ্য করা হয়েছিল, তাই বিসমিল্লাহ বাদ দেওয়া হয়।
  • 📌 সুরা তওবায় রহমত ও নিরাপত্তার অভাব থাকায় বিসমিল্লাহের অভাব রয়েছে, কারণ সুরাটি যুদ্ধ ও ক্রোধ নিয়ে অবতীর্ণ হয়েছিল।

📰 বিস্তারিত

কোরআনের ১১৪টি সুরার মধ্যে ১১৩টি সুরা ‘বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম’ দিয়ে শুরু হয়েছে। ব্যতিক্রম শুধুমাত্র সুরা তওবা। আল্লাহর কালামের প্রতিটি শব্দ সযত্নে সংরক্ষিত থাকলেও এই সুরার শুরুতে বিসমিল্লাহের অভাবের কারণ কী? খলিফা ওসমান ইবনে আফফানের বর্ণনা এ বিষয়ে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।

আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস (রা.) খলিফা ওসমানকে জিজ্ঞেস করেন, সুরা আনফাল ও সুরা তওবা বিষয়বস্তুতেও মিল থাকলেও কেন দুটি সুরা পাশাপাশি রাখা হয়েছে এবং মাঝখানে বিসমিল্লাহ লেখা হয়নি। ওসমান (রা.) বলেন, নবীজি (সা.) ইন্তেকালের আগে সুরা তওবা ও আনফালের সম্পর্ক স্পষ্ট করে দেননি। আনফাল মদিনায় অবতীর্ণ হওয়া প্রথম দিকের সুরাগুলোর একটি, আর তওবা ছিল শেষ দিকে নাজিল হওয়া অংশের অন্যতম।

সুরা আনফালে বদরের যুদ্ধ, যুদ্ধলব্ধ সম্পদ, আল্লাহ ও রাসুলের আনুগত্য এবং মুসলমানদের পারস্পরিক সম্পর্কের কথা উল্লেখ করা হয়েছে। আর সুরা তওবায় মুশরিকদের সঙ্গে চুক্তি বাতিলের ঘোষণা ছিল। নবীজি আলীকে হজের মৌসুমে সুরা তওবা পাঠ করতে পাঠালে তিনি তৎকালীন আরবের রীতি অনুযায়ী বিসমিল্লাহ পড়েননি।

তাফসিরের কিতাবে সুরা তওবায় বিসমিল্লাহ না থাকার আরও তিনটি কারণ উল্লেখ করা হয়েছে:

"আরবদের রীতি: জাহেলি যুগে কোনো গোত্রের সঙ্গে চুক্তি ভাঙতে চাইলে আরবরা বিসমিল্লাহ ছাড়া চিঠি লিখত। সুরা তওবায় মুশরিকদের সঙ্গে চুক্তি বাতিলের ঘোষণা ছিল।"

সাহাবিদের মতভেদের কারণে সুরা তওবা ও আনফালকে এক সুরা হিসেবে গণ্য করা হয়েছিল। তাই বিসমিল্লাহ বাদ দেওয়া হয়। বিসমিল্লাহতে আল্লাহর দুটি গুণবাচক নাম রয়েছে, আর-রহমান ও আর-রহিম। তাই কারও মনে হতে পারে, সুরা তওবায় রহমত ও ক্ষমার স্থান নেই বলেই বিসমিল্লাহ বাদ পড়েছে।

আলী (রা.) বলেন, বিসমিল্লাহ হলো আমান (নিরাপত্তা), আর সুরা তওবা অবতীর্ণ হয়েছে তরবারি নিয়ে, এতে নিরাপত্তা নেই। ইবনে আব্বাসের প্রশ্নের জবাবে আলী (রা.) বলেন, বিসমিল্লাহ রহমত আর তওবা অবতীর্ণ হয়েছে ক্রোধ নিয়ে।

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: মদিনা (সুরা আনফাল ও তওবা অবতীর্ণ)
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: খলিফা ওসমান ইবনে আফফান, আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস, নবীজি (সা.), আলী (রা.)
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১১৪টি সুরা, ১১৩টি সুরা বিসমিল্লাহ দিয়ে শুরু, সুরা আনফালের আয়াত ৪৬, সুরা তওবা আয়াত ১ ও ২৭, তাফসিরের ৩টি কারণ

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖