📅 ১৯ আগস্ট ২০২৬, ১০:১৪ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

জহির রায়হানের চলচ্চিত্র দর্শনে আইজেনস্টাইনের প্রভাব ও বুর্জোয়া শিল্পের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ

জহির রায়হানের চলচ্চিত্র দর্শনে আইজেনস্টাইনের প্রভাব ও বুর্জোয়া শিল্পের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 চলচ্চিত্র শিল্পের মহান নির্মাতা জহির রায়হান আইজেনস্টাইনের চলচ্চিত্র দর্শন দ্বারা প্রভাবিত ছিলেন। তিনি মার্কিন বুর্জোয়া চলচ্চিত্রের বিরুদ্ধে তীব্র সমালোচনা করে বলেন, এটি কেবল মুনাফার মাধ্যম। তাঁর লেখায় উঠে আসে সোভিয়েত বিপ্লবের ৫০ বছর উদযাপনের প্রেক্ষাপট

বিশ শতকের চলচ্চিত্র নির্মাণের ইতিহাসে জহির রায়হান ছিলেন এক অনন্য নাম। তাঁর চলচ্চিত্র দর্শন ও চিন্তাধারা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র তাত্ত্বিক সার্গেই আইজেনস্টাইনের দর্শনের দ্বারা গভীরভাবে প্রভাবিত ছিল। আইজেনস্টাইন চলচ্চিত্রকে শিল্প হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করার ক্ষেত্রে যে দ্বান্দ্বিক প্রক্রিয়ার কথা বলেছিলেন, তা জহির রায়হানের চলচ্চিত্র নির্মাণেও প্রতিফলিত হয়েছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 জহির রায়হান আইজেনস্টাইনের চলচ্চিত্র দর্শনকে মহৎ শিল্প হিসেবে বর্ণনা করেছেন তাঁর ১৯৬৭ সালের প্রবন্ধে।
  • 📌 মার্কিন বুর্জোয়া চলচ্চিত্রকে তিনি মুনাফা অর্জনের মাধ্যম হিসেবে অভিহিত করেন।
  • 📌 আইজেনস্টাইনের ‘Battleship Potemkin’-কে তিনি চলচ্চিত্রের মহাকাব্য হিসেবে তুলনা করেছেন।
  • 📌 জহির রায়হান মার্কিন পরিচালক গ্রিফিথের চলচ্চিত্রকে অর্ধেক সত্য ও অর্ধেক জীবন হিসেবে বর্ণনা করেন।
  • 📌 সোভিয়েত ইউনিয়নের অক্টোবর বিপ্লবের ৫০ বছর উদযাপনে প্রকাশিত স্মরণিকায় তাঁর প্রবন্ধটি প্রকাশিত হয়েছিল।

📰 বিস্তারিত

চলচ্চিত্র নির্মাতা জহির রায়হান তাঁর লেখনীতে বারবার উল্লেখ করেছেন যে, চলচ্চিত্র শিল্পের বিকাশ ও প্রসার ঘটেছে দ্বান্দ্বিক প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে। সার্গেই আইজেনস্টাইন, যিনি চলচ্চিত্রকে শিল্প হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করার ক্ষেত্রে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছিলেন, তাঁর দর্শন জহির রায়হানের চলচ্চিত্র চিন্তায় গভীর প্রভাব ফেলেছিল। আইজেনস্টাইন মনে করতেন, চলচ্চিত্র কেবল বিনোদনের মাধ্যম নয়, এটি সমাজের দ্বন্দ্ব ও পরিবর্তনের প্রতিফলন ঘটায়।

জহির রায়হান তাঁর প্রবন্ধে উল্লেখ করেন যে, মার্কিন চলচ্চিত্র শিল্প মূলত পুঁজিবাদী ব্যবস্থার প্রতিফলন। তিনি বলেন, ‘বুর্জোয়া সিনেমার এক এবং একমাত্র লক্ষ্য হচ্ছে মুনাফা।’ তাঁর মতে, মার্কিন পরিচালকদের চলচ্চিত্রে অর্ধেক সত্য ও অর্ধেক জীবন প্রতিফলিত হয়, যা পরবর্তীকালে সোভিয়েত পরিচালকদের হাতে পরিপূর্ণ শিল্প হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়।

১৯৬৭ সালে সোভিয়েত ইউনিয়নের অক্টোবর সমাজতান্ত্রিক বিপ্লবের ৫০তম বার্ষিকী উপলক্ষে প্রকাশিত ‘তরঙ্গ’ নামের স্মরণিকায় জহির রায়হানের প্রবন্ধটি প্রকাশিত হয়েছিল। এই প্রবন্ধে তিনি আইজেনস্টাইনের চলচ্চিত্র দর্শনের প্রশংসা করেন এবং মার্কিন বুর্জোয়া চলচ্চিত্রের বিরুদ্ধে তীব্র সমালোচনা করেন। তাঁর মতে, চলচ্চিত্র শিল্পকে কেবল বিনোদনের মাধ্যম হিসেবে ব্যবহার করা উচিত নয়, এটি সমাজের পরিবর্তনের হাতিয়ার হওয়া উচিত।

"সাহিত্যে যেমন তলস্তয়ের ‘War and Peace’, কাব্যের যেমন মিল্টনের ‘Paradise Lost and Paradise Regained’, পেইন্টিংয়ে যেমন দ্য ভিঞ্চির ‘Last Supper’ তেমনি চলচ্চিত্রে আইজেস্টাইনের ‘Battleship Potemkin’ একটি ক্ল্যাসিক। একটি মহাকাব্য।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: বাংলাদেশ
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: জহির রায়হান
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: সার্গেই আইজেনস্টাইন
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৫০

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖