📅 ১৯ আগস্ট ২০২৬, ৭:৪৩ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

বুদ্ধিজীবীর দায়িত্ব ক্ষমতার বিরুদ্ধে দাঁড়ানো, পাশে নয়

বুদ্ধিজীবীর দায়িত্ব ক্ষমতার বিরুদ্ধে দাঁড়ানো, পাশে নয়

📷 ছবি: দেশজোগ

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 বাংলাদেশের স্বাধীনতার পর থেকেই বুদ্ধিজীবীদের একাংশ স্বৈরাচারী শাসনের পক্ষে যুক্তি দাঁড় করিয়েছেন ধর্ম, ভারতবিরোধিতা বা উন্নয়নের নামে। আলতাফ হোসেন ও সৈয়দ সাজ্জাদ হোসেনের মতো ব্যক্তিরা পাকিস্তানি শাসনের সমর্থক ছিলেন। গ্রামসি ও অরওয়েলের তত্ত্ব অনুসারে, ক্ষমতার পক্ষে কলম ধরেছেন তাঁরা

সিলেটের আলতাফ হোসেন থেকে শুরু করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সৈয়দ সাজ্জাদ হোসেন — বাংলাদেশের ইতিহাসে এমন অনেক বুদ্ধিজীবী রয়েছেন যাঁরা স্বৈরাচারী শাসনের পক্ষে কলম ধরেছেন ধর্ম, ভারতবিরোধিতা বা উন্নয়নের নামে। তাঁদের যুক্তি ছিল ক্ষমতার বিরুদ্ধে নয়, বরং ক্ষমতার পক্ষে দাঁড়ানোই প্রকৃত বুদ্ধিজীবীর কাজ।

🔴 স্বৈরাচারের পক্ষে বুদ্ধিজীবীদের ভূমিকা

  • 📌 আলতাফ হোসেন ছিলেন পাকিস্তানপন্থী, যিনি আইয়ুব খানের আমলে ডন পত্রিকার সম্পাদক হিসেবে বাঙালিদের পাকিস্তানি ও মুসলমান বানানোর কাজে নিয়োজিত ছিলেন।
  • 📌 আইয়ুব খান তাঁকে নিজ মন্ত্রিসভায় স্থান দিয়েছিলেন তাঁর কর্মকাণ্ডের জন্য।
  • 📌 সৈয়দ সাজ্জাদ হোসেন ১৯৭১ সালে পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর গণহত্যাকে সমর্থন করেছিলেন এবং পরবর্তীতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য পদ লাভ করেন।
  • 📌 গ্রামসি ও অরওয়েলের তত্ত্ব অনুসারে, বুদ্ধিজীবীরা ক্ষমতার পক্ষে যুক্তি দাঁড় করিয়ে স্বৈরাচারকে বৈধতা দেন।

📰 বুদ্ধিজীবীর প্রকৃত দায়িত্ব

বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর থেকেই দেশে গণতন্ত্রের পরিবর্তে কর্তৃত্ববাদী শাসন ব্যবস্থা বিরাজমান। এই সময়ে অনেক বুদ্ধিজীবী ধর্ম, ভারতবিরোধিতা, মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বা উন্নয়নের নামে স্বৈরাচারের পক্ষে যুক্তি দাঁড় করিয়েছেন। তাঁদের মতে, ক্ষমতার বিরুদ্ধে দাঁড়ানো নয়, বরং ক্ষমতার সঙ্গে সখ্য গড়ে তোলাই ছিল প্রকৃত বুদ্ধিজীবীর কাজ।

আন্তোনিও গ্রামসির প্রিজন নোটবুকস অনুসারে, সবাই বুদ্ধিজীবী নয়। যাঁরা ক্ষমতার পক্ষে যুক্তি দাঁড় করান, তাঁরাই প্রকৃতপক্ষে ক্ষমতার দোসর। তাঁদের তৈরি বয়ান ছাড়া স্বৈরাচারের পক্ষে টিকে থাকা অসম্ভব। স্তালিন, হিটলার বা আইয়ুব খানের মতো শাসকদের জন্য এসব বুদ্ধিজীবীরা ছিলেন জ্বালানি স্বরূপ।

জর্জ অরওয়েল দেখিয়েছেন, রাজনৈতিক ভাষার মাধ্যমে সত্যকে মিথ্যা এবং মিথ্যাকে সত্য হিসেবে প্রতিষ্ঠা করা যায়। দেশের খ্যাতিমান বুদ্ধিজীবীরা এই কাজটি সবচেয়ে ভালোভাবে করতে সক্ষম। তাঁদের কথা মানুষ মন দিয়ে শোনে এবং বিশ্বাস করে। ফলে তাঁদের ওকালতিতে শুধু মিথ্যাই নয়, ঠান্ডা মাথার গুম-খুনও পার পেয়ে যায়।

"বুদ্ধিজীবীর প্রধান কাজ ক্ষমতার সঙ্গে সখ্য নয়, বরং ক্ষমতার কেন্দ্রে অনবরত আঘাত করা। তাঁরা উল্টোটা করেছিলেন। স্বৈরাচারের পক্ষে যুক্তি দাঁড় করিয়ে তাঁরা নিজেদের দায়িত্ব পালন করেননি।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: বাংলাদেশ, ভারত, পাকিস্তান, জার্মানি
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: আলতাফ হোসেন, সৈয়দ সাজ্জাদ হোসেন, আইয়ুব খান
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: উল্লেখ নেই

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

🏷️ ট্যাগসমূহ: #মতামত #বুদ্ধিজীবী
📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖