📅 ২১ আগস্ট ২০২৬, ৪:৪৪ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

স্থপতি মাজহারুল ইসলামের মুখে বাংলাদেশের আধুনিক স্থাপত্যের গোড়ার কথা

স্থপতি মাজহারুল ইসলামের মুখে বাংলাদেশের আধুনিক স্থাপত্যের গোড়ার কথা

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 স্থপতি মাজহারুল ইসলামের সঙ্গে ১৯৯৮ সালের এক আলাপচারিতায় উঠে এসেছে বাংলাদেশের চারুকলা ইনস্টিটিউট ভবনের নির্মাণকাহিনী। তাঁর নেতৃত্বেই শুরু হয়েছিল দেশের আধুনিক স্থাপত্যশিল্পের যাত্রা, যা স্থাপত্যশিল্পের মান ও পরিবেশ সচেতনতায় নতুন দিগন্ত উন্মোচন করে

স্থপতি মাজহারুল ইসলামের সঙ্গে ১৯৯৮ সালের ২৭ নভেম্বর প্রথম আলোর সাময়িকীতে প্রকাশিত একটি ঐতিহাসিক আলাপচারিতা সম্প্রতি অনলাইনে প্রকাশ করেছে প্রথম আলো। সাক্ষাৎকারটি গ্রহণ করেছিলেন রবিউল হুসাইন। আলাপচারিতায় উঠে এসেছে বাংলাদেশের আধুনিক স্থাপত্যের গোড়াপত্তনকারী এই স্থপতির জীবনদর্শন, তাঁর কর্মযজ্ঞ এবং দেশের চারুকলা বিকাশে তাঁর অসামান্য অবদান।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 স্থপতি মাজহারুল ইসলামের সঙ্গে আলাপচারিতা প্রকাশিত হয়েছিল ১৯৯৮ সালের ২৭ নভেম্বর প্রথম আলোর সাময়িকীতে
  • 📌 আলাপচারিতাটি গ্রহণ করেছিলেন রবিউল হুসাইন, সাক্ষাৎকারটি হয়েছিল ইসলাম সাহেবের বাসভবনে
  • 📌 যুক্তরাষ্ট্রের অরেগন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্থাপত্যে ব্যাচেলর ডিগ্রি নিয়ে দেশে ফেরেন মাজহারুল ইসলাম ১৯৫৩ সালে
  • 📌 বাংলাদেশের চারুকলা ইনস্টিটিউট ভবনের নকশা করেছিলেন মাজহারুল ইসলাম, যা নির্মাণ শুরু হয়েছিল ১৯৫৩ সালের জুন মাসে
  • 📌 শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিনের সঙ্গে তাঁর গভীর বন্ধুত্ব ছিল এবং তিনি এই ভবনের নকশায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিলেন

📰 বিস্তারিত

স্থপতি মাজহারুল ইসলামের সঙ্গে আলাপচারিতাটি প্রকাশিত হয়েছিল ১৯৯৮ সালের ২৭ নভেম্বর প্রথম আলোর সাময়িকীতে। সাক্ষাৎকারটি গ্রহণ করেছিলেন রবিউল হুসাইন। আলাপচারিতার সময় ছিল সন্ধ্যা, যখন পরীবাগ এলাকায় পুরোনো আমলের টানা বারান্দায় রাখা বেতের সোফায় বসে কথা শুরু হয়। ইসলাম সাহেবের আন্তরিকতায় মুগ্ধ হয়ে আলাপচারিতাটি সম্পন্ন করা সম্ভব হয়েছিল বলে উল্লেখ করেন রবিউল হুসাইন।

স্থপতি মাজহারুল ইসলাম যুক্তরাষ্ট্রের অরেগন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্থাপত্যে ব্যাচেলর ডিগ্রি নিয়ে দেশে ফিরেছিলেন ১৯৫৩ সালে। সেই বছরই তিনি পূর্ব পাকিস্তানের প্রধান স্থপতি ম্যাককনেল সাহেবের অধীনে কাজ শুরু করেন। তাঁর নেতৃত্বেই নির্মিত হয়েছিল বাংলাদেশের চারুকলা ইনস্টিটিউট ভবন, যা দেশের আধুনিক স্থাপত্যশিল্পের গোড়াপত্তন হিসেবে বিবেচিত হয়। ভবনটির নির্মাণ কাজ শুরু হয়েছিল ১৯৫৩ সালের জুন মাসে এবং শেষ হয়েছিল ডিসেম্বর মাসে।

আলাপচারিতায় মাজহারুল ইসলাম জানান, তাঁর সঙ্গে শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিনের গভীর বন্ধুত্ব ছিল। জয়নুল আবেদিন তাঁর অফিসে এসে দিনের পর দিন কাজ দেখতেন এবং বিভিন্ন পরামর্শ দিতেন। তিনি উল্লেখ করেন যে, একজন ভালো ক্লায়েন্ট যেমন ভবনের নকশায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন, জয়নুল আবেদিন ছিলেন তেমনই একজন। তাঁর সহযোগিতায় ভবনটির নকশা চূড়ান্ত রূপ লাভ করেছিল।

"একটা ভালো ভবনের ভালো নকশার জন্য যেমন ভালো স্থপতির অবদান থাকে, তেমনিভাবে একজন ভালো ক্লায়েন্টেরও অবদান অপরিসীম। জয়নুল আবেদিন তেমন ছিলেন।"

মাজহারুল ইসলাম আরও জানান, তদানীন্তন পাবলিক লাইব্রেরি আর আর্ট কলেজ ভবনের নকশা একই সময়ে শুরু হয়েছিল। তাঁর পরিকল্পনা ছিল একটি সম্পূর্ণ আর্ট কমপ্লেক্স নির্মাণের, যেখানে থাকবে লাইব্রেরি, স্থাপত্য স্কুল, সংগীত ভবন এবং নৃত্য নাট্যশালা। তবে পরবর্তীতে শুধু লাইব্রেরি আর আর্ট কলেজ ভবন নির্মাণ করা হয়েছিল।

তিনি উল্লেখ করেন, আর্ট কলেজ ভবন নির্মাণের মূল চিন্তা ছিল পরিবেশের সঙ্গে মিলেমিশে এমন একটি স্থাপত্য নির্মাণ করা, যা শিক্ষার্থীদের নান্দনিক অনুভূতিকে জাগ্রত করবে। ভবনটির উচ্চতা ছিল দোতলার বেশি নয়, যাতে চারদিকে গাছপালার পরিবেশ এবং সামনের রেসকোর্সের ফাঁকা মাঠের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে নির্মাণ করা যায়।

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: পরীবাগ, ঢাকা
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: স্থপতি মাজহারুল ইসলাম, রবিউল হুসাইন, জয়নুল আবেদিন
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৯৫৩ (ভবন নির্মাণ শুরু), ১৯৯৮ (আলাপচারিতা প্রকাশ), ৫০ বছর (চারুকলার প্রতিষ্ঠা)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖