📌 চব্বিশের অভ্যুত্থান পরবর্তী প্রগতিশীল রাজনীতির ভূমিকা নিয়ে আলোচনায় ফিরোজ আহমেদের লেখায় উঠে এসেছে কোটা সংস্কার আন্দোলন থেকে দূরে থাকার পরিণতি। বিশ্লেষণে দেখা গেছে, প্রগতিশীলদের অনুপস্থিতির ফলে কীভাবে উগ্র ডান রাজনীতির সুযোগ তৈরি হয়েছে
১৬ জুলাই প্রথম আলোর বিশেষ সংখ্যায় প্রকাশিত ফিরোজ আহমেদের লেখা ‘চব্বিশের কাঠগড়ায় প্রগতিশীল রাজনীতি’ নিবন্ধের প্রতিক্রিয়ায় বিভিন্ন মতামত প্রকাশিত হয়েছে। লেখকের দাবি, অধিকাংশ প্রতিক্রিয়াতেই প্রগতিশীল রাজনীতির ভূমিকার অভাবের বিষয়টি উপেক্ষিত রয়ে গেছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ফিরোজ আহমেদের লেখায় চব্বিশের অভ্যুত্থানে প্রগতিশীল রাজনীতির অনুপস্থিতির প্রভাব বিশ্লেষণ করা হয়েছে
- 📌 অধিকাংশ প্রতিক্রিয়ায় প্রগতিশীলদের ভূমিকার অভাবকে উপেক্ষা করে তাদের বিরুদ্ধে অভিসন্ধি খোঁজার প্রবণতা দেখা গেছে
- 📌 কোটা সংস্কার আন্দোলনে প্রগতিশীলদের অনুপস্থিতির কারণে নতুন নেতৃত্বের উদ্ভব ঘটেছে
- 📌 প্রগতিশীল রাজনীতির ব্যর্থতা দেশে উগ্র ডান রাজনীতির সুযোগ তৈরি করেছে
📰 বিস্তারিত
ফিরোজ আহমেদ তার লেখায় উল্লেখ করেছেন, চব্বিশের অভ্যুত্থানে প্রগতিশীল রাজনীতির ভূমিকা ছিল না বললেই চলে। অধিকাংশ প্রতিক্রিয়াতেই প্রগতিশীলদের ভূমিকার অভাবকে উপেক্ষা করে তাদের বিরুদ্ধে অভিসন্ধি খোঁজার প্রবণতা দেখা গেছে। তিনি বলেন, "আমার লেখার কিছু কাঠামোগত সীমাবদ্ধতাও এমন কিছু বিভ্রান্তির জন্য দায়ী।"
২০১৮ সালের কোটা সংস্কার আন্দোলনে প্রগতিশীলদের অনুপস্থিতির কারণে দেশজুড়ে নতুন নেতৃত্বের উদ্ভব ঘটেছে। ফিরোজ আহমেদ উল্লেখ করেন, "আন্দোলন হলো রাজনৈতিক কর্মীদের সূতিকাগার। কোটা সংস্কার আন্দোলনের এই পরিণতির ফল হলো দেশজুড়ে একদমই নতুন একদল নেতার জন্ম।"
তিনি আরও বলেন, প্রগতিশীল রাজনীতির ব্যর্থতা দেশে উগ্র ডান রাজনীতির সুযোগ তৈরি করেছে। "সামাজিক প্রভাব আছে, এমন রাজনৈতিক ভুলের প্রভাব দীর্ঘস্থায়ী হয়।"
"আন্দোলনকে নেতৃত্ব প্রদান, আন্দোলনের কাঠামোকে ছড়িয়ে দেওয়ার মাধ্যমে প্রগতিশীলেরাই শিক্ষার্থী-সমাজের স্বাভাবিক নেতা হিসেবে আবির্ভূত হতে পারতেন।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঢাকা, বাংলাদেশ
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ফিরোজ আহমেদ
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৬ (জুলাই)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!