📌 সুইজারল্যান্ডে বসবাসরত বাংলাদেশি বাঙালিরা ২০০৮ সাল থেকে প্রতি বছর অনুষ্ঠিত হচ্ছে দুর্গাপূজা। এই বছর ১৯তম বার অনুষ্ঠিত হচ্ছে এই উৎসব, যেখানে ধর্ম-বর্ণের ভেদাভেদ ভুলে বাঙালির সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য উদযাপিত হচ্ছে। ১৭ থেকে ২১ অক্টোবর পর্যন্ত পাঁচ দিনের এই উৎসবে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, শিশু প্রতিযোগিতা ও ঐতিহ্যবাহী পূজা অনুষ্ঠিত হবে
সুইজারল্যান্ডের মাটিতে প্রবাসের ব্যস্ত জীবন থেকে কিছুক্ষণের জন্য ফিরে যাচ্ছে বাঙালির ঐতিহ্য। এবারও শীতপ্রধান সুইজারল্যান্ডের বিভিন্ন শহরে বাংলাদেশি বাঙালিরা উদযাপন করছেন শারদীয় দুর্গাপূজা। এই বছর দুর্গাপূজা ১৯তম বার অনুষ্ঠিত হচ্ছে, যা ২০০৮ সাল থেকে নিয়মিতভাবে চলমান। এই উৎসবের মূল উদ্দেশ্য হলো প্রবাসে থাকা বাঙালিদের মধ্যে বাংলাদেশের ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যকে জাগ্রত রাখা এবং নতুন প্রজন্মের কাছে ঐতিহ্যকে পৌঁছে দেওয়া।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ১৯তম বার অনুষ্ঠিত হচ্ছে সুইজারল্যান্ডে বাংলাদেশিদের দুর্গাপূজা, যা ২০০৮ সাল থেকে শুরু হয়েছিল।
- 📌 ১৭ অক্টোবর থেকে শুরু করে ২১ অক্টোবর পর্যন্ত পাঁচ দিনের এই উৎসবে মহাষষ্ঠী থেকে বিজয়া দশমী পর্যন্ত পূজার সমস্ত অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হবে।
- 📌 সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, শিশু-কিশোরদের জন্য চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা, গান-নৃত্য ও শ্রুতিনাটকের মাধ্যমে নতুন প্রজন্মের কাছে বাংলার সংস্কৃতি পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে।
- 📌 ধর্ম-বর্ণের ভেদাভেদ ভুলে এই উৎসবে সুইজারল্যান্ডের বিভিন্ন দেশের মানুষও অংশ নিচ্ছেন।
- 📌 দেবীর ভোগ হিসেবে প্রস্তুত করা হচ্ছে ভাত, পঞ্চব্যঞ্জন, মিষ্টি, নাড়ু, লুচি, সন্দেশ ও বিভিন্ন তরকারি।
📰 বিস্তারিত
সুইজারল্যান্ডে বসবাসরত বাংলাদেশি বাঙালিরা প্রতিবছরই বাংলাদেশের মতোই তিথি ও রীতিনীতি মেনে দুর্গাপূজা উদযাপন করছেন। এই বছরও শীতপ্রধান সুইজারল্যান্ডের মাটিতে ফুল, বেলপাতা, তুলসীপাতা, আম্রপল্লব, পদ্মফুল ও চন্দনের সৌরভে তৈরি হচ্ছে একটুকরো বাংলা। পূজামণ্ডপে এসে বিভিন্ন শহরে বসবাসকারী বাঙালিরা মিলিত হচ্ছেন। অঞ্জলি, আরতি, প্রসাদ গ্রহণ ও পারস্পরিক শুভেচ্ছা বিনিময়ের মধ্য দিয়ে এই পূজা হয়ে উঠছে প্রবাসী বাঙালিদের এক মিলনমেলা।
দুর্গাপূজা এখন শুধু সনাতন ধর্মাবলম্বীদের ধর্মীয় উৎসব নয়; এটি বাঙালির সংস্কৃতি, সম্প্রীতি ও মিলনের অন্যতম বড় উৎসব। ধর্ম-বর্ণের ভেদাভেদ ভুলে অনেকেই এই উৎসবের অংশগ্রহণ করছেন। পূজার অন্যতম আকর্ষণ হলো সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। গান, নৃত্য, কবিতা আবৃত্তি, শ্রুতিনাটক, কৌতুক ও বিভিন্ন পরিবেশনার মাধ্যমে নতুন প্রজন্মের শিশু-কিশোরদেরও সম্পৃক্ত করা হচ্ছে। তারা বাংলাদেশের ভাষা, গান, সাহিত্য ও সংস্কৃতির সঙ্গে পরিচিত হওয়ার সুযোগ পাচ্ছেন।
২০২৬ সালের দুর্গাপূজার মহাষষ্ঠী ১৭ অক্টোবর, মহাসপ্তমী ১৮ অক্টোবর, মহাষ্টমী ১৯ অক্টোবর, মহানবমী ২০ অক্টোবর এবং বিজয়া দশমী ২১ অক্টোবর অনুষ্ঠিত হবে। এই বছর অষ্টমী ও নবমীর মধ্যে তিথিগত বিশেষ বিন্যাস রয়েছে। প্রতিমা ও মণ্ডপসজ্জায় বাঙালির ঐতিহ্য ও শৈল্পিকতার ছাপ তুলে ধরার চেষ্টা করা হচ্ছে।
"প্রবাসের ব্যস্ত জীবন থেকে কয়েক ঘণ্টার জন্য হলেও এই আয়োজন সবাইকে ফিরিয়ে নিয়ে যায় শৈশবের স্মৃতিতে—গ্রামবাংলার মেঠো পথ, পূজামণ্ডপ, ঢাকের শব্দ, কাশফুল আর উৎসবমুখর সেই দিনগুলোর কাছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: সুইজারল্যান্ডের বিভিন্ন শহর (জুরিখ প্রাণকেন্দ্র সহ)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: সুইজারল্যান্ডে বসবাসরত বাংলাদেশি বাঙালিরা
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৯তম বার অনুষ্ঠিত হচ্ছে দুর্গাপূজা
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!