📌 সৌদি আরবে হার্ট অ্যাটাকে মারা যাওয়া নোয়াখালীর প্রবাসী সোহাগের লাশ দেশে আনা সম্ভব হলে না। তার পাঁচ বছরের মেয়ে বাবাকে কখনো দেখতে পাবে না, এমন আশঙ্কা পরিবারের। সরকারের কাছে লাশ দেশে আনতে অনুরোধ জানানো হয়েছে
সৌদি আরবে হার্ট অ্যাটাকে মারা যাওয়া নোয়াখালীর প্রবাসী সোহাগের লাশ দেশে আনা সম্ভব হলে না। তার পাঁচ বছরের মেয়ে বাবাকে কখনো সামনাসামনি দেখতে পাবে না, এমন আশঙ্কা পরিবারের। পরিবারের সদস্যরা সরকারের কাছে লাশ দেশে আনতে অনুরোধ জানিয়েছেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 সৌদি আরবে হার্ট অ্যাটাকে মারা যাওয়া নোয়াখালীর সোহাগের লাশ দেশে আনা সম্ভব হলে না, পরিবার অনিশ্চিত
- 📌 সোহাগের পাঁচ বছরের মেয়ে উম্মে জামিলা ঈশা বাবাকে কখনো দেখেননি, লাশও দেখতে পাবে না বলে আশঙ্কা
- 📌 সোহাগের বাবা রফিক উদ্দিন ২০০৩ সালে সৌদি আরবে মৃত্যুবরণ করেও লাশ দেশে আনতে পারেননি
- 📌 সোহাগের পরিবার সরকারের কাছে লাশ দেশে আনতে অনুরোধ জানিয়েছে
- 📌 সোহাগের মৃত্যুতে পরিবার অসহায়, স্ত্রী আমেনা বেগম প্রায়ই সংজ্ঞা হারাচ্ছেন
📰 বিস্তারিত
নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার মুছাপুর ইউনিয়নের বাংলাবাজার এলাকার প্রবাসী সোহাগের মৃত্যুতে পরিবার বিপর্যস্ত। গত সোমবার সৌদি আরবের আবহা শহরে তার বাসায় হার্ট অ্যাটাকে মৃত্যু হয়। লাশটি সেখানে একটি হাসপাতালের হিমঘরে রাখা রয়েছে। পরিবার লাশ দেশে আনার চেষ্টা করছে, কিন্তু সৌদি কর্তৃপক্ষের নিষেধাজ্ঞা ও পাসপোর্টের মেয়াদোত্তীর্ণ হওয়ার কারণে আশা কমে যাচ্ছে।
সোহাগের বাবা রফিক উদ্দিনও ২০০৩ সালে সৌদি আরবে মৃত্যুবরণ করেছিলেন। তার লাশও দেশে আনতে পারায় সৌদি আরবে দাফন করা হয়েছিল। সোহাগ ২০১৮ সালে সৌদি আরবে যান এবং ২০২১ সালে সর্বশেষ দেশে আসেন। ওই বছরেই তিনি আবার সৌদি আরবে ফিরে যান। সোহাগের দুটি মেয়ে রয়েছে — বড় মেয়ের নাম ফাতেমা জাহান ইকরা (১০ বছর) এবং ছোট মেয়েটি পাঁচ বছরের উম্মে জামিলা ঈশা। সোহাগের মৃত্যুর খবর পাওয়ার পর থেকে পরিবারের সদস্যদের দিন কাটছে কান্নাকাটি করেই।
সোহাগের বোন রোকসানা আক্তার বলেন, ‘আমরা চাই, আমার ভাইয়ের লাশটা যেন সরকার দেশে আনার ব্যবস্থা করে। আমরা যেন তাঁকে শেষবারের মতো একটু দেখতে পারি, এলাকার কবরস্থানে দাফন করতে পারি। তাঁর দুই মেয়ে যেন বাবার লাশটা অন্তত দেখতে পারে। এতটুকুই শুধু চাই সরকারের কাছে।’
"আমার বাবা ২৩ বছর আগে সৌদি আরবে মারা গিয়েছিলেন। তাঁর লাশ দেশে আনতে পারিনি। সেখানেই তাঁকে দাফন করা হয়েছে। এখন আবার আমার ভাইয়েরও সৌদি আরবে মৃত্যু হয়েছে। তাঁর লাশটাও কি দেশে আনতে পারব না?"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: সৌদি আরব (আবহা শহর), নোয়াখালী (কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা, মুছাপুর ইউনিয়ন, বাংলাবাজার)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: রোকসানা আক্তার, মো. সোহাগ, রফিক উদ্দিন, আমেনা বেগম, ফাতেমা জাহান ইকরা, উম্মে জামিলা ঈশা
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২৩ বছর (রফিক উদ্দিনের মৃত্যুর বছর), ১০ বছর (ফাতেমা জাহান ইকরার বয়স), ৫ বছর (উম্মে জামিলা ঈশার বয়স)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!