📌 কিশোরগঞ্জের কটিয়াদী উপজেলার রুবেল মিয়া (৩০) সৌদি আরবে সড়ক দুর্ঘটনায় মৃত্যুবরণ করেন। এক বছর আগে ধারদেনা করে সৌদি গিয়েছিলেন তিনি। আড়াই মাস পর শনিবার তার মরদেহ দেশে ফিরে এল। পরিবার শোকসন্তপ্ত, এলাকাবাসীরা দোয়া কামনা করছে
কিশোরগঞ্জের কটিয়াদী উপজেলার রুবেল মিয়া (৩০) সৌদি আরবে সড়ক দুর্ঘটনায় মৃত্যুবরণের আড়াই মাস পর শনিবার তার মরদেহ দেশে ফিরে এল। সৌদি আরবের জিজান শহরে কর্মরত অবস্থায় তিনি একটি ট্যাংকারের চাপায় ঘটনাস্থলেই মৃত্যুবরণ করেন। এক বছর আগে ধারদেনা করে সৌদি গিয়েছিলেন রুবেল, যেখানে তিনি ফ্রি ভিসায় বিভিন্ন কোম্পানিতে শ্রমিক হিসেবে কাজ করতেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 রুবেল মিয়া (৩০) সৌদি আরবে সড়ক দুর্ঘটনায় মৃত্যুবরণ করেন এবং আড়াই মাস পর তার মরদেহ দেশে ফিরে এল
- 📌 ১৮ আগস্ট ২০২৬ সৌদি আরবের জিজান শহরে কর্মরত অবস্থায় তিনি একটি ট্যাংকারের চাপায় মৃত্যুবরণ করেন
- 📌 মৃত্যুকালে রুবেল তার স্ত্রী, সন্তান ও বৃদ্ধ বাবা-মাকে রেখে গেছেন
- 📌 মো. কাজল মিয়া জানান, ধারদেনা করে ছেলেকে বিদেশ পাঠানোর পর এই দুঃখের মুখোমুখি হতে হয়েছে
- 📌 ফয়সাল আকন্দ বলেন, রুবেল একজন ভালো ছেলে ছিলেন, তার মৃত্যুতে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে
📰 বিস্তারিত
রুবেল মিয়া কটিয়াদী উপজেলার আচমিতা ইউনিয়নের মধ্যপাড়া গ্রামের বাসিন্দা। তিনি মো. কাজল বেপারীর ছেলে। শনিবার দুপুর ২টার দিকে তার জানাজার নামাজ শেষে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়। পরিবার শোকসন্তপ্ত, বিশেষ করে বাবা মো. কাজল মিয়া বলেছেন, “আমি কি বলে নাতিকে সান্ত্বনা দেব? একটু সুখের আশায় মানুষের কাছ থেকে ধারদেনা করে ছেলেকে বিদেশ পাঠিয়েছিলাম। আজ আমার ছেলের কফিনবন্দি লাশ বাড়িতে ফিরেছে।”
কটিয়াদী উপজেলা যুবদলের সদস্য ও মধ্যপাড়া গ্রামের বাসিন্দা ফয়সাল আকন্দ জানান, “রুবেল একজন ভালো ছেলে ছিলেন। তার মৃত্যুতে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। শোকসন্তপ্ত পরিবারটি যেন এই শোক সইতে পারে, সে জন্য সবার কাছে দোয়া কামনা করছি।”
"আমি কি বলে নাতিকে সান্ত্বনা দেব? একটু সুখের আশায় মানুষের কাছ থেকে ধারদেনা করে ছেলেকে বিদেশ পাঠিয়েছিলাম।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: কটিয়াদী উপজেলা, কিশোরগঞ্জ
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: রুবেল মিয়া (৩০), মো. কাজল মিয়া, ফয়সাল আকন্দ
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩০ বছর বয়স, ১৮ আগস্ট ২০২৬, ২ টা (দুপুর)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!