📌 প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয় রাশিয়া সহ ১২টি দেশে কর্মসংস্থানের জন্য মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন ছাড়া বহির্গমন ছাড়পত্র দেওয়া বন্ধের নির্দেশ দিয়েছে। মানব পাচার প্রতিরোধে নজরদারি বাড়ানোর উদ্দেশ্যে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।
বাংলাদেশ সরকার মানব পাচার প্রতিরোধে কড়াকড়ি বাড়ানোর জন্য রাশিয়া সহ ১২টি দেশে কর্মসংস্থানের উদ্দেশ্যে বহির্গমন ছাড়পত্র দেওয়ার জন্য প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন বাধ্যতামূলক করে দিয়েছে। মন্ত্রণালয় বাংলাদেশ জনশক্তি, কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরো (বিএমইটি) এর মহাপরিচালককে বুধবার একটি চিঠি পাঠিয়ে এই নির্দেশনা জারি করেছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 রাশিয়া, জাপান, ইরাক, কম্বোডিয়া, লাওস, ভিয়েতনামসহ ১২টি দেশে কর্মসংস্থানের জন্য মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন ছাড়া বহির্গমন ছাড়পত্র দেওয়া বন্ধ
- 📌 সার্বিয়া, মলদোভা, বেলারুশ, কঙ্গো, ইউক্রেন ও লিবিয়া অন্তর্ভুক্ত ১২টি দেশের তালিকা প্রকাশিত
- 📌 আগে সাতটি দেশে অনুমতি ছাড়া ছাড়পত্র দেওয়া হতো, এখন ১২টি দেশে বাধ্যতামূলক অনুমোদন প্রয়োজন
- 📌 কর্মসংস্থান সংক্রান্ত প্রতারণা ও মানব পাচারের ঘটনা বাড়ার কারণে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে
- 📌 কম্বোডিয়া, লাওস ও ভিয়েতনামে অনলাইন প্রতারণা ও জোরপূর্বক আটক রাখার ঘটনা আন্তর্জাতিকভাবে উদ্বেগের কারণ
📰 বিস্তারিত
প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় গতকাল বুধবার বাংলাদেশ জনশক্তি, কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরো (বিএমইটি) এর মহাপরিচালককে একটি চিঠি পাঠিয়ে নির্দেশনা জারি করেছে। চিঠিতে বলা হয়েছে, সার্বিয়া, মলদোভা, বেলারুশ, কঙ্গো, রাশিয়া, জাপান, ইরাক, লাওস, ভিয়েতনাম, কম্বোডিয়া, ইউক্রেন ও লিবিয়াগামী কর্মীদের ক্ষেত্রে মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন ছাড়া বহির্গমন ছাড়পত্র (ইমিগ্রেশন ক্লিয়ারেন্স) দেওয়া যাবে না।
এই নির্দেশনা জানানোর পর বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব ইন্টারন্যাশনাল রিক্রুটিং এজেন্সিজ (বায়রা) এর সদস্য সংগঠন সব রিক্রুটিং এজেন্সিকে বিষয়টি জানিয়েছে। মন্ত্রণালয়ের চিঠির অনুলিপি বায়রা সদস্যদের পাঠানো হয়েছে। সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা জানিয়েছেন, আগে সাতটি দেশের জন্য মন্ত্রণালয়ের অনুমতি লাগত না। এ সুযোগ কাজে লাগিয়ে নকল নিয়োগপত্র দিয়ে কর্মী পাঠানোর অভিযোগ ছিল। নতুন নির্দেশনায় প্রতিটি নিয়োগের চাহিদাপত্র আগে অনুমোদন নিতে হবে।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বিদেশে কর্মসংস্থানের ক্ষেত্রে শুধু ভিসা পাওয়া বা রিক্রুটিং এজেন্সির মাধ্যমে চাকরির প্রস্তাব পাওয়া নিরাপদ নিশ্চয়তা নয়। কর্মসংস্থানের প্রকৃত সুযোগ, নিয়োগকর্তার পরিচয়, চাকরির চুক্তি, বেতন-ভাতা, ভিসার ধরন এবং বাংলাদেশের সরকারি অনুমোদন যাচাই করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
অভিবাসনপ্রক্রিয়ায় যুক্ত স্বেচ্ছাসেবীরা বলছেন, বিশেষ করে কম্বোডিয়া, লাওস ও ভিয়েতনামসহ কিছু দেশে অনলাইন প্রতারণা ও স্ক্যাম কম্পাউন্ডে জোরপূর্বক আটকে রাখার ঘটনা আন্তর্জাতিকভাবে উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। এসব দেশে গিয়ে অনেক বাংলাদেশি প্রতারণা, শোষণ, আটকে রাখা ও মানব পাচারের শিকার হয়েছে। রাশিয়ায় গিয়ে যুদ্ধে জড়িয়ে পড়ার ঘটনাও ঘটছে।
"বহির্গমন ছাড়পত্রের বিষয়টি নিশ্চিত হওয়ার আগে কোনো আর্থিক লেনদেন বা চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া থেকে বিরত থাকা জরুরি"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: বাংলাদেশ (প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয়), সার্বিয়া, মলদোভা, বেলারুশ, কঙ্গো, রাশিয়া, জাপান, ইরাক, লাওস, ভিয়েতনাম, কম্বোডিয়া, ইউক্রেন, লিবিয়া
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: বাংলাদেশ জনশক্তি, কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরো (বিএমইটি) মহাপরিচালক, প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা, রিক্রুটিং এজেন্সির সদস্য, অভিবাসনপ্রক্রিয়ায় যুক্ত স্বেচ্ছাসেবী
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১২টি দেশ, সাতটি দেশ (পূর্বে অনুমতি ছাড়া ছাড়পত্র দেওয়া হতো)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!