📌 যৌন হয়রানি ও উত্ত্যক্তকরণ প্রতিরোধে দ্রুত আইন প্রণয়ন ও বাস্তবায়নের দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ মহিলা পরিষদ। সংগঠনটির অভিযোগ, দীর্ঘ সময়েও আইনটি প্রণীত না হওয়ায় পরিস্থিতি ক্রমেই ভয়াবহ হয়ে উঠছে
যৌন হয়রানি ও উত্ত্যক্তকরণ প্রতিরোধে দ্রুত আইন প্রণয়ন ও বাস্তবায়নের দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ মহিলা পরিষদ। সংগঠনটির অভিযোগ, নারী ও মেয়ে শিশুরা ক্রমাগত যৌন হয়রানি ও উত্ত্যক্তকরণের শিকার হলেও তা কার্যকরভাবে প্রতিরোধ করা যাচ্ছে না।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 যৌন হয়রানি ও উত্ত্যক্তকরণ প্রতিরোধে দ্রুত আইন প্রণয়ন ও বাস্তবায়নের দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ মহিলা পরিষদ
- 📌 ২০২৬ সালের ২৯ জানুয়ারি যৌন হয়রানি প্রতিরোধ অধ্যাদেশ, ২০২৬-এর খসড়া উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে নীতিগত অনুমোদন দেওয়া হয়
- 📌 ২০০৯ সালের ১৪ মে হাইকোর্ট বিভাগ সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও কর্মস্থলে অভিযোগ কমিটি গঠনের নির্দেশনা দেন
- 📌 মহিলা পরিষদ কর্তৃক উত্থাপিত নয় দফা দাবির মধ্যে রয়েছে যৌন হয়রানি নিরোধ আইনের খসড়া প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন
- 📌 শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও কর্মস্থলে যৌন হয়রানি প্রতিরোধে অভিযোগ কমিটি গঠন ও মনিটরিংয়ের দাবি
📰 বিস্তারিত
বাংলাদেশ মহিলা পরিষদ জানিয়েছে, যৌন হয়রানি ও উত্ত্যক্তকরণ প্রতিরোধে দ্রুত আইন প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন জরুরি। সংগঠনটির সভাপতি ফওজিয়া মোসলেম বলেন, উত্ত্যক্তকরণ, যৌন হয়রানি ও নিপীড়নের ঘটনা প্রতিরোধে যৌন হয়রানি ও নিপীড়ন নিরোধ আইন জাতীয় সংসদে পাস ও বাস্তবায়ন জরুরি এবং এর কোনো বিকল্প নেই।
তিনি আরও বলেন, ২০০৯ সালের ১৪ মে হাইকোর্ট বিভাগ সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও কর্মস্থলে অভিযোগ কমিটি গঠন এবং যৌন হয়রানি প্রতিরোধে আইন প্রণয়নের নির্দেশনা দেন। এর পরিপ্রেক্ষিতে মহিলা পরিষদ বিশেষজ্ঞদের পরামর্শে যৌন হয়রানি ও নিপীড়ন নিরোধ আইনের খসড়া প্রণয়ন করে ২০১০ সালে আইন কমিশন ও মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ে জমা দেয়।
২০২৬ সালের ২৯ জানুয়ারি ‘যৌন হয়রানি প্রতিরোধ অধ্যাদেশ, ২০২৬’-এর খসড়া উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে নীতিগত অনুমোদন দেওয়া হয়। বর্তমানে খসড়াটি আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের পর্যালোচনার পর মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে।
"উত্ত্যক্তকরণ, যৌন হয়রানি ও নিপীড়নের ঘটনা প্রতিরোধে যৌন হয়রানি ও নিপীড়ন নিরোধ আইন জাতীয় সংসদে পাস ও বাস্তবায়ন জরুরি এবং এর কোনো বিকল্প নেই। এই আইনের মাধ্যমে যৌন হয়রানি ও উত্ত্যক্তকরণের হাত থেকে নারী ও শিশুদের সুরক্ষা দেওয়া সম্ভব হবে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: জাতীয় প্রেসক্লাব, ঢাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ফওজিয়া মোসলেম
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৯
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!