📅 ১৯ আগস্ট ২০২৬, ৯:২৭ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

যৌন হয়রানি রোধে দ্রুত আইন প্রণয়নের দাবিতে মহিলা পরিষদের নয় দফা কর্মসূচি

যৌন হয়রানি রোধে দ্রুত আইন প্রণয়নের দাবিতে মহিলা পরিষদের নয় দফা কর্মসূচি

📷 ছবি: Ajker Patrika

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 আজকের পত্রিকা ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 যৌন হয়রানি ও উত্ত্যক্তকরণ প্রতিরোধে দ্রুত আইন প্রণয়ন ও বাস্তবায়নের দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ মহিলা পরিষদ। সংগঠনটির অভিযোগ, দীর্ঘ সময়েও আইনটি প্রণীত না হওয়ায় পরিস্থিতি ক্রমেই ভয়াবহ হয়ে উঠছে

যৌন হয়রানি ও উত্ত্যক্তকরণ প্রতিরোধে দ্রুত আইন প্রণয়ন ও বাস্তবায়নের দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ মহিলা পরিষদ। সংগঠনটির অভিযোগ, নারী ও মেয়ে শিশুরা ক্রমাগত যৌন হয়রানি ও উত্ত্যক্তকরণের শিকার হলেও তা কার্যকরভাবে প্রতিরোধ করা যাচ্ছে না।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 যৌন হয়রানি ও উত্ত্যক্তকরণ প্রতিরোধে দ্রুত আইন প্রণয়ন ও বাস্তবায়নের দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ মহিলা পরিষদ
  • 📌 ২০২৬ সালের ২৯ জানুয়ারি যৌন হয়রানি প্রতিরোধ অধ্যাদেশ, ২০২৬-এর খসড়া উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে নীতিগত অনুমোদন দেওয়া হয়
  • 📌 ২০০৯ সালের ১৪ মে হাইকোর্ট বিভাগ সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও কর্মস্থলে অভিযোগ কমিটি গঠনের নির্দেশনা দেন
  • 📌 মহিলা পরিষদ কর্তৃক উত্থাপিত নয় দফা দাবির মধ্যে রয়েছে যৌন হয়রানি নিরোধ আইনের খসড়া প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন
  • 📌 শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও কর্মস্থলে যৌন হয়রানি প্রতিরোধে অভিযোগ কমিটি গঠন ও মনিটরিংয়ের দাবি

📰 বিস্তারিত

বাংলাদেশ মহিলা পরিষদ জানিয়েছে, যৌন হয়রানি ও উত্ত্যক্তকরণ প্রতিরোধে দ্রুত আইন প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন জরুরি। সংগঠনটির সভাপতি ফওজিয়া মোসলেম বলেন, উত্ত্যক্তকরণ, যৌন হয়রানি ও নিপীড়নের ঘটনা প্রতিরোধে যৌন হয়রানি ও নিপীড়ন নিরোধ আইন জাতীয় সংসদে পাস ও বাস্তবায়ন জরুরি এবং এর কোনো বিকল্প নেই।

তিনি আরও বলেন, ২০০৯ সালের ১৪ মে হাইকোর্ট বিভাগ সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও কর্মস্থলে অভিযোগ কমিটি গঠন এবং যৌন হয়রানি প্রতিরোধে আইন প্রণয়নের নির্দেশনা দেন। এর পরিপ্রেক্ষিতে মহিলা পরিষদ বিশেষজ্ঞদের পরামর্শে যৌন হয়রানি ও নিপীড়ন নিরোধ আইনের খসড়া প্রণয়ন করে ২০১০ সালে আইন কমিশন ও মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ে জমা দেয়।

২০২৬ সালের ২৯ জানুয়ারি ‘যৌন হয়রানি প্রতিরোধ অধ্যাদেশ, ২০২৬’-এর খসড়া উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে নীতিগত অনুমোদন দেওয়া হয়। বর্তমানে খসড়াটি আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের পর্যালোচনার পর মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে।

"উত্ত্যক্তকরণ, যৌন হয়রানি ও নিপীড়নের ঘটনা প্রতিরোধে যৌন হয়রানি ও নিপীড়ন নিরোধ আইন জাতীয় সংসদে পাস ও বাস্তবায়ন জরুরি এবং এর কোনো বিকল্প নেই। এই আইনের মাধ্যমে যৌন হয়রানি ও উত্ত্যক্তকরণের হাত থেকে নারী ও শিশুদের সুরক্ষা দেওয়া সম্ভব হবে।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: জাতীয় প্রেসক্লাব, ঢাকা
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ফওজিয়া মোসলেম
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৯

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖