📌 জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় ফারহান ফাইয়াজকে রিকশায় তুলেছিলেন সাক্ষী সাইদ। তার জবানবন্দিতে উঠে আসে ফারহানের মৃত্যুর ভয়াবহ বিবরণ। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে তিনি জানান, ফারহান গুলিবিদ্ধ হয়ে মারা যান
আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এ জবানবন্দি দিতে গিয়ে সাক্ষী মো. সাইদ হোসেন জানান, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় ধানমন্ডি এলাকায় ফারহান ফাইয়াজকে রিকশায় তুলেছিলেন তিনি। তখন ফারহান একটি দীর্ঘনিশ্বাস ছাড়েন, যা ছিল তার শেষ শ্বাস।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 জুলাই গণঅভ্যুত্থানে ধানমন্ডি ২৭ নম্বরে শান্তিপূর্ণ অবস্থানকালে ফারহান ফাইয়াজ গুলিবিদ্ধ হন
- 📌 সাক্ষী সাইদ হোসেন তাকে রিকশায় তুলে হাসপাতালে নেওয়ার চেষ্টা করেন
- 📌 ফারহানের মৃত্যু সম্পর্কে জানতে পারেন সামাজিক মাধ্যমে
- 📌 মামলায় আসামি ২৮ জন, যার মধ্যে চারজন গ্রেপ্তার ও ২৪ জন পলাতক
- 📌 আসামিদের মধ্যে রয়েছেন সাবেক মন্ত্রী জাহাঙ্গীর কবির নানক ও সাবেক মেয়র শেখ ফজলে নূর তাপস
📰 বিস্তারিত
সাক্ষী সাইদ হোসেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এ জবানবন্দি দিতে গিয়ে জানান, ২০২৪ সালের ১৮ জুলাই ধানমন্ডি ২৭ নম্বরে অবস্থানকালে হঠাৎ ছাত্রলীগ, যুবলীগ, আওয়ামী লীগ ও পুলিশের সদস্যরা তাদের ওপর অতর্কিত গুলিবর্ষণ শুরু করে। তিনি বলেন, ‘বেলা আনুমানিক ২.০০/২.৩০টার দিকে আমার সামনে একটি ছেলে ঘুরে পড়ে যায়। তাকে গলিতে নিয়ে যাই এবং কোলে করে রিকশায় তুলি।’
তিনি আরও জানান, কয়েকজন আন্দোলনকারীর সহযোগিতায় ফারহানকে অ্যাম্বুলেন্সে তুলে দেওয়ার পর তিনি আবার আন্দোলনে যোগ দেন। সন্ধ্যায় বাসায় ফিরে সামাজিক মাধ্যমে জানতে পারেন ফারহান ফাইয়াজ গুলিবিদ্ধ হয়ে মারা গেছেন। ফারহানের বাবার কাছ থেকে জানতে পারেন তার বুকের বাঁ পাশে গুলি লেগেছিল।
সাক্ষী সাইদ অভিযোগ করেন, শেখ হাসিনা, তাপস ও নানকদের নির্দেশনায় ফারহানসহ অনেককে হত্যা করা হয়েছে। তিনি এই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের বিচার চান।
‘আমি ফারহানকে যখন রিকশায় ওঠাই, তখন সে একটি দীর্ঘনিশ্বাস ছাড়ে। সম্ভবত তখনই সে মারা যায়।’
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ধানমন্ডি, ঢাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ফারহান ফাইয়াজ, সাক্ষী সাইদ হোসেন, জাহাঙ্গীর কবির নানক, শেখ ফজলে নূর তাপস
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২৮ জন আসামি, ৪ জন গ্রেপ্তার, ২৪ জন পলাতক, ১৮ জুলাই ২০২৪
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!