📌 ফ্ল্যাট বিক্রির নামে ৭৫ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে বিদিশা সিদ্দিকের দুই বছরের কারাদণ্ড বহাল রেখে কারাগারে প্রেরণের আদেশ দিয়েছেন আদালত। গত মঙ্গলবার রাতে তাকে গ্রেফতার করা হয়
ঢাকা, ২৬ আগস্ট ২০২৬: রাজধানীর গুলশানের বারিধারা এলাকায় ফ্ল্যাট বিক্রির নামে প্রতারণার অভিযোগে দুই বছরের কারাদণ্ডপ্রাপ্ত বিদিশা সিদ্দিকের জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে তাকে কারাগারে প্রেরণের আদেশ দিয়েছেন ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত। সাজা পরোয়ানার ভিত্তিতে তাকে গ্রেফতার করা হয়।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 বিদিশা সিদ্দিকের বিরুদ্ধে ফ্ল্যাট বিক্রির নামে ৭৫ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে দুই বছরের কারাদণ্ড বহাল রাখেন আদালত
- 📌 গত মঙ্গলবার রাত সাড়ে আটটার দিকে গুলশান-২ নম্বরের অ্যারাবিকা রেস্টুরেন্ট থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়
- 📌 বিদিশা সিদ্দিকের বিরুদ্ধে দণ্ডবিধি আইনের ৪০৬/৪২০/৫০৬ ধারায় অভিযোগ গঠন করা হয়
- 📌 অর্থদণ্ড অনাদায়ে তাকে আরও এক মাস কারাভোগ করতে হবে
📰 বিস্তারিত
গত ২০ মে বিদিশা সিদ্দিকের বিরুদ্ধে দুই বছরের কারাদণ্ড ও ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ডের আদেশ দেন ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. জামসেদ আলম। আদালতের আদেশে তার জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে কারাগারে প্রেরণের নির্দেশ দেওয়া হয়। গুলশান থানার পুলিশের উপ-পরিদর্শক মোক্তার হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
মামলার অভিযোগ অনুযায়ী, ২০০১ সালে বারিধারার একটি ফ্ল্যাট বিক্রির নামে বিদিশা সিদ্দিক ব্যবসায়ী মোশাররফ হোসেনের কাছ থেকে ৭৫ লাখ টাকা গ্রহণ করেন। তবে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ফ্ল্যাট হস্তান্তর না করায় মোশাররফ হোসেন ২০০৮ সালে বিদিশা সিদ্দিকের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন। মামলায় বিদিশা সিদ্দিকের বিরুদ্ধে দণ্ডবিধি আইনের ৪০৬ (অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গ), ৪২০ (প্রতারণা) ও ৫০৬ (ভয় দেখানো) ধারায় অভিযোগ গঠন করা হয়।
আদালত সূত্রে জানা যায়, বিদিশা সিদ্দিকের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের পর সাতজন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ করা হয়। বিচার চলাকালে বিদিশা সিদ্দিক জামিনে ছিলেন। তবে গত ২০ মে আদালত তার বিরুদ্ধে প্রদত্ত রায়ের বিরুদ্ধে জামিন আবেদন নামঞ্জুর করেন।
"বিদিশা সিদ্দিকের বিরুদ্ধে প্রদত্ত দুই বছরের কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড বহাল রাখা হয়েছে। অর্থদণ্ড অনাদায়ে তাকে আরও এক মাস কারাভোগ করতে হবে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: গুলশান, ঢাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: বিদিশা সিদ্দিক
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৭৫ লাখ টাকা, দুই বছর কারাদণ্ড, ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!