📌 ভৈরব-ময়মনসিংহ রেলপথের সব লোকাল ও মেইল ট্রেন বন্ধ হয়ে যাওয়ায় দরিদ্র ও নিম্ন আয়ের মানুষের যাতায়াত ব্যয় বেড়েছে। আন্তনগর ট্রেনের ভাড়া বৃদ্ধির কারণে সাধারণ মানুষের জীবনে নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে।
ভৈরব থেকে ময়মনসিংহ পর্যন্ত বিস্তৃত রেলপথে একের পর এক লোকাল ও মেইল ট্রেন বন্ধ হয়ে যাওয়ায় দরিদ্র ও নিম্ন আয়ের মানুষের জীবনে ভোগান্তি চরমে উঠেছে। করোনাকালীন সময়ে শুরু হওয়া এই ট্রেন বন্ধের ধারাবাহিকতায় সর্বশেষ গত সোমবার থেমে যায় ময়মনসিংহ মেইল নামেও পরিচিত নাসিরাবাদ ট্রেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ভৈরব-ময়মনসিংহ রেলপথে একসময় ছয়টি লোকাল ও মেইল ট্রেন চলাচল করত
- 📌 করোনাকালে চারটি লোকাল ও একটি মেইল ট্রেন বন্ধ হয়ে যায়
- 📌 গত সোমবার থেকে বন্ধ হয়ে যায় ময়মনসিংহ মেইল (নাসিরাবাদ ট্রেন)
- 📌 ভৈরব থেকে ময়মনসিংহের দূরত্ব ১১৬ কিলোমিটার, লোকাল ট্রেনের ভাড়া ছিল ৪০ টাকা
- 📌 আন্তনগর ট্রেনের ভাড়া ১২৭ টাকা, যা সব স্টেশনে থামে না
- 📌 ইব্রাহিমাবাদ থেকে চট্টগ্রাম পর্যন্ত দূরত্ব ৬৩১ কিলোমিটার, ট্রেনটি ৫০টি স্টেশনে যাত্রাবিরতি দিত
- 📌 লোকোমোটিভ সংকটের কারণে ট্রেনটি সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে
📰 বিস্তারিত
ভৈরব-ময়মনসিংহ রেলপথে একসময় ছয়টি লোকাল ও মেইল ট্রেন চলাচল করত। করোনাকালীন সময়ে চারটি লোকাল ও একটি মেইল ট্রেন বন্ধ হয়ে যাওয়ার পর গত সোমবার থেকে বন্ধ হয়ে যায় ময়মনসিংহ মেইল নামেও পরিচিত নাসিরাবাদ ট্রেন। ফলে কম ভাড়ায় যাতায়াতের সুযোগ হারিয়ে দরিদ্র ও নিম্ন আয়ের মানুষকে এখন আন্তনগর ট্রেনে বেশি টাকা খরচ করে গন্তব্যে যেতে হচ্ছে।
ভৈরব থেকে ময়মনসিংহের দূরত্ব ১১৬ কিলোমিটার। লোকাল ট্রেনের ভাড়া ছিল ৪০ টাকা, মেইল ট্রেনে লাগত ৫৫ টাকা। আন্তনগর ট্রেনের ভাড়া ১২৭ টাকা হলেও তা সব স্টেশনে থামে না। ফলে সাধারণ মানুষকে বেশি ভাড়ায় যাতায়াত করতে হচ্ছে।
ইব্রাহিমাবাদ স্টেশন থেকে চট্টগ্রাম পর্যন্ত দূরত্ব ৬৩১ কিলোমিটার। নাসিরাবাদ ট্রেনটি ৫০টি স্টেশনে যাত্রাবিরতি দিত। ট্রেনটি ভোররাত ৩টায় ছাড়ত এবং রাত ৮টা ২০ মিনিটে গন্তব্যে পৌঁছাত। বিপরীতে চট্টগ্রাম থেকে বিকেল ৪টা ১৫ মিনিটে ছাড়ত এবং পরদিন সকাল ৯টায় ইব্রাহিমাবাদ স্টেশনে পৌঁছাত।
"লোকোমোটিভ সংকটের কারণে নাসিরাবাদ ট্রেন সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। আবার কবে নাগাদ চালু হবে, তা নিয়ে রেলওয়ের কাছে কোনো সুনির্দিষ্ট তথ্য নেই।"
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, ট্রেন বন্ধ হওয়ায় তাদের যাতায়াত ব্যয় বেড়েছে। বিশেষ করে ছোট স্টেশনগুলোতে আন্তনগর ট্রেন থামে না বলে মানুষকে বেশি ভাড়ায় ভ্রমণ করতে হচ্ছে। আগে যেখানে ১০-২০ টাকা ভাড়ায় যাতায়াত করা যেত, সেখানে এখন আন্তনগর ট্রেনে যেতে হচ্ছে ১২৭ টাকা পর্যন্ত।
রেলওয়ে সূত্র জানায়, তিনটি রেক দিয়ে নাসিরাবাদ ট্রেনের চলাচল স্বাভাবিক রাখা হতো। এক মাস ধরে দুই দিন চলার পর এক দিন বন্ধ রাখা হতো। পরে কোনো ঘোষণা ছাড়াই ট্রেনটির চলাচল পুরোপুরি বন্ধ করে দেওয়া হয়।
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ভৈরব, ময়মনসিংহ, ইব্রাহিমাবাদ, চট্টগ্রাম
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: স্থানীয় দরিদ্র ও নিম্ন আয়ের মানুষ
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১১৬, ৪০, ৫৫, ১২৭, ৬৩১, ৫০
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!