📌 যুক্তরাষ্ট্রের এফডিএ অগ্ন্যাশয়ের ক্যানসারের বিরুদ্ধে নতুন ওষুধ ‘ড্যারাক্সনরাসিব’কে অনুমোদন দিয়েছে। ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালে দেখা গেছে, এই ওষুধ গ্রহণকারীদের গড় আয়ু দ্বিগুণ হয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্রের খাদ্য ও ওষুধ প্রশাসন (এফডিএ) অগ্ন্যাশয়ের ক্যানসারের বিরুদ্ধে নতুন ওষুধ ‘ড্যারাক্সনরাসিব’কে অনুমোদন দিয়েছে। বিবিসির প্রতিবেদন অনুযায়ী, ওষুধটি বাজারে ‘রাসনক’ নামে বিক্রি হবে। ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালে দেখা গেছে, যারা নিয়মিত এই ট্যাবলেট গ্রহণ করেছেন, তাদের গড় আয়ু ছিল ১৩ মাস। অন্যদিকে কেমোথেরাপি গ্রহণকারীদের গড় আয়ু ছিল ৬ মাস।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 যুক্তরাষ্ট্রের এফডিএ অগ্ন্যাশয়ের ক্যানসারের বিরুদ্ধে ‘ড্যারাক্সনরাসিব’ ওষুধটির অনুমোদন দেয়
- 📌 ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালে অংশগ্রহণকারীদের গড় আয়ু দ্বিগুণ হয়েছে (১৩ মাস বনাম ৬ মাস)
- 📌 ওষুধটি ‘রাসনক’ নামে বাজারে আসবে
- 📌 ড্যারাক্সনরাসিব মূলত পরিবর্তিত ‘কেআরএএস’ জিনকে নিষ্ক্রিয় করে ক্যানসার ছড়ানো রোধ করে
- 📌 অগ্ন্যাশয়ের ৯০ শতাংশ টিউমারে এই জিনের উপস্থিতি থাকে
📰 বিস্তারিত
যুক্তরাষ্ট্রের খাদ্য ও ওষুধ প্রশাসন (এফডিএ) অগ্ন্যাশয়ের ক্যানসারের বিরুদ্ধে নতুন ওষুধ ‘ড্যারাক্সনরাসিব’কে অনুমোদন দিয়েছে। বিবিসির প্রতিবেদন অনুযায়ী, ওষুধটি বাজারে ‘রাসনক’ নামে বিক্রি হবে। ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালে অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে যারা নিয়মিত এই ট্যাবলেট গ্রহণ করেছেন, তাদের গড় আয়ু ছিল ১৩ মাস। অন্যদিকে কেমোথেরাপি গ্রহণকারীদের গড় আয়ু ছিল মাত্র ৬ মাস।
এফডিএ জানিয়েছে, এই ওষুধটি অগ্ন্যাশয়ের ক্যানসারের বিরুদ্ধে একটি যুগান্তকারী উদ্ভাবন। ওষুধটি মূলত পরিবর্তিত ‘কেআরএএস’ (KRAS) জিনকে লক করে ক্যানসার ছড়িয়ে পড়া রোধ করে। অগ্ন্যাশয়ের ৯০ শতাংশেরও বেশি টিউমারে এই জিনের উপস্থিতি থাকে, যা ক্যানসারের বৃদ্ধিকে ত্বরান্বিত করে।
এফডিএর অনকোলজি সেন্টার অব এক্সিলেন্সের পরিচালক অ্যাঞ্জেলো ডি ক্লারো জানান, যেখানে চিকিৎসার চাহিদা পূরণে বড় ঘাটতি রয়েছে, সেখানে ওষুধটি নজিরবিহীন ফল দেখিয়েছে। এ কারণে নির্ধারিত সময়সীমার ছয় মাস আগেই সংস্থাটি ওষুধটির অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।
"যেখানে চিকিৎসার চাহিদা পূরণে বড় ঘাটতি রয়েছে, সেখানে ওষুধটি নজিরবিহীন ফল দেখিয়েছে।" — অ্যাঞ্জেলো ডি ক্লারো, পরিচালক, এফডিএ অনকোলজি সেন্টার অব এক্সিলেন্স
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: যুক্তরাষ্ট্র
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: অ্যাঞ্জেলো ডি ক্লারো
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৫০০ (ট্রায়ালে অংশগ্রহণকারী রোগী), ৯০ শতাংশ, ৬৭ হাজার (বার্ষিক শনাক্ত), ৪৪ শতাংশ (পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!