📌 কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলার বলাকিয়া গ্রামে পরকীয়া অভিযোগে সালিশ বৈঠকে এক নারীকে প্রকাশ্যে জুতাপেটার ঘটনায় ইউপি চেয়ারম্যান ফরিদ উদ্দিন ক্ষমা চেয়েছেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভিডিও ছড়িয়ে পড়ায় এলাকায় তীব্র সমালোচনা শুরু হয়েছে
কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলার মাধবপুর ইউনিয়নের বলাকিয়া গ্রামে পরকীয়া অভিযোগকে কেন্দ্র করে আয়োজিত সালিশ বৈঠকে এক নারীকে প্রকাশ্যে জুতাপেটার ঘটনায় ইউপি চেয়ারম্যান ফরিদ উদ্দিন ক্ষমা চেয়েছেন। গত বুধবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত ভিডিও বার্তায় তিনি এ ক্ষমা প্রকাশ করেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 সালিশ বৈঠকে পরকীয়া অভিযোগে এক নারীকে প্রকাশ্যে জুতাপেটা করা হয়
- 📌 ইউপি চেয়ারম্যান ফরিদ উদ্দিন স্বীকার করেন, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে তিনি এ পদক্ষেপ নিয়েছিলেন
- 📌 ভিডিও বার্তায় চেয়ারম্যান দাবি করেন, ঘটনাটি ঘটেছিল প্রায় ১৮ মাস ধরে চলা পরকীয়া সম্পর্ককে কেন্দ্র করে
- 📌 সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভিডিও ছড়িয়ে পড়ায় এলাকায় তীব্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে
📰 বিস্তারিত
গত সোমবার বিকেলে মাধবপুর ইউনিয়নের বলাকিয়া গ্রামে পরকীয়া অভিযোগকে কেন্দ্র করে সালিশ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে উপস্থিত স্থানীয় প্রবাসীর স্ত্রীর সঙ্গে প্রায় দুই বছর ধরে পরকীয়া সম্পর্কে জড়িত স্থানীয় এক যুবককে হাতেনাতে ধরেন কয়েকজন তরুণ। ঘটনার পর চেয়ারম্যান ফরিদ উদ্দিনকে ফোন করে ঘটনাস্থলে আসার অনুরোধ জানানো হলেও গভীর রাতে যাওয়ার কারণে তিনি যেতে পারেননি বলে ভিডিও বার্তায় উল্লেখ করেন তিনি। পরদিন সকালে ঘটনাস্থলে গিয়ে তিনি দেখতে পান, ওই বাড়িতে অনেক লোকের সমাগম হয়েছে।
চেয়ারম্যান ফরিদ উদ্দিন জানান, ঘটনাস্থলে গিয়ে তিনি অভিযুক্ত নারী ও যুবকের সঙ্গে কথা বলেন। তাঁরা প্রায় ১৮ মাস ধরে সম্পর্কে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেন। যুবকটি বিয়েতে রাজি হলেও নারীটি রাজি ছিলেন না বলে দাবি করেন তিনি। পরে বিদেশে অবস্থানরত ওই নারীর স্বামীর সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি সন্তানদের ভবিষ্যত বিবেচনা করে সালিসের সিদ্ধান্ত মেনে নেওয়ার কথা জানান।
ভিডিও বার্তায় চেয়ারম্যান বলেন, সালিস বৈঠকে পরকীয়া অভিযোগকে কেন্দ্র করে স্থানীয় তরুণ ও যুবকদের মধ্যে ব্যাপক ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে গিয়ে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের আশঙ্কা তৈরি হয়েছিল। এ অবস্থায় স্থানীয় মুরব্বিদের পরামর্শে তিনি উভয়কে স্যান্ডেল দিয়ে কয়েকটি বাড়ি দেন। তিনি জানান, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে বাধ্য হয়েই তিনি এ পদক্ষেপ নিয়েছিলেন।
"পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে বাধ্য হয়েই তাঁকে ওই পদক্ষেপ নিতে হয়েছে। এতে তাঁর দ্বারা আইনবহির্ভূত কোনো কাজ হয়ে থাকলে বা আইনের কোনো বাধাবিঘ্ন ঘটে থাকলে তিনি সবার কাছে ক্ষমা চান।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: বলাকিয়া গ্রাম, মাধবপুর ইউনিয়ন, ব্রাহ্মণপাড়া, কুমিল্লা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ইউপি চেয়ারম্যান ফরিদ উদ্দিন
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: প্রায় ১৮ মাস ধরে সম্পর্ক চলছিল
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!