📌 রংপুরের পীরগঞ্জে টানা অনাবৃষ্টি ও দাবদাহে আমনখেতের মাটিতে ফাটল ধরেছে। সেচ খরচ বাড়লেও প্রান্তিক কৃষকদের ধানখেত নষ্ট হওয়ার ঝুঁকিতে। উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সুমন আহমেদ জানিয়েছেন, বৃষ্টি না হলে ফলন ব্যাপকভাবে কমে যেতে পারে
রংপুরের পীরগঞ্জ উপজেলায় টানা অনাবৃষ্টি ও দাবদাহের কারণে আমন ধানের খেতের মাটিতে ফাটল দেখা দিয়েছে। উপজেলার ১৫টি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভায় ব্যাপক হারে আমন ধানের আবাদ হলেও প্রয়োজনীয় বৃষ্টির অভাবে ধানগাছ শুকিয়ে লালচে হয়ে যাচ্ছে। স্থানীয় কৃষকেরা জানিয়েছেন, পর্যাপ্ত বৃষ্টি না হলে চলতি মৌসুমে আমনের ফলন নিয়ে শঙ্কিত তাঁরা।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 পীরগঞ্জ উপজেলায় ১৫টি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভায় ব্যাপক আমন আবাদ হলেও অনাবৃষ্টির কারণে ধানগাছ শুকিয়ে যাচ্ছে
- 📌 টানা দাবদাহ ও খরায় খেতের মাটিতে ফাটল ধরেছে, ধানগাছের পাতা বিবর্ণ হয়ে নুয়ে পড়েছে
- 📌 প্রান্তিক কৃষকেরা সেচ খরচ বহন করতে না পারায় ধানখেত নষ্ট হওয়ার ঝুঁকিতে
- 📌 উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সুমন আহমেদ জানিয়েছেন, বৃষ্টি না হলে ফলন ব্যাপকভাবে কমে যেতে পারে
📰 বিস্তারিত
রংপুরের পীরগঞ্জ উপজেলায় টানা অনাবৃষ্টি ও দাবদাহের কারণে আমন ধানের খেতের মাটিতে ফাটল দেখা দিয়েছে। উপজেলার ১৫টি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভায় ব্যাপক হারে আমন ধানের আবাদ হলেও প্রয়োজনীয় বৃষ্টির অভাবে ধানগাছ শুকিয়ে লালচে হয়ে যাচ্ছে। স্থানীয় কৃষকেরা জানিয়েছেন, পর্যাপ্ত বৃষ্টি না হলে চলতি মৌসুমে আমনের ফলন নিয়ে শঙ্কিত তাঁরা।
উপজেলা কৃষি বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, পীরগঞ্জের ১৫টি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভায় এবার ব্যাপক হারে আমন ধানের আবাদ করা হয়েছে। কিন্তু জমিতে চারা রোপণের পর থেকেই কাঙ্ক্ষিত বৃষ্টির দেখা মেলেনি। ফলে খেতের আর্দ্রতা ধরে রাখতে বাধ্য হয়ে বিকল্প হিসেবে পাম্প ও শ্যালোমেশিন দিয়ে সেচ দিতে হচ্ছে কৃষকদের। এতে আমন চাষে তাঁদের বাড়তি সেচ খরচ গুনতে হচ্ছে, যা উৎপাদন ব্যয় অনেক বাড়িয়ে দিচ্ছে।
সরেজমিনে উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের মাঠে ঘুরে দেখা গেছে, পানির অভাবে অনেক আমনখেতের মাটি শুকিয়ে চৌচির হয়ে গেছে। রোদের তীব্রতায় পানির অভাবে ধানগাছের পাতা নুয়ে পড়েছে ও বিবর্ণ রূপ ধারণ করেছে। খেতে পানি ধরে রাখতে না পারায় অনেক কৃষক বাধ্য হয়ে সেচ দিচ্ছেন, তবে যেসব প্রান্তিক কৃষকের বাড়তি টাকা খরচ করে সেচ দেওয়ার সামর্থ্য নেই, তাঁদের ধানখেত নষ্ট হওয়ার ঝুঁকিতে পড়েছে।
‘বর্তমানে আমন খেতের স্বাভাবিক বৃদ্ধির জন্য বৃষ্টির পানি খুবই প্রয়োজন। বৃষ্টি না হওয়া পর্যন্ত যেসব জমিতে ফাটল ধরছে, সেখানে কৃষকদের হালকা সেচ দেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। একই সঙ্গে কৃষি বিভাগের কর্মীরা মাঠপর্যায়ে কৃষকদের নিয়মিত খেত পর্যবেক্ষণের পরামর্শ দিচ্ছেন যাতে সঠিক পরিচর্যার মাধ্যমে ক্ষতির পরিমাণ কমিয়ে আনা সম্ভব হয়।’
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: পীরগঞ্জ, রংপুর
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: সুমন আহমেদ (উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৫টি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভা
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!