📌 ভ্রমণপ্রেমী এক দম্পতির কলকাতা থেকে চেন্নাই যাত্রায় ঘটে যাওয়া হিন্দি ভাষার ভুল বোঝাবুঝি ও ট্রেন স্টেশনে পেয়ারার স্বাদ গ্রহণের মজার অভিজ্ঞতার গল্প তুলে ধরা হয়েছে
ভ্রমণপ্রেমী এক দম্পতির জীবনের অন্যতম স্মরণীয় অভিজ্ঞতার গল্প এটি। বিবাহিত জীবনের শুরুতে তাঁরা কলকাতা থেকে করমণ্ডল এক্সপ্রেসে চেপে যাচ্ছিলেন চেন্নাই। স্বামীর বিদেশে বক্তৃতা দেওয়ার কাজের সূত্রে তাঁদের প্রায়ই ভ্রমণ করতে হতো। সেই যাত্রায় ঘটে যাওয়া হিন্দি ভাষার ভুল বোঝাবুঝি আর ট্রেন স্টেশনে ঘটে যাওয়া পেয়ারার স্বাদ গ্রহণের ঘটনা এখনও তাঁদের স্মৃতিতে অম্লান।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 বিবাহিত জীবনের প্রথম দিকের ভ্রমণে স্বামীর হিন্দি ভাষার ভুল উচ্চারণে ঘটে বিপত্তি
- 📌 কলকাতা থেকে করমণ্ডল এক্সপ্রেসে চেপে চেন্নাই যাত্রা শুরু
- 📌 ট্রেন স্টেশনে ফেরিওয়ালার কাছ থেকে পেয়ারা কিনতে গিয়ে ঘটে আরেক বিপত্তি
- 📌 স্বামী পেয়ারাকে আম ভেবে ভুল করেছিলেন
📰 বিস্তারিত
ভ্রমণপ্রেমী এক দম্পতি বিবাহিত জীবনের শুরুতে কলকাতা থেকে করমণ্ডল এক্সপ্রেসে চেপে চেন্নাই যাওয়ার পরিকল্পনা করেন। তাঁদের ভ্রমণের সূত্র ছিল স্বামীর বিদেশে বক্তৃতা দেওয়ার কাজ। সেই সময় তাঁদের সুটকেস গোছানো থেকে শুরু করে সবকিছুই স্ত্রী নিজের হাতে করতেন। যাত্রা শুরুর আগে তাঁরা কলকাতার ফেয়ারলি প্যালেস থেকে বিদেশিদের জন্য আলাদা টিকিট সংগ্রহ করেন।
ট্রেন স্টেশনে দাঁড়িয়ে থাকা এক ব্যক্তি বারবার ‘কালকা, কালকা, কালকা...’ বলে চিৎকার করছিলেন। স্বামী তাঁকে কাছে ডেকে ‘পরশু কা হ্যায়’ বলে জিজ্ঞেস করেন। স্ত্রী তখন তাঁকে ফিসফিস করে জানান যে লোকটি আসলে কালকা মেলের টিকিট বিক্রি করছেন, যা দিল্লি যায়, চেন্নাই নয়। স্বামী তখন বিরক্ত হয়ে যান। স্ত্রী তাঁকে বারবার সতর্ক করে দেন যে তিনি হিন্দি বলতে জানেন, তাই কিছু বলার আগে তাঁকে জানাতে।
করমণ্ডল এক্সপ্রেস যখন ভুবনেশ্বর স্টেশনে থামে, তখন এক ফেরিওয়ালা ঝুড়িতে লাল শালু দিয়ে ঢাকা ফল নিয়ে ‘আ...ম...রুদ’ বলে ডাকছিলেন। স্বামী ‘আম’ শুনেই তাঁকে কাছে ডেকে দাম জিজ্ঞেস করেন। ফেরিওয়ালা ‘দো রুপিয়া পিস’ বললে তিনি খুশিতে ‘দো ঠো দাও’ বলে টাকা দিতে যান। স্ত্রী তখন শাড়ির আঁচলে মুখ ঢেকে ফেলেন যাতে স্বামী তাঁকে হাসতে দেখে খেপে না যান। ফেরিওয়ালা দ্রুত দুটো ডাঁশা পেয়ারা কেটে নুন-মরিচ মাখিয়ে তাঁর হাতে ধরিয়ে দেন। স্বামী অবাক হয়ে স্ত্রীকে জিজ্ঞেস করেন যে ফেরিওয়ালা তাঁকে আম বলে পেয়ারা দিয়েছে কেন। স্ত্রী তখন তাঁকে জানান যে লোকটি আসলে ‘আমরুদ’ বলছিলেন, যার অর্থ পেয়ারা।
"আমার স্বামী অত্যন্ত বিরক্ত হলেন। স্ত্রী বেশি বুদ্ধিমান হলে সব স্বামীই হন, ও আমি আর গায়ে মাখি না।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: কলকাতা, ভুবনেশ্বর স্টেশন
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: স্বামী, স্ত্রী
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: দুই রুপিয়া
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!