📌 ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি) পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবিরের দ্বৈত নাগরিকত্ব নিয়ে প্রশ্নের জবাবে পাল্টা প্রশ্ন করার প্রবণতাকে ‘শুট দ্য মেসেঞ্জার’ কৌশল হিসেবে অভিহিত করেছে। সংস্থাটি এটিকে স্বাধীন সাংবাদিকতা ও জনস্বার্থবিরোধী কর্মকাণ্ড হিসেবে উল্লেখ করে সরকারের প্রতি স্বচ্ছতার আহ্বান জানিয়েছে
ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি) পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবিরের দ্বৈত নাগরিকত্ব নিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে পাল্টা প্রশ্ন করার প্রবণতাকে ‘শুট দ্য মেসেঞ্জার’ কৌশলের উদাহরণ হিসেবে উল্লেখ করেছে। সংস্থাটি একে মুক্ত গণমাধ্যম ও স্বাধীন সাংবাদিকতার জন্য হুমকিস্বরূপ বলে অভিহিত করে তা পরিহারের আহ্বান জানিয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 দ্বৈত নাগরিকত্ব নিয়ে প্রশ্নের জবাবে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির পাল্টা প্রশ্ন করেন, ‘কে এটা নিউজ করেছে?’
- 📌 টিআইবির নির্বাহী পরিচালক ইফতেখারুজ্জামান এটিকে ‘শুট দ্য মেসেঞ্জার’ প্রবণতা হিসেবে বর্ণনা করেছেন
- 📌 টেকনোক্র্যাট কোটায় দ্বৈত নাগরিকত্বধারীর নিয়োগকে অসাংবিধানিক বলে উল্লেখ করেছে টিআইবি
- 📌 প্রতিমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেওয়ার আগে তাঁর যুক্তরাজ্যের নাগরিকত্ব ত্যাগ করেছেন কি না তা স্পষ্ট নয়
- 📌 টিআইবির দাবি, বিষয়টি সরকারের জন্য বিব্রতকর ও আন্তর্জাতিক মাত্রা সম্পন্ন
📰 বিস্তারিত
ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি) পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবিরের দ্বৈত নাগরিকত্ব নিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে পাল্টা প্রশ্ন করার প্রবণতাকে ‘শুট দ্য মেসেঞ্জার’ কৌশলের উদাহরণ হিসেবে অভিহিত করেছে। সংস্থাটি একে স্বাধীন সাংবাদিকতা ও জনস্বার্থবিরোধী কর্মকাণ্ড হিসেবে উল্লেখ করে সরকারের প্রতি স্বচ্ছতার আহ্বান জানিয়েছে।
টিআইবির নির্বাহী পরিচালক ইফতেখারুজ্জামান বলেন, টেকনোক্র্যাট কোটায় দ্বৈত নাগরিকত্বধারীর পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হিসেবে নিয়োগ অসাংবিধানিক। ফলে দ্বৈত নাগরিকত্ব বহাল থাকা অবস্থায় তাঁর নিয়োগ সংবিধানের সঙ্গে সাংঘর্ষিক। এ বিষয়ে স্বচ্ছতার সঙ্গে নিজের অবস্থান প্রকাশ না করে প্রতিমন্ত্রীর পদ গ্রহণের মাধ্যমে তিনি নিজেকেই প্রশ্নবিদ্ধ করেছেন।
গত শুক্রবার শপথ নেওয়া হুমায়ুন কবির শৈশব থেকে যুক্তরাজ্যে বেড়ে উঠেছেন বলে জানা যায়। তিনি সে দেশের নাগরিক বলে যুক্তরাজ্য বিএনপির একাধিক নেতা নিশ্চিত করেছেন। তবে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার আগে তিনি যুক্তরাজ্যের নাগরিকত্ব ত্যাগ করেছেন কি না তা তাঁরা নিশ্চিত করতে পারেননি।
বিষয়টি নিয়ে আলোচনার মধ্যে গতকাল পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকেরা প্রশ্ন করলে জবাবে হুমায়ুন কবির পাল্টা প্রশ্ন করেন, ‘কে এটা নিউজ করেছে?’ তিনি আরও বলেন, ‘কার এত জ্বালা যে মানে কাজ করতে দেবে না, হ্যাঁ? তো তার জ্বালা কেন হচ্ছে? তার কি ২০০৮-এর জ্বালা উঠছে নাকি আবার? মইনউদ্দিন-ফখরুদ্দীনের জ্বালা উঠছে তার আবার?’
"দ্বৈত নাগরিকত্ব নিয়ে প্রতিবেদনকারী গণমাধ্যম ও প্রশ্ন উত্থাপনকারী সংবাদকর্মীদের প্রতি ক্ষোভ ও বিদ্বেষমূলক পাল্টাপ্রশ্ন একজন প্রতিমন্ত্রীর জন্য অনৈতিক ও উদ্বেগজনক। বিষয়টি সরকারের জন্যও বিব্রতকর। একজন দায়িত্বশীল রাষ্ট্রীয় পদধারীর কাছ থেকে বৈধ জনস্বার্থসংশ্লিষ্ট প্রশ্নের জবাবে এ ধরনের আক্রমণাত্মক প্রতিক্রিয়া স্বাধীন সাংবাদিকতার জন্যও হুমকিস্বরূপ।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: বাংলাদেশ
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: হুমায়ুন কবির, ইফতেখারুজ্জামান
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: দ্বৈত নাগরিকত্ব নিয়ে প্রশ্ন
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!