📌 টেকনাফের শাহপরীর দ্বীপের তিন কিলোমিটার দীর্ঘ বেড়িবাঁধ সংস্কারের মাত্র তিন বছরের মাথায় ভেঙে পড়ছে। স্থানীয় ৪০০ বসতঘর ভাঙনের ঝুঁকিতে থাকায় কর্তৃপক্ষকে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে
টেকনাফের শাহপরীর দ্বীপে নির্মিত তিন কিলোমিটার দীর্ঘ বেড়িবাঁধ ও সীমান্ত সড়ক সংস্কারের মাত্র তিন বছরের মাথায় ভেঙে পড়তে শুরু করেছে। সমুদ্রের প্রবল ঢেউয়ের ধাক্কায় সড়কের বিভিন্ন স্থানের ব্লক সরে যাওয়ার পাশাপাশি অত্র এলাকার ৪০০ বসতঘর ভাঙনের ঝুঁকিতে রয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 টেকনাফের শাহপরীর দ্বীপের তিন কিলোমিটার দীর্ঘ বেড়িবাঁধ সংস্কারের মাত্র তিন বছরের মাথায় ভেঙে পড়তে শুরু করেছে।
- 📌 সমুদ্রের প্রবল ঢেউয়ের ধাক্কায় সড়কের বিভিন্ন স্থানের ব্লক সরে যাচ্ছে এবং ঢেউ সরাসরি আঘাত হানছে মাটির বাঁধে।
- 📌 অত্র এলাকার ৪০০ বসতঘর ভাঙনের ঝুঁকিতে রয়েছে।
- 📌 ২০২০ সালে প্রায় ৩০০ কোটি টাকা ব্যয়ে ঝুঁকিপূর্ণ বেড়িবাঁধ সংস্কার করা হয়েছিল।
- 📌 ২০২২ সালে প্রায় ১৫১ কোটি টাকা ব্যয় করে তিন কিলোমিটার বেড়িবাঁধের ওপর সীমান্ত সড়ক নির্মাণ করা হয়।
📰 বিস্তারিত
টেকনাফের শাহপরীর দ্বীপের পশ্চিম, দক্ষিণ ও পূর্ব দিকের অন্তত সাত কিলোমিটার বঙ্গোপসাগরবেষ্টিত। পূর্ব দিকে আরও পাঁচ কিলোমিটার নাফ নদীর তীরবর্তী। বিগত এক দশকে পাউবো ও নৌবাহিনীর তত্ত্বাবধানে শত শত কোটি টাকা ব্যয় করা হয়েছিল এই বাঁধ ও সড়ক মেরামতে।
২০২০ সালে প্রায় ৩০০ কোটি টাকা ব্যয়ে ঝুঁকিপূর্ণ বেড়িবাঁধ সংস্কারের পরও সেখানে জোয়ারের পানি নিয়মিত ঢুকত। পরে ২০২২ সালে প্রায় ১৫১ কোটি টাকা ব্যয় করে তিন কিলোমিটার বেড়িবাঁধের ওপর সীমান্ত সড়ক নির্মাণ করা হয়। এখন সেটাও ঝুঁকিতে রয়েছে।
স্থানীয় বাসিন্দাদের জীবনযাপনও হুমকির মুখে পড়েছে। উচ্চ জোয়ারের লোনাপানি বেড়িবাঁধ উপচে লোকালয়ে ঢুকে পড়ায় ঘরবাড়ি ও কৃষিজমি প্লাবিত করছে, ধ্বংস করছে খেতের ফসল। ভিটেমাটি হারানোর শঙ্কা জেগেছে স্থানীয় লোকজনের মনে।
"যাঁদের সক্ষমতা আছে, তাঁরা ইতিমধ্যে এলাকা ছেড়েছেন। এই অঞ্চলগুলোর বাসিন্দারা এমনিতেই প্রান্তিক, তাঁদের মধ্যে যাঁরা আরও প্রান্তিক, তাঁদের ঝুঁকি আরও বেশি। এই মুহূর্তে কর্তৃপক্ষের উচিত দ্রুত এই সড়ক ও বেড়িবাঁধের প্রয়োজনীয় সংস্কারের জন্য উদ্যোগ গ্রহণ করা। যদিও কর্তৃপক্ষ আশ্বস্ত করেছে, জরুরি ভিত্তিতে ক্ষতিগ্রস্ত অংশে মেরামতের কাজ শুরু হবে এবং নভেম্বর-ডিসেম্বর মাসে সাগর শান্ত হলে স্থায়ী সংস্কারের কাজ শুরু হবে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: টেকনাফ, শাহপরীর দ্বীপ
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: স্থানীয় বাসিন্দা ও কর্তৃপক্ষ
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৪০০ (বসতঘর), ৩০০ কোটি টাকা, ১৫১ কোটি টাকা
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!