📌 বঙ্গোপসাগরে মাছ ধরতে গিয়ে মিয়ানমারের আরাকান আর্মির হাতে আটক ২৪ জেলেকে বিজিবির উদ্যোগে ফিরিয়ে আনা হয়েছে। এদের মধ্যে ১৬ বাংলাদেশি ও ৮ রোহিঙ্গা রয়েছেন
টেকনাফের ট্রানজিট জেটি ঘাট থেকে বিজিবির সদস্যরা বুধবার দেড়টার দিকে ২৪ জেলেকে নিয়ে ফিরে আসেন। তাঁদের মধ্যে ১৬ জন বাংলাদেশের নাগরিক এবং বাকি ৮ জন টেকনাফের রোহিঙ্গা শিবিরের বাসিন্দা। সূত্র জানায়, রাখাইন রাজ্যের মংডু টাউনশিপ থেকে ট্রলারে করে আরাকান আর্মি জেলেদের নাফ নদীর শূন্যরেখায় নিয়ে আসে। পরে বিজিবির সঙ্গে মতবিনিময়ের মাধ্যমে তাঁদের হস্তান্তর করা হয়।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 বিজিবির প্রচেষ্টায় ফিরিয়ে আনা হয়েছে আরাকান আর্মির হাতে আটক ২৪ জেলেকে
- 📌 তাঁদের মধ্যে ১৬ বাংলাদেশি ও ৮ রোহিঙ্গা রয়েছেন
- 📌 মতবিনিময়ের পর বিজিবির কাছে জেলেদের হস্তান্তর করে আরাকান আর্মি
- 📌 ২০২৫ সালের জানুয়ারি থেকে চলতি বছরের ১৮ আগস্ট পর্যন্ত আরাকান আর্মির হাতে আটক জেলেদের সংখ্যা ৪৩৪ জন
📰 বিস্তারিত
টেকনাফ-২ বিজিবি অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. হানিফুর রহমান ভূঁইয়া জানান, বঙ্গোপসাগরে মাছ ধরতে গিয়ে অনিচ্ছাকৃতভাবে মিয়ানমারের জলসীমায় প্রবেশ করেছিলেন জেলেরা। তখন আরাকান আর্মি তাঁদের ধরে নিয়ে যায়। দীর্ঘদিন তাঁদের মিয়ানমারের নিয়ন্ত্রিত এলাকা বা কারাগারে রাখা হয়েছিল। মানবিক বিবেচনায় বিজিবি উদ্যোগ নিয়ে আলোচনার মাধ্যমে জেলেদের ফিরিয়ে আনতে সক্ষম হন।
তিনি আরও বলেন, এর আগেও একাধিকবার জেলেদের ফিরিয়ে আনা হয়েছে। ফিরিয়ে আনা জেলেদের পরিচয় যাচাইয়ের পর পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে। বর্তমানে মিয়ানমারের কারাগারে বাংলাদেশি ৬৫ জন ও রোহিঙ্গা ২১ জন জেলে রয়েছেন বলে জানান তিনি।
বিজিবির তথ্যমতে, ২০২৫ সালের ১ জানুয়ারি থেকে ২০২৬ সালের ১৮ আগস্ট পর্যন্ত সময়ে আরাকান আর্মি বাংলাদেশি নৌকাসহ মোট ৪৩৪ জন জেলেকে আটক করে। এর মধ্যে বাংলাদেশি জেলে ২২২ জন ও রোহিঙ্গা জেলে ২১২ জন। ইতিমধ্যে বিজিবির প্রচেষ্টায় কয়েক দফায় ৩৪৮ জন জেলেকে ফিরিয়ে আনা হয়েছে। ফিরিয়ে আনা জেলেদের মধ্যে বাংলাদেশি ১৫৭ জন ও রোহিঙ্গা ১৯১ জন রয়েছেন।
"বঙ্গোপসাগরে মাছ ধরতে গিয়ে জেলেরা অনিচ্ছাকৃতভাবে মিয়ানমারের জলসীমায় প্রবেশ করেছিলেন। তখন বেশ কিছু জেলেদের ধরে নিয়ে যায় আরাকান আর্মি। মানবিক বিবেচনায় তাঁদের ফিরিয়ে আনতে বিজিবি উদ্যোগ নেয়। আলোচনার মাধ্যমে জেলেদের ফিরিয়ে আনা হলো।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: টেকনাফ, বাংলাদেশ
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. হানিফুর রহমান ভূঁইয়া
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২৪ জন জেলে
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!