📅 ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ৮:২৯ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

টাঙ্গাইলের সখীপুরে মাটি খননে উদ্ধার: মুক্তিযুদ্ধের সম্ভাব্য রকেট লঞ্চার বাক্স দুটি

টাঙ্গাইলের সখীপুরে মাটি খননে উদ্ধার: মুক্তিযুদ্ধের সম্ভাব্য রকেট লঞ্চার বাক্স দুটি

📷 ছবি: Ajker Patrika

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 আজকের পত্রিকা ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 টাঙ্গাইলের সখীপুর উপজেলায় মাটি খননের সময় দুটি পরিত্যক্ত রকেট লঞ্চার বাক্স উদ্ধার করা হয়েছে। বাক্সে পাকিস্তান আমলের ইস্ট পাকিস্তান পুলিশ টাঙ্গাইল লেখা থাকায় স্থানীয়রা মনে করছেন এগুলো মুক্তিযুদ্ধের সময় ব্যবহৃত হতে পারে। পুলিশ বস্তুগুলো নিরাপদ স্থানে রাখার পর বিস্ফোরক বিশেষজ্ঞদের সাথে যোগাযোগ করবে

টাঙ্গাইলের সখীপুর উপজেলায় মাটি খননের সময় দুটি পরিত্যক্ত বাক্স উদ্ধার করা হয়েছে, যা সম্ভবত মুক্তিযুদ্ধের সময় ব্যবহৃত রকেট লঞ্চার হতে পারে। বাক্স দুটিতে পিতলের প্লেটে খোদাই করা ইংরেজি লেখা থেকে জানা যায়, এগুলো পাকিস্তান আমলের ইস্ট পাকিস্তান পুলিশ টাঙ্গাইল। স্থানীয়রা মনে করছেন, এগুলো মুক্তিযুদ্ধের সময় ব্যবহৃত হতে পারে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 টাঙ্গাইলের সখীপুর উপজেলার কচুয়া থলচালা গ্রামে মাটি খননের সময় দুটি পরিত্যক্ত বাক্স উদ্ধার করা হয়েছে।
  • 📌 উদ্ধারকৃত বাক্স দুটিতে ১২টি করে মোট ২৪টি বস্তু রয়েছে, প্রতিটি বস্তুর পেছনে ঘূর্ণায়মান পাখার মতো আকৃতি।
  • 📌 বাক্সের পিতলের প্লেটে ইস্ট পাকিস্তান পুলিশ টাঙ্গাইল লেখা রয়েছে, যা পাকিস্তান আমলের।
  • 📌 স্থানীয় বাসিন্দা লিয়াকত আলীর জমিতে মাটি খননের সময় বাক্স দুটি পাওয়া যায়।
  • 📌 পুলিশ বাক্স দুটি উদ্ধার করে নিরাপদ স্থানে রাখার পর বিস্ফোরক বিশেষজ্ঞদের সাথে যোগাযোগ করবে।

📰 বিস্তারিত

বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) সকালে টাঙ্গাইলের সখীপুর উপজেলার কচুয়া থলচালা গ্রামের টুঙ্গীর চালা এলাকায় বর্গাচাষি আছরব আলী ও তার ছেলে শাকিল মাটি খনন করছিলেন। কোদালের আঘাতে লোহার বাক্সের অংশবিশেষ দেখা যায়। স্থানীয়রা বিষয়টি জানার পর পুলিশকে অবহিত করেন। পুলিশ বাক্স দুটি উদ্ধার করে নিরাপদ স্থানে রাখে।

সখীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুরাদ হোসেন জানান, বাক্স দুটিতে ১২টি করে মোট ২৪টি বস্তু রয়েছে। প্রতিটি বস্তুর পেছনে ঘূর্ণায়মান পাখার মতো আকৃতি থাকায় স্থানীয়রা মনে করছেন, এগুলো মুক্তিযুদ্ধের সময় ব্যবহৃত রকেট লঞ্চার। তবে পুলিশ এখনও নিশ্চিতভাবে বলতে পারেননি যে, বস্তুগুলো কী।

ওসি মুরাদ হোসেন বলেন, “বাক্সের পিতলের প্লেটে লেখা থেকে ধারণা করা যাচ্ছে, এগুলো পাকিস্তান আমলের। এগুলো পুরোনো এবং জং ধরা গোলাবারুদসদৃশ বস্তু। আপাতত আমরা বস্তুগুলো নিরাপদ স্থানে রাখেছি। পরবর্তী পদক্ষেপ নেবেন বিস্ফোরক বিশেষজ্ঞরা।”

স্থানীয় সাংবাদিক সোহেল রজত জানান, প্রতিটি বাক্সে ছয়টি করে মোট ১২টি বস্তু রয়েছে। প্রতিটি বস্তুর পেছনে ঘূর্ণায়মান পাখার মতো আকৃতি থাকায় স্থানীয়রা মনে করছেন, এগুলো মুক্তিযুদ্ধের সময় ব্যবহৃত রকেট লঞ্চার।

"আমরা বস্তুগুলো কী—এ বিষয়ে এখনই সঠিক বলা যাচ্ছে না। উদ্ধার হওয়া একটি প্লেটের গায়ে লেখা থেকে ধারণা করা হচ্ছে, বস্তুগুলো পাকিস্তান আমলের। এগুলো পুরোনো এবং জং ধরা গোলাবারুদসদৃশ বস্তু।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: টাঙ্গাইলের সখীপুর উপজেলা, কচুয়া থলচালা গ্রাম, টুঙ্গীর চালা এলাকা
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ওসি মুরাদ হোসেন, আছরব আলী, শাকিল, সোহেল রজত
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২৪টি বস্তু (১২টি করে দুটি বাক্স)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖